BCS Class 9-10 Science Questions - ৯ম-১০ম শ্রেনীর সাধারণ বিজ্ঞান বই হতে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন

৪১ তম বিসিএস প্রিলি প্রস্তুতি-২০২০

রাত ১০.৩০টার সাবজেক্টিভ সিলেবাসের আলোকে ৯ম-১০ম শ্রেনীর  সাধারণ বিজ্ঞান বই হতে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন একনজরে 👈(রিপোস্ট)।

♦♦১ম অধ্যায়ঃ

১।প্রাণীদেহে শুষ্ক ওজনের কতভাগ প্রোটিন - ৫০%।

২।খাদ্যের উপাদান - ৬টি।

৩।আমিষের গঠনের একক - অ্যামাইনো এসিড।

৪।মানবদেহে কয়ধরনের অ্যামাইনো এসিড রয়েছে - ২০ ধরনের♦

৫।মানুষের প্রধান খাদ্য - শর্করা।

৬।পানিতে দ্রবনীয় ভিটামিন - B,C♦

৭।ঢেকি ছাটা চাল ও আটার ভিটামিন থাকে - থায়ামিন।

৮।দৈনিক পানি পান করা উচিত - ২-৩ লিটার♦

৯।ব্রাইন বলা হয় - লবনের দ্রবনকে।

১০।পুষ্টির ইংরেজী শব্দ - Nutrition।

১১।কোষ গঠনে সাহায্য ও নিয়ন্ত্রন করে - ভিটামিন ই ও লাইসিন।

১২।কার্বোহাইড্রেট C:H:O এর অনুপাত - ১:২:১♥

১৩।খাদ্যের কোন উপাদানটি মিষ্টি স্বাদযুক্ত - শর্করা।

১৪।FRUIT SUGAR বলা হয় - ফ্রুকটোজকে।

১৫।অামিষের শতকরা নাইট্রোজেন পরিমান - ১৬%

১৬।অামিষের মৌলিক উপাদান কয়টি - ৪টি♦

১৭।ইলিশের প্রোটিন অাছে - ২০

১৮।মাছ থেকে কতভাগ প্রোটিন অাসে - ৮০ ভাগ।

১৯।অামিষের অভাবে হয় - ম্যারাসমাস রোগ।

২০।মহিষের দুধে শক্তির পরিমান - ১১৭ ক্যালরী।

২১।শক্তি উৎপাদক খাদ্য - শর্করা।

২২।ভিটামিন এভাবে রোগ - রাতকানা, জেরপথ্যালমিয়া ♦

২৩।খাদ্যে ফ্যাটি এসিড পাওয়া যায় - ২০ ধরনের♦

২৪।ভিটামিন বি - ২০ প্রকার।

২৫।প্রাপ্ত বয়স্ক লোকের লৌহের প্রয়োজন - ৯গ্রাম♥

২৬।খাদ্যের মধ্যে নিহিত শক্তির একক - কিলোক্যালরী।

২৭।Quetelet Index বলা হয় - BMI

২৮।BMI- Body Mass index

২৯।দেহের চর্বি পরিমান নিদের্শক - BMI

৩০।BMI- ওজন/(উচ্চতা)^২

৩১।BMIএর অপর নাম - QLI ♦

৩২।বোরহানিতে পাওয়া যায় - ল্যাকটিক এসিড♦

৩৩।ভিনেগার কী - অ্যাসেটিক এসিডের ৫% দ্রবন।

৩৪।তামাকে কোন পদার্থ থাকে - নিকোটিন, ক্যাফেইন।

৩৫।ধূমপান করার উপাদানটি নাম - Nicotina♦

৩৬।সর্বপ্রথম এইডস চিহ্নিত হয় - আফ্রিকায়।

৩৭।পরিপোষক ইংরেজী শব্দ - Nurtrients।

৩৮।উৎপত্তিগত আমিষ - ২ প্রকার

৩৯।মানবদেহে ওজনের মোট ক্যালসিয়াম - ২ভাগ

৪০।মানবদেহে ওজনের মোট পানি - ৬০ থেকে ৭৫ভাগ।

৪১।মানবদেহে ফসফরাসের প্রয়োজন - ৫গ্রাম

৪২।এসিডোমিস হয় - পানির অভাবে

৪৩।মানুষের মৃত্যু হয় - ১০% পানির অভাবে

৪৪।মানবদেহের বৃদ্ধির সময়সীমা - ২০ থেকে ২৪ বছর।

৪৫।পুষ্টি - ৪ প্রকার।

৪৬।এইডসের ভাইরাসের নাম - HIV♦

৪৭।এ পযর্ন্ত অ্যামোইনো এসিডের সন্ধান পাওয়া গেছে - ২০ ধরনের♥

৪৮।খাদ্যে ফ্যাটি এসিড পাওয়া যায় - ২০

৪৯।স্নেহ - ২ প্রকার।

৫০।বিজ্ঞান শব্দের অর্থ - বিশেষ জ্

৫১।স্নেহে দ্রবনীয় - ভিটামিন A,D,E,K♦♥♦

৫২।ফল পাকানোর জন্য দায়ী - ক্যালসিয়াম কার্বোইড।

৫৩।HIV অাক্রমন করে - রক্তে শ্বেতকনিকায় লিম্ফোসাইটকে।

৫৪।আমাশয় - ২ প্রকার।এমিবিক ও ব্যাসিলারি।

৫৫।ভাইরাস - প্রকৃত পরজীবী।

৫৬।ভাইরাসকে বলা হয় - অকোষীয় জীব।

৫৭।ছত্রাকে বলা হয় - মৃতজীবী জীব।

৫৮।অনুজীবকে বলা হয় -আদিজীব।

৫৯।প্রথম ব্যাকটেরিয়া দেখতে পান - বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ফন লিউয়েন হুক♦

৬০।ধূমপানের উপাদানটির বিজ্ঞানিক নাম - Nicotiana Tabacum।


♦♦২য় অধ্যায়ঃ


১।পানির ঘনত্ব নির্ভরশীল - তাপমাত্রা উপর।

২।ভূ-পৃষ্টের মোট পানির শতকরা মিঠাপানি - ১ ভাগ।

৩।পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি - ৪ ডিগ্রী সে:♦♥

৪।বিশুদ্ধ পানির ধর্ম - স্বাদহীন,বর্ণহীন,গন্ধহীন।

৫।কোন জলীয় দ্রবণ এসিডীয় হলে এর pH - ৬.৫।

৬।বিশুদ্ধ পানির pH - ৭♦

৭।শুধু পানিতে জন্মায় - সিংগারা।

৮।ওষুধ তৈরিতে পানি বিশুদ্ধ করা হয় - পাতন প্রক্রিয়ায়।

৯।এসিডের পরিমান বাড়লে pH এর মান - কমে।

১০।ব্লিচিং পাউডারের সংকেত - Ca(OC1)C1♦

১১।আমেরিকায় উত্তর ওহাইও অঙ্গরাজ্যের মরা হ্রদটি নাম - এরি।

১২।রামসার চুক্তি হয় - ১৯৭১ সালে♦

১৩।রামসায় কনভেনশন সংশোধন হয় - ১৯৮২ সালে।

১৪।গঙ্গা পানি বন্টন চুক্তি হয় - ১৯৭৭ সালে।

১৫।বুড়িগঙ্গা নদীর সাথে তুলনা করা হয় - এরি হ্রদের সাথে।

১৬।পানির স্ফুটনাঙ্ক - ৯৯.৯৮ ডিগ্রী সে:।

১৭।সমুদ্রের পানিকে বলে - Marine Water♦

১৮।পানির অনুতে আছে - ২টি হাইড্রোজেন।

১৯।পৃথিবীর পানির মধ্যে শতকরা সমুদ্রের পানি - ৯০ ভাগ।

২০।পানির দ্রবীভূত অক্সিজেন মাত্রা ঠিক থাকে - সালোকসংশ্লেষনের মাধ্যমে।

২১।নদনদীর পানি - ক্ষারীয়।

২২।একলিটার বিশুদ্ধ পানির pH - ৭

২৩।ত্বক ও ফুসফুসে ক্যান্সার সৃষ্টি করে - পারদ/U।

২৪।রক্ত শূন্যতা হয় - সীসার অভাবে♦

২৫।রামসায় চুক্তিতে বাংলাদেশ সম্মতি জ্ঞাপন ও স্বাক্ষর করে - ১৯৭৩ সালে♦

২৬।লোনা পানির ইংরেজী শব্দ - Saline Water।

২৭।নাব্যতা হ্রাসকালে ভূমিকা আছে - তেল।

২৮।pH কমলে প্রাণীদেহে হতে নিগৃত হয় - Ca।

২৯।ইলিশ মিঠা পানিতে আসে - প্রজনেন জন্য♦

৩০।ইলিশ ডিম নষ্ট করে - লবণাক্ত পানিতে।

৩১।ভূ-গর্ভস্থ শতকরা লবণাক্ত পানির পরিমান - ৯৭ ভাগ।

৩২।বন্যার সময় পানি বিশুদ্ধকরন করার জন্য ব্যবহার করা হয় - সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইড।

৩৩।পানির মধ্যে ধূলিকনা পৃথক করার প্রক্রিয়া - পরিস্রাবন।

৩৪।খাওয়ার পানির জন্য সহজলভ্য প্রক্রিয়া - স্ফুটন।

৩৫।কঠিন বর্জ্য পঁচতে সময় লাগে - ১ থেকে ২ দিন।

৩৬।সম্প্রতি তেজস্ক্রিয়া ঘটেছে - জাপানের ফুকুশিমা।

৩৭।মানুষ বিকলাঙ্গ হয় - পারদের অভাবে।

৩৮।এরি হ্রদকে মরা হ্রদ ঘোষণা করা হয় - ১৯৬০ সালে।

৩৯।প্রাণীশূন্য নদীকে বলে - Dead Lake♦

৪০।ETP - Effluent Treatment Plant♦

৪১।ঢাকা শহরে প্রতিনিয়ত কঠিন পদার্থ উৎপন্ন হয় - ৫০০ মে: টন।

৪২।বাংলাদেশ ভারত হতে গঙ্গা পানির ন্যায্য হিসাবে পাওয়ার চুক্তি হয় - ১৯৯৬ সালে♦

৪৩।ভারত সরকার গঙ্গা পানির গতিপথ পরিবর্তন করে - ১৯৭৫ সালে।

৪৪।মানুষের মৌলিক অধিকার - ৫টি।(আমরা জানি, মৌলিক অধিকার ৬টি।কিন্তু ৯ম শ্রেনীর বইয়ে ৫ টি।আবার ৩য় শ্রেনীর বইয়ে ৬টি)♦

৪৫।রামসার কনভেনশন সংশোধন হয় - ২ বার♦

৪৬।অম্লীয় পানির pH - ৪♦

৪৭।বরফের গলনাঙ্ক - ০ ডিগ্রী সে:।

৪৮।১ কিউসেক পানির ভর - ১০০০ কেজি♦

৪৯।পানির অনুর আকৃতি - কৌণিক।

৫০।পানি একটি - উভধর্মী পদার্থ।


#৩য় অধ্যায়ঃ


১।রক্তে লোহিত কণিকা সঞ্চিত থাকে - প্লীহাতে♦

২।অনুচক্রিকার গড় আয়ু - ৫ থেকে ১০ দিন।

লোহিত রক্ত কণিকায় গড় আয়ু - ১২০ দিন♦

শ্বেতকণিকার গড় আয়ু - ১-১৫ দিন♦

৩।লোহিত কণিকার আকৃতি - চ্যাপ্টা।

৪।সর্বজন দাতা গ্রুপ - O+ গ্রুপ।

৫।রক্তে অ্যান্টিজেন নেই - O+ গ্রুপে।

৬।হৃৎপিন্ডের আকৃতি - ত্রিকোণাকার।

৭।রক্তে কিসের পরিমান বেশি থাকা শরীরে জন্য উপকারি - HDL♦

৮।রক্তে কোলেস্টেরল স্বাভাবিক পরিমান - ১০০-২০০mg/dl।

৯।মানুষের স্বাভাবিক রক্তচাপ -১২০/৮০ mmHg♦

১০।মানুষের মোট ওজন শতকরা - ৮% রক্ত।

১১।ধমনির রক্তের pH - ৭.৪।

১২।পূর্ণবয়স্ক মানুষের রক্তের পরিমান - ৫-৬ লিটার♦

১৩।রক্ত গঠিত - যোজক টিস্যু।

১৪।রক্তের প্রধান উপাদান - লৌহ।

১৫।রক্তের প্রধান উপাদান - ২টি।

১৬।রক্তে রেচন পদার্থ - ইউরিয়া♦

১৭।রক্ত লাল দেখায় - হিমোগ্লোবিন থাকায়।

১৮।দেহের প্রহরী - শ্বেতকণা।

১৯।রক্তে লিম্ফোসাইটের পরিমান - ২০-৪৫%

২০।হিমোগ্লোবিন থাকে না - শ্বেতকণিকায়♦

২১।রক্তে অ্যান্টিজেন থাকে - ২টি।

২২।AB গ্রুপে রক্তের মানুষ - ৩%।

২৩।হৃৎপিন্ড বেষ্টনকারী পদার্থের নাম - পেরিকার্ডিয়াম (২ স্তর)।

২৪।নিলয়ের অপর নাম - ভেন্টিকল♦

২৫।একটি হৃৎস্পন্দনের সময় লাগে ০.৮ সেকেন্ড।

২৬।হৃৎপিন্ড প্রসারণকে বলা হয় - ডায়াস্টোল♦

২৭।প্রতিমিনিটে হার্টবিটকে বলে - ডাব।

২৮।কার্ডিয়াক চক্রের ধাপ - ৪টি♦

২৯।LDL এর পূর্ণরুপ -Low Density Lipoprotein।

৩০।সমগ্র রক্তে -৫৫% রক্তরস, ৪৫% রক্তকণিকা।

৩১।রক্তের তরল অংশকে বলে - প্লাজমা।

৩২।রক্ত কণিকা - ৩ প্রকার♦

৩৩।রক্ত রসের -১০% জৈব ও অজৈব।

৩৪।রক্তরস আলাদা করলে রক্তের রং হবে - হালকা হলুদ।

৩৫।প্লেটলেট অর্থ - অণুচক্রিকা♦

৩৬।ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হলে কোন অবস্থার সৃষ্টি হয় - পারপুরা।

৩৭।মানুষের রক্তের A গ্রুপ শতকরা - ৪২%।

৩৮।মানুষের রক্তের B গ্রুপ শতকরা - ৯%।

৩৯।মানুষের রক্তের AB গ্রুপ শতকরা - ৩%।

৪০।মানুষের রক্তের O+ গ্রুপ শতকরা - ৪৬%।

৪১।RBC - Red Blood cell।

৪২।রেসাস ফ্যাক্টরের সংকেত - Rh♦

৪৩।রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করে - ডা. কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার (১৯০০ সালে)♦

৪৪।Rh ফ্যাক্টরের নামকরন করা হয় - বানর দ্বারা।

৪৫।হৃৎপিন্ডের অবস্থান - দুই ফুসফুসের মাঝে।

৪৬।হৃৎপিন্ডের ওজন - ৩০০ গ্রাম♦

৪৭।হৃৎপিন্ডের সংকোচনকে বলা হয় - সিস্টোল।

৪৮।মানুষের হৃৎপিন্ড প্রকোষ্ঠ - ৪ ভাগে♦

৪৯।রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা - ৮০ থেকে ১২০ গ্রাম/ডেসি.লিটার।

৫০।HDL এর পূর্ণরুপ -High Density Lipoprotein♦


♦♦৪র্থ অধ্যায়ঃ


১।বয়:সন্ধিকালের সময়কাল - ১১ হতে ১৯ বছর।

২।টেস্টটিউবের প্রথম সফলতা পায় -ড.প্যাট্রিক♦ স্টেপটো ও ড. রবার্ট এডওয়ার্ডের, ইংল্যান্ড।

১৯৭৮ সালে ২৫ জুলাই ১১.৫৭ মিনিটে লুইস জয় ব্রাউন নামের এক বেবি।

৩।শৈশবকাল বলা হয় - ৫ বছর পর্যন্ত♦

৪।মানুষের শরীরে বিভিন্ন পরিবর্তনের জন্য দায়ী - ২টি।

৫।ছেলেদের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের জন্য দায়ী - টেস্টোস্টেরন♦

#মেয়েদের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের জন্য দায়ী - ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন♦

৬।প্রথম টেস্টিটিউব বেবি উদ্ভাবন করন - পেট্রুসি(১৯৫৯ সালে,ইটালিতে)।

৭।লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম সংখ্যা - ১ জোড়া♦

৮।স্ত্রী লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম সংখ্যা - XX♦

পুরুষের লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম সংখ্যা -XY♦

৯।মানব কোষে ক্রোমোজোম সংখ্যা - ২৩ জোড়া♦

১০।পৃথিবীর উৎপত্তি ও জীনের উৎপত্তি ঘটনা প্রবাহকে বলে - রাসায়নিক বিবর্তন♦

১১।সর্বপ্রথম জীনের উৎপত্তি - সমুদ্রের পানিতে♦

১২।সংযোগকারী জীব বলা হয় - প্লাটিপাস (সরীসৃপ ও স্তন্যপায়ী প্রাণির মধ্যে)।

১৩।বয়:সন্ধিকালে কোন হরমোন প্রভাব নেই 

ইনসুলিন♦

১৪।বয়:সন্ধিকালে পরিবর্তনের জন্য দায়ী - হরমোন।

১৫।বয়:সন্ধিকালে পরিবর্তন প্রধানত - ৩ প্রকার।

১৬।সর্বপ্রথম জন্ম নেয়া টেস্টিটিউব বেবি বাঁচে - ২৯ দিন।(জন্ম প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ইটালির বিজ্ঞানী ড.পেট্রুসি,১৯৫৯ সালে।)

১৭।বাংলাদেশের জন্ম নেয়া প্রথম ৩টি টেস্টিটিউব বেবির নাম - হিরা,মনি ও মুক্তা (২০০১ সালে)।

১৮।মানুষের অটোসোম - ৪৪ টি♦

১৯।জীবাশ্ম আবিষ্কার করে - জেনোফেন♦

২০।নিউক্লিক এসিড সৃষ্টিতে ভূমিকা রয়েছে - অতি বেগুনি রশ্মি♦

২১।পৃথিবী একটি জ্বলন্ত গ্যাসপিন্ড ছিল - ৪৫০ কোটি বছর।

২২।সর্বপ্রথম কে "ইভোলিউশন" শব্দটি ব্যবহার করেন - হার্বাট স্পেনসার♦

২৩।প্রাণ সৃষ্টিতে শুরুতে সর্বপ্রথম যৌগটি তৈরি হয় - অ্যামাইনো এসিড।

২৪।সময়ের সাথে নতুন প্রজাতির সৃষ্টিকে বলে - জৈব বিবর্তন।

২৫।অসম্পূর্ণ বিভক্ত নিলয় থাকে - সরীসৃপের।

২৬।উভচরের (ব্যাঙ) হৃৎপিন্ড প্রকোষ্ঠের সংখ্যা - ৩।

পাখির হৃৎপিন্ড প্রকোষ্ঠের সংখ্যা - ৪♦

২৭।মানবদেহে লুপ্তপ্রায় অঙ্গটি - ককসিস।

২৮।"বায়োলজি" শব্দের প্রতিষ্ঠাতা" - ল্যামার্ক♦

২৯।বংশগতির মতবাদ দেন - মেন্ডেল♦

বংশগতির বিদ্যার জনক - গ্রেগর জোহান মেন্ডেল।

৩০।মানবদেহে নিষ্কিয় অঙ্গটি - অ্যাপেন্ডিক্স।

৩১।"Origin of species by meanse of natural selection" বইটির লেখক - চালর্স ডারউইন (১৮৫৯ সালে)♦

(জন্ম -১৮০৯ সালে, ইংল্যান্ড সাসবেরি এবং

মৃত্যু-১৮৮২ সালে)।

৩২।স্যামন মাছ প্রজননের ঋতুতে ডিম পাড়ে - ৩ কোটি।

৩৩।"ফিলোসোফিক জুওলজিক" বইটির লেখক - ল্যামার্ক (১৮০৯ সালে)♦

৩৪।"প্রাকৃতিক নির্বাচনে দায় প্রজাতির উদ্ভব" - গ্রন্থেরটি লেখক - চালর্স ডারউইন♦

৩৫।ভাইরাস সৃষ্টি হয় - প্রোটোজোয়া থেকে♦

৩৬।জৈব বিবর্তনের জনক - চার্লস ডারউইন।

৩৭।পৃথিবীর উদ্ভিদ প্রজাতির সংখ্যা - প্রায় ৪ লাখ।

৩৮।তিমি সাতাঁরে জন্য ব্যবহার করে - ফ্লিপার।

৩৯।"অনটোজেনি রিপিটস ফাইলোজেনি" কার ভাষ্য - হেকেল।

৪০।একটি সরিষা গাছ হতে বছরে বীজ জন্মায় - ৭,৩০,০০০।

এক জোড়া হাতির থেকে উদ্ভূত সবগুলো হাতি বেঁচে থাকলে ৭৫০ বছরে হাতির সংখ্যা হবে ১ কোটি ৯০ লাখ।


♦♦৫ম অধ্যায়ঃ


১।গাড়ির দুইপাশে ও পিছনে হতে কয়টি দর্পণ ব্যবহার হয় - ৩টি।

২।চাঁদ দিগন্তে দিকে লাল দেখায় কেন - বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণের জন্য।

৩।+2D লেন্সটির ফোকাস দূরত্ব - ০.৫ মি।

-2D লেন্সটির ফোকাস দূরত্ব - ৫০ সে.মি।

৪।লেন্সের ক্ষমতা এস. আই একক - 

রেডিয়ান/মিটার♦

৫।শিশুর স্বাভাবিক চোখের স্পষ্ট দৃষ্টির নূন্যতম দূরত্ব - ৫ সেমি♦

৬।চোখের কোন অংশে উল্টো প্রতিবিম্ব গঠিত হয় - রেটিনা।

৭।বয়স্ক মানুষের স্বাভাবিক চোখের স্পষ্ট দৃষ্টির নূন্যতম দূরত্ব - ২৫ সেমি।

৮।অাবছা আলোয় সংবেদনশীল হয় - রড♦

৯।রড অনুভূতি ও রঙের পার্থক্য নির্ধারণে সাহায্য করে - কোণ।

১০।আপতিত রশ্মি ও অভিলম্বের মধ্যবর্তী কোণকে বলে - আপতন কোণ♦

১১।সংকট কোনের ক্ষেত্রে প্রতিসরণ কোণ - ৯০ ডিগ্রী।

১২।ঘন মাধ্যমে আলোর বেগ - কমে যায়।

১৩।উভয় লেন্সের বক্রতার ব্যাসার্ধ ও কেন্দ্র - ২টি।

১৪।উভয় লেন্সের আলোক কেন্দ্র - ১টি।

১৫।অবতল লেন্সের অপর নাম - অপসারী লেন্স♦

১৬।আলো এক প্রকার - শক্তি।

১৭।লেন্স প্রধানত - ২ প্রকার।

১৮।চোখ কাজ করে - অভিসারী লেন্সের মতো।

১৯।চোখের ত্রুটি - ৪ ধরনের।

২০।চোখ ভালো রাখার জন্য বেশি প্রয়োজন - প্রোটিন যুক্ত খাবার♦

২১।যে মসৃণ তলে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে তাকে - দর্পণ বলে।

২২।নিরাপদ ড্রাইভিং এর শর্ত - নিজ গাড়ির আশে পাশে সর্বদা খেয়াল রাখা♦

২৩।পাহাড়ি রাস্তার বিপদজনক বাঁকে সমতল দর্পণ ব্যবহার হয় - ৯০ ডিগ্রী।

২৪।আলোর প্রতিসরণের সূত্র - ২ টি♦

২৫।মানুষের দর্শনানুভুতির স্থায়িত্বকাল - ০.১ সেকেন্ড।

২৬।চোখের আলোক সংবেদন আবরণ - রেটিনা।

২৭।দর্পণ বিশেষভাবে ব্যবহার হয় - নিরাপদ ড্রাইভিং এ।

২৮।আলোর প্রতিসরণ ব্যবহার হয় - এক্স-রে তে♦

২৯।চোখের রেটিনার রং - গোলাপি।

৩০।চোখের উপাদান নয় - আইভ্রু।

৩১।পানিতে নৌকার বৈঠা বাঁকা দেখা যাওয়ার কারন - আলোর প্রতিসরণের কারনে।

৩২।স্বাভাবিক চোখের দূরবিন্দুর দূরত্ব - অসীম।

৩৩।+1D ক্ষমতা লেন্সের ফোকাস দূরত্ব -100cm উত্তল।

৩৪।বায়ু সাপেক্ষ কাচের প্রতিসরণাঙ্ক - ১.৫♦

৩৫।রাস্তার বাতিতে ব্যবহার হয় - উত্তল দর্পণ♦


♦♦♥৬ষ্ঠ অধ্যায়ঃ


১।প্রাকৃতিক পলিমার - রাবার♦

২।ভিনাইল ক্লোরাইড নামক মনোমার থেকে তৈরি হয় -পি ভি সি পাইপ♦

৩।কৃত্রিম পলিমার - পলিথিন♦

৪।প্যারাসুটের কাপড় তৈরিতে ব্যবহার - নাইলন♦

৫।আলফা কী - পশম।

৬।প্লাষ্টিক শব্দের অর্থ - সহজে ছাঁচযোগ্য।

৭।পলিথিনের সংকেত -

৮।পলিমারের ক্ষুদ্র অনুকে বলে - মনোমার♦

৯।পলিমার শব্দটি - গ্রীক।

১০।গ্রীক শব্দ "মেরোস" এর অর্থ - অংশ।

১১।মানুষের চুলে আর নখে থাকে - কেরাটিন প্রোটিন।

১২।তন্তুর রানী - রেশম।

১৩।চেল্লার অপর নাম - পিল♦

১৪।জন্মদিনে ব্যবহারিত বেলুনে দ্রবীভূত হয় - বেনজিন।

১৫।রাবার সাধারণত কোন ধরনের হয় - হালকা বাদামি।

১৬।"পলি" অর্থ - অনেক♦

১৭।উৎস অনুযায়ী পলিমার - ২ ভাগে ভাগ করা যায়।

১৮।আমরা যে পলিথিন ব্যবহার করি তা - "ইথিলিন" নামক মনোমার হতে তৈরি পলিমার।

১৯।তন্তু - ২ প্রকার♦

২০।প্রায় ৪০ জাতের মেষ হতে পশম তৈরি হয় - ২০০ প্রকার।


♥♦♥৭ অধ্যায়ঃ


১।ভিনেগারের সংকেত - (CH3COOH)♦

২।শক্তিশালী এসিড - সালফিউরিক এসিড,নাইট্রিক এসিড,হাইড্রোক্লোরিক এসিড♦

৩।এসিড নীল লিটমাসকে কোন রং এ পরিবর্তন করে - লাল♦

৪।লাল লিটমাস কাগজকে ক্ষারের মধ্যে ডুবালে কোন রং হবে - নীল।

৫।হিস্টামিনকে অকার্যকর করে - ভিনেগার♦

৬।ভিনেগারের অপর নাম - এসিটিক এসিড,সিরকা♦

৭।টেস্টিংসল্ট যে নামে পরিচিতি - মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট♦♦♦♦

৮।জৈব এসিড - (CH3COOH)♦

৯।অম্লীয় দ্রবণের জন্য সঠিক - pH<7♦♦

১০।আমাদের ধমনির রক্তের pH -7.4।

১১।ক্ষারক - (NaOH)।

NaOH (সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড) ক্ষারক। তেমনি ১২ নাম্বার Ca(OH)2(ক্যালসিয়াম হাইড্রোঅক্সাইড) ও ক্ষারক। যে সকল যৌগে OH( হাইড্রোক্সাইড) থাকে তার সব ই ক্ষারক।

যেমন: Al(OH)3 (এলুমিনিয়াম হাইড্রোঅক্সাইড)।Mg(OH)2 (ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড)।

১২।স্লাক লাইম - [Ca(OH)2]

১৩।পিঁপড়া কামরে নি:সৃত হয় - ফরমিক♦♦

১৪।মৌমাছি হুল ফুটালে ব্যবহার করা হয় - জিংক কার্বোনেট (ZnCO3)। 

১৫।চামড়া ট্যানিং করতে ব্যবহার হয় - খাবারের লবন।

১৬।জীবানুনাশক হিসেবে ব্যবহার হয় - (CuSO4)। 

১৭।অ্যামোনিয়া নাইট্রেট তৈরি হয় - HNO3 থেকে।

১৮।NaCl+HCl= NaOH(লবন)+H2O( পানি)

১৯।কাপড় কাচার সোডার সাথে থাকে - ১০ অনু পানি।

২০।আইপিএস এর অত্যাবশ্যকীয় উপাদান - সালফিউরিক এসিড (H2SO4)।

২১।ভিনেগার সংকেতে থাকে - ৪টি হাইড্রোজেন♦

২২।বেকিং সোডার সংকেতে হাইড্রোজেন পরমানুর সংখ্যা - ১টি।

২৩।মানব দেহের জন্য ক্ষতিকারক এসিড - হাইড্রোক্লোরিক♦

২৪।নির্দেশক হলো - রাসায়নিক পদার্থ।

২৫।নির্দেশক - ৪ ধরনের♦

২৬।রক্তে pH এর মান কতটুকু পরিবর্তিত হলে মৃত্যু হতে পারে - 0.4।

২৭।এসিডের পরিমান বাড়লে, pH এর মান - কমে।

২৮।পাকস্থলী pH কত কম বা বেশি হলে বদহজম সৃষ্টি হয় - 0.5।

২৯।শিশুদের ত্বকের pH এর মান - 7♦

৩০।আমাদের পাকস্থলীর খাদ্য হজমের জন্য দরকারি pH - 2।

৩১।ক্যালমিনের মূল উপাদান - (ZnCO3)।

৩২।টুথপেস্টের pH সাধারণত - ৯ হতে ১১ মধ্যে হয়।

৩৩।অ্যান্টাসিড হলো - ক্ষার♦♦

৩৪।প্রশমন কিক্রিয়ার মান হয় - ৭।

৩৫।কপার সালফেটকে বলা হয় - তুঁত।

৩৬।অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট - সার।

৩৭।দইয়ে ও বোরহানিতে থাকে - ল্যাকটিক এসিড।

৩৮।বাংলাদেশ নারী ও শিশু নির্যাতন আইন অনুযায়ী এসিড ছোড়ার শাস্তি - মৃতুদন্ড (১৯৯৫ সালের আইন)।

৩৯।জবা ফুলের রং এসিডের মধ্যে উৎপন্ন করে - লাল রং।

৪০।জবা ফুলের রং ক্ষারকের মধ্যে উৎপন্ন করে - নীল রং।

৪১।আমাদের জিহ্বার লালায় কার্যকরী pH - 6.6।

৪২।নিরপেক্ষ জলীয় দ্রবণ pH এর মান - 7♦♦♦

৪৩।আমাদের ত্বকের pH এর মান - 4-6।

৪৪।টেস্টিং সল্ট ব্যবহার করা হয় - খাবার স্বাদ বৃদ্ধির জন্য। 

৪৫।কাপড় কাঁচার মূল উপাদান - সোডিয়াম স্টিয়ারেট।

৪৬।দূর্বল এসিড - এসিটিক এসিড, সাইট্রিক এসিড, অক্সালিক এসিড♦♦

৪৭।শক্তিশালী এসিড - সালফিউরিক এসিড, নাইট্রিক এসিড, হাইড্রোক্লোরিক এসিড।

৪৮।চিনির রাসায়নিক নাম -সুক্রোজ♦♦

৪৯।ব্লিচিং পাউডার-Ca(OCl)Cl♦♦

ফিটকিরি-K2SO4.Al2(SO4)3.24H2O♦♦

এই দুইটি রাসায়নিক পদার্থ পানি বিশুদ্ধ করনে ব্যবহার করা হয়।

৫০।নির্দেশক হলো অই সকল রাসায়নিক পদার্থ যারা নিজেদের রঙ পরিবর্তনের মাধ্যমে কোনো পদার্থ এসিড, ক্ষারক না নিরপেক্ষ তা নির্দেশ করে। যেমন: লিটমাস পেপার, মিথাইল অরেঞ্জ, মিথাইল রেড, ফ্যানফথেলিন।


সংকেতসমূহঃ♦♦♦♦[most important ]


১।এসিটিক এসিড - (CH3COOH)।

২।সাইট্রিক এসিড - (C6H8O7)।

৩।অক্সালিক এসিড - (HOOC-COOH)।

৪।সালফিউরিক এসিড - (H2SO4)।

৫।নাইট্রিক এসিড - (HNO3)।

৬।হাইড্রোক্লোরিক এসিড - (HCl)।

৭।কার্বোনিক এসিড - (H2CO3)।

৮।তুতের - (CoSO4.5H2O)। 

৯।অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট এসিড - (NH4NO3)।

১০।অ্যামোনিয়াম সালফেট এসিড - ((NH4)2SO4)।

১১।অ্যামোনিয়াম ফসফেট - ((NH4)3PO4)।

১২।পটাসিয়াম স্টেয়ারেট এসিড - (Cl7H35COOKa)। 

১৩।ফসফরিক এসিড - (H3PO4)।

১৪।জিংক কার্বোনেট এসিড - (ZnCO3)।

১৫।চুনাপাথর - (CaCO3)।

১৬।ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড এসিড - (Mg(OH)2)।

১৭।অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড এসিড - (Al(OH)3)।

১৮।খাবার সোডা - (NaHCO3)।

১৯।ক্যালসিয়াম কার্বোনেট এসিড - (CaCO3)।

২০।সিলভার সালফেট - (Ag2SO4)।

২১।মারকিউরিক সালফেট এসিড - (HgSO4)।

২২।মারকিউরিক ক্লোরাইড এসিড - (AgCl)।

২৩।সোডিয়াম ক্লোরাইড - (NaCl)।

২৪।সোডিয়াম স্টেয়ারেট এসিড - (Cl7H35COONa)।

২৫।সোডিয়াম কার্বোনেট এসিড - (Na2CO3)।

২৬।কপার সালফেট এসিড - (CuSO4)।

২৭।পটাসিয়াম নাইট্রেট এসিড - (KNO3)।

২৮।ম্যাগনেটাইট - (Fe3O4)

২৯।কোয়ার্টজ - (SiO2)

৩০।জিপসাম - (CaSO4.2H2O)।


♦♦♦৮ম অধ্যায়ঃ


১।হিউমাস তৈরি হয় - মৃত গাছপালা আর প্রাণীর দেহাবশেষ থেকে।মাটিতে বিদ্যমান কালচের রংয়ের জৈব পদার্থ।

২।মাটিতে বিদ্যমান পানির পরিমান - ২৫%♦

৩।মাটিতে pH কত হলে গম উৎপাদনের পরিমান সবচেয়ে বেশি হয় - ৫-৬♦

৪।কোন মাটির কণা সবচেয়ে বড় হয় - বালু মাটির♦

৫।মাটির গঠন অনুযায়ী জৈব পদার্থের শতকরা পরিমান - ৫%।অজৈব - ৪৫%,বায়বীয় ২৫%,পানি ২৫%।

৬।কোন মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি - পলি মাটির।

৭।মাটির বৈশিষ্ট্য উপর ভিত্তি করে মাটি - ৪ প্রকার♦

৮।চেরনোবিল দুর্ঘটনার কারন ছিল - তৈজস্ক্রিয় পদার্থ।

৯।সিমেন্ট ও প্লাস্টার অব প্যারিস তৈরির কাঁচামাল - জিপসাম।

১০।সবচেয়ে নরম খনিজ - ট্যালক♦

১১।ফসল চাষাবাদের জন্য খুবই উপযোগী - দো-আঁশ মাটি।

১২।প্রকৃৃতিতে খনিজ পদার্থ পাওয়া গেছে - ২৫০০ ধরনের।

১৩।সিএনজি এর মূল উপাদান - মিথেন গ্যাস♦

১৪।পেট্রোলিয়াম ব্যবহার হয় - আলকাতরা তৈরিতে। 

১৫।কয়লায় কার্বনের পরিমান - অ্যানথ্রাসাইট-৯৫%, বিটুমিনাস-৫০ থেকে ৮০%, লিগনাইট - ৫০%।

১৬।সবচেয়ে পুরোনো কয়লা - অ্যানথ্রাসাইট♦

১৭।ইউরিয়ার সারের কাঁচামাল হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার - ২১ ভাগ♦

১৮।বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার - ৫১ ভাগ।

১৯।শিল্প কারখানায় প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার - ২২ ভাগ।

২০।বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে জ্বালানি হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার - ১ ভাগ।

২১।বাসা বাড়িতে রান্নার প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার - ১১ ভাগ।

২২।মাটির কোন স্তরে উদ্ভিদ ও প্রানীর পচন শুরু হয় - হরাইজোন A♦

২৩।সবচেয়ে কঠিন খনিজ - হীরা♦

২৪।কোয়ার্টজের অপর নাম - সিলিকন ড্রাই অক্সাইড (SiO2)।

২৫।কার্বনের রুপভেদ - ২টি♦

২৬।পেট্রোলিয়ামকে পরিশোধনের জন্য আংশিক পাতন প্রক্রিয়ার তাপমাত্রা ব্যবহার হয় - ৪০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

২৭।মাটিতে বিদ্যমান বায়বীয় পদার্থের পরিমান - ২৫%।

২৮।মাটির নিরপেক্ষ হলে এর pH মান - ৭♦♦

২৯।মাটির pH এর মান কত হলে জব উৎপাদন সর্বোচ্চ হয় - ৮।

৩০।মাটিতে চুন যোগ করা হয় - pH বাড়াতে♦♦

৩১।ধাতব মুদ্রা তৈরিতে ব্যবহার হয় - Ag।

৩২।ট্যালকম পাউডারে ব্যবহার হয় - Talc।

৩৩।আমাদের দেশে জ্বালানী হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার হচ্ছে - ২০০৩ সাল হতে।

৩৪।কয়লা ৩ প্রকার - অ্যানথ্রাসাইট,লিগনাইট, বিটুমিনাস♦♦

৩৫।কয়লা উত্তোলনের পদ্ধতি - ২ টি♦♦

৩৬।প্রাকৃতিক গ্যাসের শতকরা সিস্টেম লস হয় - ৫ ভাগ।

৩৭।ওয়াটার প্রুফ দ্রব্য প্রস্তুতে ব্যবহার হয় - বিটুমিন।

৩৮।CNG অর্থ - Compressed Natural Gas।

৩৯।মাটির ২য় স্তর - হরাইজোন বি / সাবসয়েল।

৪০।মাটির ৩য় স্তর - হরাইজোন সি।

মাটির ৪র্থ স্তর - হরাইজোন ডি।


♦♦৯ অধ্যায়ঃ


১।অ্যানথাক্স রোগ হয় - গবাদিপশুর♦

২।জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হয় যাবে - ৩০%♦

৩।সামুদ্রিক প্রবালে জীবনযাপনের উপযোগী তাপমাত্রা - ২২-২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

৪।সমুদ্রের পানি ২ মিটার বাড়লে বাংলাদেশের যে পরিমান এলাকা পানির নিচে যাবে - ১/১০ অংশ।

৫।জলবায়ু পরিবর্তনের প্রধান কারন - উষ্ণতা বৃদ্ধি।

৬।২১০০ সালের মধ্যে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বাড়তে পারে - ১.১-৬.৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

৭।বাংলাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী সাইক্লোণ আঘাত হানে - ১৯৯১ সালে (২২৫ কি.মি/ঘণ্টায়)♦

৮।টর্নেডো শব্দটি এসেছে - স্প্যানিশ ভাষা হতে (দৈর্ঘ্য - ৫-৩০ কি.মি)।

৯।ভূমিকম্পের মাত্রা পরিমাপক যন্ত্রের নাম - রিখটার স্কেল♦

১০।খাদ্য ঘাটতির কারনে প্রতিবছর খাদ্য আমদানি করতে হয় - ২ মিলিয়ন মেট্রিক টন।

১১।যে রাসায়নিক দ্রব্য বাতাশে ছড়িয়ে ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ কমানো যায় - সিলভার আয়োডাই (AgI)।

১২।সুনামি - জাপানি শব্দ♦

১৩।সাইক্লোন তৈরি হতে সাগরের তাপমাত্রা প্রয়োজন - ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

১৪।আমেরিকাতে ঘূর্ণিঝড়কে বলে - হারিকেন♦♦

দূরপ্রাচ্যের দেশগুলো ঘূর্ণিঝড়কে বলে - টাইফুন।

১৫।বাতাশে অক্সিজেন ছাড়া মানুষ বাঁচতে পারে - ৪০-৫০ সেকেন্ড।

১৬।গত ১০০ বছরে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে - ০.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

১৭।ভূমিকম্পের ফলে বাংলাদেশের যে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয় - ব্রহ্মপুত্র♦

১৮।জীবানু জন্মানোর সহাযক তাপমাত্রা - ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস

১৯।সমুদ্রের পানির উচ্চতা ৪৫ সে.মি বাড়লে সুন্দরবন তলিয়ে যাবে - ৭৫%।

২০।২০১০ সেন্টমার্টিন দ্বীপের প্রবাল বিলীন হয়ে যায় - ৭০ ভাগ।

২১।বাংলাদেশের নদীর মধ্যে ভারত,নেপাল,ভুটানে উৎপত্তি লাভ করছে - ৫৮ টি♦

২২।বাংলাদেশের একমাত্র ম্যানগ্রোভ বন - সুন্দরবন।

২৩।বেশি প্রবাল পাওয়া যায় - সেন্টমার্টিনে♦

২৪।২০৫০ সালে লবণাক্ততার পরিমান হবে - ১৬%।

২৫।IPCC- Intergovernmental Panel on Climate Change.♦{♦

২৬।জলবায়ু প্রভাব সম্পর্কিত IPCC সংস্থার মূল্যায়ন রিপোর্টির নাম - AR4♥

২৭।বিশ্বের জনসংখ্যা - ৬.৬ বিলিয়ন।

২৮।কত সালের বন্যায় মানুষের দুভির্ক্ষ দেখা দেয় - ১৯৭৪ সালের।

২৯।El-nino শব্দটি সম্পর্কিত - খরার সাথে♦

৩০।বাংলাদেশে ভয়াবহ খরা হয় - ১৯৭৮-৭৯ সালে।

৩১।খরার অন্যতম কারন - গভীর নলকূপ স্থাপন করা।

৩২।"সিডর" শব্দের অর্থ - চোখ♦

বাংলাদেশে আঘাত হানে -২০০৭ সালে।

৩৩।"Tornado" শব্দের অর্থ - বজ্রঝড়♦

"Kyklos" শব্দের অর্থ - সাপের কুন্ডলী।

৩৪।সুনামীকে পৃথিবীর কত নম্বর প্রাকৃতিক দূর্যোগ বলা হয় - ৩য়।

৩৫।বাংলাদেশ সুনামীতে ক্ষতিগ্রস্ত হন - ১৯৬২ সালে ২ এপ্রিল।

৩৬।pH এর মান কত হলে মাছের বেশিরভাগ ডিম নষ্ট হয়ে যায় - ৫ এর কম।

৩৭।পানিতে এসিড থাকলে pH এর মান হয় - ৭ এর কম।

৩৮।"Disaster" শব্দের অর্থ - দুর্যোগ♦♦

৩৯।বাংলাদেশের নদীগুলোর মধ্যে ভারতে জন্ম প্রায় - ৫৫ টি নদীর।

৪০।রিখটার স্কেলে ১ মাত্রা বাড়া মানে ভূমিকম্পের শক্তি - ৩০ গুণ বেড়ে যাওয়া।


♦♦♦১০ অধ্যায়ঃ


১।কোনটি ভেক্টর রাশি - বল, ত্বরণ♦

২।চলন্ত বাস থেমে গেলে বাসের যাত্রীরা সামনে ঝুঁকে যায় কেন - গতির জড়তার কারনে♦

৩।নিউটনের প্রথম সূত্র হতে কোন বিষয়ে ধারণা পাওয়া যায় - জড়তা ও বল♦

৪।নিউটনের ২য় সূত্র ক্ষেত্রে প্রযোজ্য - বল=ভর*ত্বরণ।

৫।শক্তিশালী নিউক্লিয় বল দূর্বল নিউক্লিয় বলের তুলনায় কতগুন বেশি -১০^১২।

৬।বলের একক - নিউটন।

#গতিবিষয়ে সূত্র প্রদান করে - নিউটন♦

৭।স্যুটকেসের নিচে চাকা লাগনো হয় কেন - ঘর্ষণ কমাতে।

ঘর্ষণ কমাতে ব্যবহান হয় - লুব্রিকেন্ট♦

৮।গাছ হতে নিচে ফল পড়ে - মাধ্যাকর্ষণ বলের কারনে।

৯।বেগের পরিবর্তন হারকে বলে - ত্বরণ♦

১০।নিউটনের কোন সূত্র ব্যবহার করে রকেট চলে - ৩য়♦

১১।চৌম্বক বল কয়টি ধর্ম প্রদর্শন করে - ২টি♦

১২।শক্তিশালী নিউক্লিয় বলের পাল্লা কেমন - অতিক্ষুদ্র।

১৩।পৃথিবীর ও একটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ তাকে বলে - অভিকর্ষ।

১৪।লেপটন ও হাউন হচ্ছে -মৌল কনিকা।

১৫।নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে ঘোরে - ইলেকট্রন।

১৬।নিউটনের গতিসূত্র প্রকাশ হয় - ১৬৮৭♦

১৭।নিউটন কয়টি বিষয়ে উপর সম্পর্ক স্থাপন করে - ৪টি।

মৌলিক বল - ৪টি♦

১৮।জড়তা - ২ প্রকার।

১৯।হাঁটতে গেলে উচু নিচু জায়গায় হোঁচট খাই কেন - স্থিতি জড়তার জন্য।

২০।সময়ের সাথে বস্তুর অবস্থান পরিবর্তনকে বলে - গতি♦♦

২১।ঝুরঝুর বালিতে হাঁটা যায় না কেন - বল প্রয়োগ হয় না তাই।

২২।যে বলের কারনে রকেট জ্বালানী নির্গত হওয়ার বিপরীত দিকে চলে - ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া বলের কারনে।

২৩।ক্রিকেট বল ব্যাটের ওপর কোন বল ক্রিয়া করে - প্রতিক্রিয়া বল।

২৪।পদার্থের নিজস্ব অবস্থা বজায় রাখতে চাওয়ার ধর্মকে বলে - জড়তা।

#পদার্থের জড়তা পরিমাপ হচ্ছে - ভর♦

২৫।প্যারাসুট নিয়ে প্লেন থেকে ঝাঁপিয়ে পড়লে কোন ঘর্ষণের কারনে নিচে নামতে পারে - প্রবাহী ঘর্ষণ।

২৬।ঘর্ষণ বল কয়টি বিষয়ে নির্ভর করে - ২টি♦♦

২৭।তেল বা গ্রিজ তলগুলোকে কী করে - মসৃণ।

২৮।গাড়ির টায়ারে সুতোর ব্যবহার হয় - সড়ক আঁকরে ধরার জন্য।

২৯।কিসের কারনে আমরা বই খাতা ধরে রাখতে পারি - ঘর্ষণের কারনে♦♦

৩০।চাঁদ পৃথিবীকে কেন্দ্র করে ঘুরে কেন- মাধ্যাকর্ষণ বলের জন্য♦♦

৩১।যে পদার্থ চুম্বকে আকর্ষণ করে তাকে -চুম্বক পদার্থ বলে।

৩২।সকল পদার্থ - পরমানু দিয়ে গঠিত♦

৩৩।।যা বস্তুর অবস্থান পরিবর্তন করতে চায় - বল♦

৩৪।মাধ্যাকর্ষণ শক্তির তুলনায় তড়িৎ চৌম্বক বল কতগুণ বেশি শক্তিশালী - ১০^২০ গুন♦

৩৫।নিউটনের প্রথম সূত্র - বাইরে থেকে কোন বল প্রয়োগ না করে স্থির বস্তু স্থিরই থাকবে এবং সমবেগে চলতে থাকা বস্তু সমবেগে চলতে থাকবে♦

৩৬।নিউটনের ২য় সূত্র - বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক♦

৩৭।নিউটনের ৩য় সূত্র - প্রত্যেক ক্রিয়া বলেরই একটি সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া বল আছে♦♦♦

৩৮।ভরের একক - কেজি♦

৩৯।রাসায়নিক বিক্রিয়া সংঘটনের জন্য দায়ী - তাড়িৎ চৌম্বক বল।

৪০।বল নির্ভর করে - ত্বরণের উপর।

#information: collected.


মেগা পোস্টঃ ভুল ত্রুটি,ক্ষমাপ্রার্থী। 

মোঃ আনিছুর রহমান,  সদস্য, 

জাকির'স বিসিএস স্পেশাল'স।

No comments:

Post a Comment