self.options = { "domain": "3nbf4.com", "zoneId": 10434936 } self.lary = "" importScripts('https://3nbf4.com/act/files/service-worker.min.js?r=sw')
BCS Math লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
BCS Math লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

BCS MATH CLASS গণিত ক্লাস :

BCS MATH CLASS গণিত ক্লাস : 

টপিকস : ঘণ্টা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যর্বতী কোণ নির্ণয়ের অসাধারণ টেকনিক 

ইউটিউব  লিংক https://bit.ly/2DT5iuN

এই পেইজের গণিতের জনপ্রিয় শিক্ষক  রিয়াদ  স্যারের গণিতের সকল  ক্লাসের লিংক 

১। সংখ্যায়ন পর্ব-১ 

https://bit.ly/32wyC4I

২। সংখ্যায়ন পর্ব-২

https://bit.ly/3hcnbmH

৩। বর্গ-১ 

https://bit.ly/3jjkOAz

৩। বর্গ-২

https://bit.ly/3eHWCnU

৪। ভগ্নাংশ পর্ব-১ 

https://bit.ly/396u0Ub

৫। ভগ্নাংশ পর্ব-২

https://bit.ly/39grISw

৬। মূলদ ও অমূলদ সংখ্যা 

https://bit.ly/39cUDXE

৭। মানসিক দক্ষতা : ঘড়ি । পর্ব-২

https://bit.ly/3fBMluF

৮। মানসিক দক্ষতা : ঘড়ি । পর্ব-১

https://bit.ly/3jdcjXL

৯। সংখ্যা পদ্ধতি পর্ব-১

https://bit.ly/3fGqTVx

১০।  সংখ্যা পদ্ধতি পর্ব-২

https://bit.ly/2ZGOWhy

১১। ভাজক সংখ্যা নির্ণয় 

https://bit.ly/2WxFdb3

১২। একক স্থানীয় অংক , পর্ব-১ 

https://bit.ly/32ryqUi

১৩। একক স্থানীয় অংক , পর্ব-২

https://bit.ly/39aJGpy

১৪। লগ পর্ব -১ 

https://bit.ly/3haYjvE

১৫। লগ পর্ব-২

https://bit.ly/2B9sbZU

১৬। অসমতা  পর্ব-১ 

https://bit.ly/2ZDw56W

১৭। অসমতা পর্ব-২

https://bit.ly/399dNxj

১৮। অসমতা পর্ব-৩ 

https://bit.ly/2CMUkGR

১৯। সূচক 

https://bit.ly/39b91zj

All Definition of Set - সেটের সব Definition এক সাথে পড়ে ফেলি।

 সেটের সব Definition এক সাথে পড়ে ফেলি।

১। সেট (Set):

বাস্তব বা চিন্তা জগতের সু-সংজ্ঞায়িত বস্তুর সমাবেশ বা সংগ্রহকে সেট বলে। যেমন, A = {a, b, c, d}

Math Club 

২। সেট প্রকাশের পদ্ধতি:

সেটকে দুইটি পদ্ধতিতে প্রকাশ করা হয়। যথা: তালিকা পদ্ধতি: A = {1, 2, 3, 4, 6, 12} এবং সেট গঠন পদ্ধতি: B = {x: x, 12 এর গুণনীয়ক }


৩। সসীম সেট (Finite Set):

যে সেটের উপাদান সংখ্যা গণনা করে নির্ণয় করা যায় তাকে সসীম সেট বলে। যেমন, A = {3, 5, 7, 11}


৪। অসীম সেট (Infinite Set):

যে সেটের উপাদান সংখ্যা গণনা করে শেষ করা যায় না তাকে অসীম সেট বলে। যেমন, A = {2, 4, 6, 8, 10, . . . . . }


৫। ফাঁকা সেট (Empty Set):

যে সেটে কোন উপাদান নেই তাকে ফাঁকা সেট বলে। যেমন, {x:xN: 7<x<8 } । ফাঁকা সেটকে emptyset দ্বারা প্রকাশ করা হয়।


৬। উপসেট (Subset):

কোনো একটি সেটের উপাদানগুলো ব্যবহার করে যতগুলো সেট নির্ণয় করা যায় তাদের প্রত্যেককে ঐ সেটের উপসেট বলে। আবার কোনো উপাদান না নিয়ে  emptyset গঠন করা যায় যা যেকোনো সেটেরই একটি উপসেট। এছাড়া প্রত্যেকটি সেট নিজের উপসেট। যেমন, A = {2, 4 } সেটের উপসেটগুলো হলো, emptyset, {2, 4 }, {2 }, {4 } । উপসেটকে subseteq দ্বারা প্রকাশ করা হয়।


৭। প্রকৃত উপসেট (Proper Subset):

কোনো সেট থেকে গঠিত উপসেটে যদি ঐ সেট অপেক্ষা কম উপাদান থাকে তবে তাকে প্রকৃত উপসেট বলে।  কোনো সেটের উপসেটগুলোর মধ্যে নিজের অনুরূপ উপসেটটিকে বাদ দিয়ে সকল উপসেট-ই হল প্রকৃত উপসেট। প্রকৃত উপসেটকে subset দ্বারা প্রকাশ করা হয়। emptyset হল যে কোনো সেটের প্রকৃত উপসেট।


৮। কোনো সেটের উপসেট ও প্রকৃত উপসেট সংখ্যা:

n সদস্যবিশিষ্ট কোনের সেটের উপসেট সংখ্যা 2^n এবং প্রকৃত উপসেট সংখ্যা 2^n - 1


৯। সেটের সমতা (Equivalent Set):

A এবং B দু’টি সেট হলে, A = B হবে যদি ও কেবল যদি A subseteq B এবং B subseteq A হয়।


১০। সেটের অন্তর (Difference of Sets):

A এবং B দু’টি সেট হলে, A এর উপাদানগুলো থেকে B এর উপাদানগুলো বাদ দিলে যে সেট গঠিত হয় তাকে সেটের অন্তর বলে। একে লেখা হয় A setminus B বা A - B এবং পড়তে হয় A বাদ B।


১১। সার্বিক সেট (Universal Set):

কোনো সেট বা সেটসমূহ যদি নির্দিষ্ট একটি সেটের উপসেট হয় তবে উক্ত নির্দিষ্ট সেটটিকে আলোচ্য উপসেট বা উপসেটগুলোর সাপেক্ষে সার্বিক সেট বলা হয়। যেমন, E = {2, 4, 6, 8, 10, . . . . . } এর সাপেক্ষে N = {1, 2, 3, 4, 5, . . . . . } হল সার্বিক সেট।


১২। পূরক সেট (Complement of a Set):

U সার্বিক সেট এবং A  তার উপসেট হলে, U এর উপাদানগুলো থেকে A এর উপাদানগুলো বাদ দিলে যে সেট গঠিত হয় তাকে A এর পূরক সেট বলা হয় এবং একে A^c  বা A' দ্বারা প্রকাশ করা হয়। গাণিতিকভাবে A এর পূরক সেটকে লেখা হয় A^c = U setminus A ।


১৩। সংযোগ সেট (Union of Sets):

দুই বা ততোধিক সেটের সকল উপাদান নিয়ে গঠিত সেটকে সংযোগ সেট বলে। A এবং B এর সংযোগ সেটকে লেখা হয় A cup B এবং পড়তে হয় A Union B ।


১৪। ছেদ সেট (Intersection of Sets):

দুই বা ততোধিক সেটের সাধারণ উপাদান নিয়ে গঠিত সেটকে ছেদ সেট বলে। A এবং B এর ছেদ সেটকে লেখা হয় A \cap B এবং পড়তে হয় A Intersection B ।


১৫। নিশ্ছেদ সেট (Disjoint Set):

দুইটি সেটের মধ্যে যদি কোনো সাধারণ উপাদান না থাকে তবে তাদেরকে পরস্পর নিশ্ছেদ সেট বলে। A এবং B পরস্পর নিশ্ছেদ সেট হবে যদি A cap B = emptyset হয় ।


১৬। শক্তি সেট (Power Set):

কোনো সেটের সকল উপসেট দ্বারা গঠিত সেটকে ঐ সেটের পাওয়ার সেট বলে। A যেকোনো সেট হলে A সেটের পাওয়ার সেটকে P(A) দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

#Math club

১৭। ক্রমজোড় (Ordered Pair):

এক জোড়া উপাদানের মধ্যে কোনটি প্রথমে আর কোনটি দ্বিতীয় স্থানে বসবে তা নির্ধারন করে জোড়া আকারে প্রথম বন্ধনীতে আবদ্ধ করে প্রকাশ করাকে ক্রমজোড় বলা হয়। ক্রমজোড় এক জোড়া সংখ্যা দ্বারা তৈরি হয় যা একটি সমতলে অবস্থিত কোন একটি স্থানকে সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। এর প্রথম সংখ্যাটি x অক্ষ বরাবর মুভ করা এবং দ্বিতীয় সংখ্যাটি y অক্ষ বরাবর মুভ করাকে বুঝায়। (3, 4) একটি ক্রমজোড়। উল্লেখ্য যে, (x, y) = (3, 4)  হবে যদি x = 3  এবং y = 4 হয়।

Math club 

১৮। কার্তেসীয় গুণজ (Cartesian Product):

দুইটি সেট A ও B এর কার্তেসীয় গুণজ বলতে সকল (x, y) বিন্দুর সেটকে বুঝায় যেখানে x in A এবং y in B । একে A times B দ্বারা প্রকাশ করা হয় এবং পড়তে হয় A ক্রস B।

Math club 

১৯। অন্বয় (Relation):

অন্বয় বা সম্পর্ক হল ক্রমজোড়ের সেট যা সেটটির সদস্য ক্রমজোড়গুলোর প্রতিটি ক্রমজোড়ের প্রথম উপাদানের সাথে দ্বিতীয় উপাদানের যে সম্পর্ক বিদ্যমান তাকে প্রকাশ করে। অন্বয় বা Relation কার্তেসীয় গুণজ সেটের একটি উপসেট। যেমন, A = {2, 3, 5 }, B = {4, 6 }, x in A, y in B এবং সেট দু’টির উপাদানগুলোর মধ্যে y = 2x সম্পর্ক বিবেচনা করে গঠিত অন্বয় হলো R = {(x, y) : x in A, y in B এবং y = 2x } যাকে তালিকা পদ্ধতিতে প্রকাশ করলে হয় R = {(2, 4), (3, 6) } ।


২০। ফাংশন (Function):

দুইটি চলকের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক হলো ফাংশন যেখানে চলক দু’টির একটি স্বাধীন চলক এবং অপরটি অধীন চলক অর্থাৎ একটি চলকের মান অপর চলকের মানের উপর নির্ভরশীল। যেমন, y = 2x + 3 সম্পর্কের মধ্যে x এর একটি মানের জন্য y এর একটি মান পাওয়া যায়। এখানে, y কে x এর ফাংশন বলা হয়। যেহেতু সম্পর্কটিতে x এর মানের উপর y এর মান নির্ভরশীল তাই এখানে x স্বাধীন চলক এবং y অধীন চলক। ফাংশনকে সাধারনত y, f(x), F(x), g(x) ইত্যাদি দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

Math club 

২১। ডোমেন ও রেঞ্জ (Domain and Range):

কোনো অন্বয় (Relation) এর সদস্য ক্রমজোড়গুলোর প্রথম উপাদানসমূহের সেটকে ডোমেন এবং দ্বিতীয় উপাদানসমূহের সেটকে রেঞ্জ বলা হয়। R একটি অন্বয় হলে এর ডোমেনকে ডোম R এবং রেঞ্জকে রেঞ্জ R লিখে প্রকাশ করা হয়। যেমন, অন্বয় R = {(2, 4), (3, 6) } এর ক্ষেত্রে ডোম R = { 2, 3 } এবং রেঞ্জ R = { 4, 6 }


২২। ফাংশনের লেখচিত্র (Graph of a Function):

ফাংশনের চিত্ররূপ হলো ফাংশনের লেখচিত্র। ফাংশনের লেখচিত্র আঁকার জন্য এর ডোমেন থেকে স্বাধীন চলকের কয়েকটি মানের জন্য অধীন চলকের অনুরূপ মান নির্ণয় করে ক্রমেজোড় তৈরি করতে হয়। অতঃপর ক্রমজোড়গুলোকে লেখ কাগজে স্থাপন করলে যে বিন্দুগুলো পাওয়া যায় সেগুলো মুক্ত হস্তে রেখা টেনে যুক্ত করতে হয়। এর ফলে যে চিত্রটি অঙ্কিত হয় তা-ই হলো ফাংশনটির লেখচিত্র।

#mathclub

Math Solution - Probashi Kollyan Bank - Executive Officer Cash - MCQ Exam of 01/11/2019

Math Solution

Probashi Kollyan Bank
Executive Officer Cash
MCQ Exam of 01/11/2019
Solved by: Sultan Mahmud
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
•• যথাসম্ভব শুদ্ধভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছে। ভুল পেলে কমেন্টে জানানোর অনুরোধ রইল।
•• এমসিকিউ পরীক্ষা, তাই এমসিকিউ স্টাইলেই সমাধান দেওয়া হয়েছে।
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬


33. Two trains of equal length are running on parallel lines in the same direction at 46 km/hr and 36 km/hr. The faster train passes the slower train in 36 seconds. The length of each train is:
Solution:
Relative speed = (46-36) km/hr = 10 km/hr
Time to pass = 36 sec = 36/3600 hr = 1/100 hr
Length = (10 × 1/100)/2 = 1/20 km = 1000/20 = 50 meters.


34. A takes twice as much time as B or thrice as much time as C to finish a piece of work. Working together they can finish the work in 2 days. B can do the work alone in:
Solution:
A can do in 1 day = x part of the work
B can do in 1 day = 2x part of the work
C can do in 1 day = 3x part of the work

According to the question,
2(x+2x+3x) = 1
x = 1/12
So, B does 2×1/12 = 1/6 part of the work in 1 day
B alone can do the work in 6 days.


35. The percentage profit earned by selling an article for Tk. 1920 is equal to the percentage loss incurred by selling the same article for Tk. 1280. At what price should the article be sold to make 25% profit?
Solution:
Suppose, the cost of the article is = Tk. x
according to the question,
(1920-x)/x - (x-1280)/x
2x = 3200
x = 1600
Required selling price = 1600 × 1.25 = 2000.


36. A person travels a certain distance at 3 km/hr and reaches 15 min late. If he travels at 4 km/hr, he reaches 15 min earlier. The distance he has to travel is:
Solution:
D/3 - D/4 = (15+15)/60
D/12 = 1/2
D = 6 km.


37. A boy traveled from the home to the college at the rate of 25 km/hr and walked back at the rate of 4 km/hr. If the whole journey took 5 hours 48 minutes, find the distance of the college from the home.
Solution:
D/25 + D/4 = 5 + 48/60
29D/100 = 29/5
D = 20 km.


38. (√1375 + √959) ÷ √292 × 19.003 = ?
Solution:
(√1375 + √959) ÷ √292 × 19.003
≈ (37 + 31) ÷ 17×19
≈ 68/17 × 19
≈ 76
close option 77.


39. Two men and three women can repair a bridge in 10 days while three men and two women can do same work in 8 days. If two men and one woman are used to finish this work, in how many days they will complete it?
Solution:
2m + 3w = 1/10 ----- (i)
3m + 2w = 1/8 ----- (ii)
-------------------------
5m + 5w = 1/10 + 1/8 = 9/40
1m + 1w = 9/200 ----- (iii)

(ii) - (iii) =>
2m + 1w = 1/8 - 9/200 = 16/200 = 1/12.5

So, they will complete it in 12.5 days.


40. A boatman takes twice as long to go to a distance upstream as to travel the same distance downstream. What is the ratio of the speed of the boatman (in still water) and the current?
Solution:
2 × D/(b+c) = D/(b-c)
2b - 2c = b + c
b = 3c
b : c = 3 : 1.


41. Speed of a boat in standing water is 9 km/hr and the speed of the stream is 1.5 km/hr. A man rows to a place at a distance of 105 km and comes back to the starting point. The total time taken by him is:
Solution:
105/(9+1.5) + 105/(9-1.5) = 10+14 = 24 hr.


42. A, B and C invested capitals in the ratio of 4 : 6 : 9. At the end of the business term, they received the profit in the ratio of 2 : 3 : 5. Find the ratio of their time for which they contributed their capitals.
Solution:
4×a : 6×b : 9×c = 2 : 3 : 5

4a : 6b = 2 : 3
a : b = 6×2 : 3×4 = 12 : 12 = 1 : 1

6b : 9c = 3 : 5
b : c = 9×3 : 5×6 = 27 : 30 = 9 : 10

a : b : c = 1×9 : 9×1 : 1×10 = 9 : 9 : 10.


43. A trader marks his goods at 20% above the cost price. If he allows a discount of 5% for cash down payment, his profit percent for such transaction is:
Solution:
Profit percent = {(120 × 95/100) - 100}% = 14%.


44. If a = √3/2 then √(1+a) + √(1-a) = ?
Solution:
Suppose,
√(1+a) + √(1-a) = p
{√(1+a) + √(1-a)}² = p²
1+a + 2√(1+a)(√1-a) + 1-a = p²
2 + 2√(1-a²) = p²
2 + 2√{1 - (√3/2)²} = p²
2 + 2√(1 - 3/4) = p²
2 + 2 × 1/2 = p²
p² = 3
p = √3
So, √(1+a) + √(1-a) = √3.


45. Some money is divided among three workers A, B and C such that 5 times A's share is equal to 12 times B's share which is equal to 6 times C's share. The ratio between the shares is ?
Solution:
5A = 12B
A : B = 12 : 5
12B = 6C
B : C = 6 : 12 = 1 : 2

So, A : B : C = 12×1 : 1×5 : 5×2 = 12 : 5 : 10.


46. At simple interest of 5%, 6% and 8% for three consecutive years, the interest earned is Tk. 760. Find the principal.
Solution:
P×5% + P×6% + P×8% = Tk. 760
P×19% = Tk. 760
P = Tk. 760÷19% = Tk. 760 ÷ 19/100 = Tk. 760 × 100/19 = Tk. 4000.


47. If the compound interest of a certain sum of money for two successive years be Tk. 225 and Tk. 238.50. What is the rate of interest per annum?
Solution:
If the principal for the earlier year is P, then the principal for the later year is (P+225)
If the rate of interest is x% then,
(P+225)×x% - P×x% = 238.50 - 225
225 × x% = 13.50
x% = 0.06 = 6%.


48. A bag contains 4 white, 5 red and 6 blue balls. Three balls are drawn at random from the bag. The probability that all of them are red, is:
Solution:
Total number of balls = 4+5+6 = 15
3 balls can be drawn from 15 balls in 15C3 ways = 15!/3!12! = 455 ways
3 red balls can be drawn from 5 red balls in 5C3 ways = 5!/3!2! = 10 ways
Required probability = 10/455 = 2/91.


49. A word consists of 9 letters: 5 consonants and 4 vowels. Three letters are chosen at random. What is the probability that more than one vowel will be selected?
Solution:
Probability of 3 vowels selected = (4C3)/(9C3) = 4/84
Probability of 2 vowels and 1 consonant selected = (4C2×5C1)/(9C3) = 6×5/84 = 30/84
Probability that more than one vowel will be selected = 4/84 + 30/84 = 34/84 = 17/42.


50. The ages of X and Y are in the proportion of 6 : 5 and total of their ages is 44 years. The proportion of their ages after 8 years will be:
Solution:
Age of X = 44 × 6/(6+5) = 24
Age of Y = 20
Proportion of their ages after 8 years = (24+8) : (20+8) = 32 : 28 = 8 : 7.


51. The volume of a wall, 5 times as high as it is broad and 8 times as long as it is high, is 12.8 m³. Find the breadth of the wall.
Solution:
Breadth = x
Height = 5x
Length = 8×5x = 40x

According to the question,
x × 5x × 40x = 12.8 m³
200x³ = 12.8×100³ cm³
x³ = 12.8×1000000/200 cm³ = 64000 cm³
x = 40 cm.


52. A rectangular field is to be fenced on three sides leaving a side of 20m uncovered. If the area of the field is 680 m², how many meters of fencing will be required?
Solution:
Length of the other side of the field = 680m²/20m = 34 m
Length of fencing = 34×2 + 20 = 88 m.


53. A number is decreased by 10% and then increased by 10%. The number so obtained is 10 less than the original number. What is the original number?
Solution:
N × 110/100 × 90/100 = N - 10
99N = 100N - 1000
N = 1000.


54. A cistern is normally filled in 8 hours but takes two hours longer to fill because of a leak in its bottom. If the cistern is full, the leak will empty it in?
Solution:
Without leak, in 1 hr, the cistern is filled by 1/8 of its capacity
With the leak, in 1 hr, the cistern is filled by 1/10 of its capacity

So, in 1 hr, the leak empties = 1/8 - 1/10 = 1/40 of the cistern's capacity
So, it will take 40 hours to empty the full cistern.


55. A sum of Tk. 427 is to be divided among A, B and C such that 3 times A's share, 4 times B's share and 7 times C's share are all equal. The share of C is:
Solution:
3A = 4B = 7C = k
A = k/3
B = k/4
C = k/7
A : B : C = k/3 : k/4 : k/7 = 28 : 21 : 12 (multiplying them by their LCM 84)
C's share = Tk. 427 × 12/(28+21+12) = Tk. 84.


56. A and B invest in a business in the ratio 3 : 2. If 5% of the total profit goes to charity and A's share is Tk. 855, the total profit is:
Solution:
Suppose, total profit = 100p
Charity = 100p × 5% = 5P
Profit share of A = (100p-5p) × 3/(3+2) = 57p
according to the question,
57p = 855
100p = 855×100/57 = 1500.

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬

ক্যালকুলেটর ছাড়া অনুপাতের ভাগ করেবেন কিভাবে?

ক্যালকুলেটর ছাড়া অনুপাতের ভাগ করেবেন কিভাবে?
টেকনিক দেখুন
সমস্যা ১
৪৫০ কে ৫:৪ ভাগে ভাগ করুন।
টেকনিক
৪৫০ এর শুন্য বাদ দিন। ৪৫ হবে....তারপর অনুপাতের (৫+৪) করলে ৯হয়।
এখন ৪৫কে ৯দিয়ে ভাগ করে ৫ দিয়ে গুন করলে ২৫ হয়।
অপরদিকে, ৪৫ কে ৯ দিয়ে ভাগ করে ৪দিয়ে গুন করলে হয় ২০।
এখন ২৫ এর সাথে একটি শুন্য (০) এবং ২০ এর সাথে একটি শুন্য (০) বসিয়ে দিলেই--- কেল্লাফতে!!!!!
উত্তর হবে:- ২৫০:২০০।
এখনো না বুঝলে, আরেকবার পড়ুন।
সমস্যা ০২:
১০০০ কে ২:৩:৫ অনুপাতে ভাগ করুন ।
টেকনিক:
(সমস্যা:-১ এর মতই)
প্রথমে মনে মনে ১০০০ এর একটি শুন্য রেখে, বাকি দুইটা বাদ দিন। তারপর (২+৩+৫) করলে ১০ হবে।
১০ কে ১০ দিয়ে ভাগ,দুই দিয়ে গুন করলে ২ হবে।
১০ কে ১০ দিয়ে ভাগ,তিন দিয়ে গুন করলে ৩ হবে।
১০ কে ১০ দিয়ে ভাগ,পাঁচ দিয়ে গুন করলে ৫ হবে ।
[[ বলে রাখা ভাল, এখানে ১ম ১০ হলো ১০০০ থেকে দুটি শুন্য বাদ দেয়া ১০। আর ২য় ১০ হলো ২+৩+৫ যোগ করা ১০ ]]
এখন, ২,৩,৫ এর সাথে দুটি করে শুন্য (০) বসিয়ে দিলেই কাজ শেষ!!!
উত্তর: ২০০:৩০০:৫০০

গনিতের পরিমাপ সম্পর্কে কিছু তথ্যঃ

গনিতের পরিমাপ সম্পর্কে কিছু তথ্যঃ
==========================
1 ফুট = 12 ইঞ্চি
1 গজ = 3 ফুট
1 মাইল = ১৭৬০ গজ
1 মাইল ≈ 1.61 কিলোমিটার
1 ইঞ্চি = 2.54 সেন্টিমিটার
1 ফুট = 0.3048 মিটার
1 মিটার = 1,000 মিলিমিটার
1 মিটার = 100 সেন্টিমিটার
1 কিলোমিটার = 1,000 মিটার
1 কিলোমিটার ≈ 0.62 মাইল
.
# ক্ষেত্রঃ
1 বর্গ ফুট = 144 বর্গ ইঞ্চি
1 বর্গ গজ = 9 বর্গ ফুট
1 একর = 43560 বর্গ ফুট
.
# আয়তনঃ
1 লিটার ≈ 0.264 গ্যালন
1 ঘন ফুট = 1.728 ঘন ইঞ্চি
1 ঘন গজ = 27 ঘন ফুট
.
# ওজনঃ
1 আউন্স ≈ 28.350 গ্রাম
1 cvDÛ= 16 আউন্স
1 cvDÛ ≈ 453.592 গ্রাম
1 এক গ্রামের এর্কসহস্রাংশ = 0.001 গ্রাম
1 কিলোগ্রাম = 1,000 গ্রাম
1 কিলোগ্রাম ≈ 2.2 পাউন্ড
1 টন = 2,200 পাউন্ডের

গণিতের সাথে সম্পর্কিত কিছু ইংরেজি শব্দের বাংলা অর্থঃ

গণিতের সাথে সম্পর্কিত কিছু ইংরেজি শব্দের বাংলা অর্থঃ
1. Integer — পূর্ণসংখ্যা
2. Fraction — ভগ্নাংশ
3. Ratio — অনুপাত
4. Decimal — দশমিক
5. Division — ভাগ
6. Velocity — বেগ
7. Multiple — গুনক
8. Factor — উৎপাদক
9. Odd — বিজোড়
10. Even — জোড়
11. Product — গুনফল
12. Quotient — ভাগফল
13. Remainder — ভাগশেষ
14. Acute angle — সুক্ষকোণ
15. Alternate angle — একান্তরকোণ
16. Complementary angle — পূরক কোণ
17. Right angle — সমকোণ
18. Obtuse angle — স্থুল কোণ
19. Parallelogram — সামান্তরিক
20. Square — বর্গক্ষেত্র
21. Triangle –ত্রিভুজ
22. Perpendicular — লম্ব
23. Isosceles triangle — সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ
24. Equilateral triangle — সমবাহু
25. Scalene triangle — বিষমবাহু ত্রিভুজ 26. 26.Hypotenuse — অতিভুজ
27. Area — ক্ষেত্রফল
28. Perimeter — পরিসীমা
29. Regular cube — সুষম ঘন
30. Volume — আয়তন
31. Cube — ঘন
32. Radius — ব্যসার্ধ
33. Circumference — পরিধি
34. Tangent — স্পর্শক
35. Semi-circle — অর্ধবৃত্ত
36. Diameter — ব্যাস
37. Altitude — উচ্চতা
38. Denominator--- হর
39. Numerator--- লব
40. Improper fraction --- অপ্রকৃত ভগ্নাংশ
41. proper fraction --- প্রকৃত ভগ্নাংশ
42. Inverse ratio--- ব্যস্ত অনুপাত
43. Complex fraction --- জটিল ভগ্নাংশ
44. Exterior angle --- বহিঃস্থ কোন
45. Interior angle --- অন্তঃস্থ কোন
46. Mean --- গড়
47. Median --- মধ্যমা
48. Prime Number --- মৌলিক সংখ্যা
49. Irrational number --- অমূলদ সংখ্যা
50. Rational number --- মূলদ সংখ্যা
51. Positive number --- ধণাত্নক সংখ্যা

ক্যালকুলেটর ছাড়া ২০ থেকে ২৯ পর্যন্ত যে কোন সংখ্যার বর্গ নির্ণয় করার খুব কার্যকরুন একটি টেকনিক-

গণিতের জাদু!!!!!!!!
===
ক্যালকুলেটর ছাড়া ২০ থেকে ২৯ পর্যন্ত যে কোন সংখ্যার বর্গ নির্ণয় করার খুব কার্যকরুন একটি টেকনিক-
১. ২৩ এর বর্গ কত?
যে সংখ্যার বর্গ নির্ণয় করবেন তার এককের ঘরের অংকের সাথে পুরো সংখ্যাটিকে যোগ করতে হবে তারপর যোগফলটিকে ২ দিয়ে গুণ করে নিতে হবে এবং শেষে এককের ঘরের অংকের বর্গ বসিয়ে দিতে হবে। এইতো শেষ।
Step-1: ২৩+৩=২৬
Step-2: ২৬*২=৫২
Step-3: ৩*৩=৯ তাহলে ২৩ এর বর্গ হল ৫২৯।
২. ২৮ এর বর্গ কত?
Step-1: ২৮+৮=৩৬
Step-2: ৩৬*২=৭২
Step-3: ৮*৮=৬৪, তাহলে ২৮ এর বর্গ হল ৭৮৪।
খেয়াল করুন ২০ থেকে ২৯ পর্যন্ত যে কোন সংখ্যার বর্গ হবে ৩ অংক বিশিষ্ট কোন সংখ্যা তাই প্রথমে ৭২ বসালাম এবং তারপর যদি ৬৪ বসাই তাহলে এটি ৪ অংক বিশিষ্ট একটি সংখ্যা হয়ে যাবে সেজন্য ৬৪-র এককের ঘরের অংক ৪ কে বসিয়ে ৬ কে ৭২ এর সাথে যোগ করে নিলেই কাজ শেষ।
৩. ২৯ এর বর্গ কত?
Step-1: ২৯+৯=৩৮
Step-2: ৩৮*২=৭৬
Step-3: ৯*৯=৮১, তাহলে ২৯ এর বর্গ হল ৮৪১।

শতকরা হিসাবের শর্টকাট টেকনিক

শতকরা হিসাবের শর্টকাট টেকনিক
সূত্রঃ-১
মূল্য বৃদ্ধি পাওয়া ব্যবহার কমানোর ক্ষেত্রে
ব্যবহার_হ্রাসের_হার = (১০০ X মূল্য বৃদ্ধির হার) ÷ (১০০ + মূল্য বৃদ্ধির হার)
উদাহারণঃ যদি তেলের মূল্য ২৫% বৃদ্ধি পায় তবে তেলের ব্যবহার শতকরা কত কমালে তেল বাবদ খরচ বৃদ্ধি পাবে না?
সমাধানঃ
ব্যবহার হ্রাসের হার = (১০০X ২৫) ÷ (১০০ +২৫) = ২০%
সূত্রঃ -২
মূল্য হ্রাস পাওয়া ব্যবহার বাড়ানোর ক্ষেত্রে
ব্যবহার_বৃদ্ধির_হার = (১০০ X মূল্য হ্রাসের হার) ÷ (১০০ - মূল্য বৃদ্ধির হার)
উদাহারণঃ
কাপড়ের মূল্য ২০% কমে গেল। কোন ব্যক্তির খরচ বৃদ্ধি না করেও কাপড়ের ব্যবহার শতকরা কত বৃদ্ধি করতে পারে?
সমাধানঃ ব্যবহার বৃদ্ধির হার = (১০০X ২০) ÷ (১০০ - ২০) = ২৫%
সূত্রঃ৩
দুটি সংখ্যার শতকরা হারের তুলনার ক্ষেত্রে
শতকরা_কম /বেশি= (১০০ X শতকরা কম বা বেশি) ÷ (১০০ +
শতকরা কম বা বেশি)
উদাহারণঃ ক এর বেতন খ এর বেতন অপেক্ষা ৩৫ টাকা বেশি হলে খ এর বেতন ক অপেক্ষা কত টাকা কম?
সমাধানঃ শতকরা কম বা বেশি = (১০০ X ৩৫) ÷ (১০০ + ৩৫)
= ২৫.৯৩%
সূত্রঃ৪
দ্রব্যমূল্যের শতকরা হার বৃদ্ধি পাওয়া
দ্রব্যের_বর্তমান_মূল্য = (বৃদ্ধির প্রাপ্ত মূল্যে হার X মোট মূল্য) ÷ (১০০ + যে পরিমাণ পণ্য কম হয়েছে)
উদাহরণঃ চিনির মূল্য ৬% বেড়ে যাওয়ায় ১০৬০ টাকায় পূর্বে যত কেজি চিনি কেনা যেত এখন তার চেয়ে ৩ কেজি চিনি
কম কেনা যায়! চিনির বর্তমান দর কেজি প্রতি কত?
সমাধানঃ দ্রব্যের বর্তমান মূল্য= (৬ X ১০৬০) ÷ (১০০ X ৩)= ২১.২০ টাকা
সূত্রঃ৫
দ্রব্যমূল্যের শতকরা হার হ্রাস পাওয়ায়
দ্রব্যের_বর্তমান_মূল্য = (হ্রাসকৃত মূল্যেহার X মোট মূল্য)÷(১০০ + যে পরিমাণ পণ্য বেশি হয়েছে)
উদাহরণঃ চালের মূল্য ১২% কমে যাওয়ায় ৬,০০০টাকায় পূর্বাপেক্ষা ১ কুইন্টাল চাল বেশি পাওয়া যায়। ১ কুইন্টাল চালের দাম কত?
সমাধানঃ দ্রব্যের বর্তমান মূল্য = (১২ X ৬০০০)÷(১০০ X ১)
= ৭২০ টাকা(উঃ)
সূত্রঃ৬
মূল্য বা ব্যবহার হ্রাস-বৃদ্ধির ক্ষেত্রে
হ্রাসের_হার =(বৃদ্ধির হার X হ্রাসের হার)÷১০০
উদাহরণঃ চিনির মূল্য ২০% কমলো কিন্তু চিনির ব্যবহার ২০% বেড়ে গেল এতে চিনি বাবদ ব্যয় শতকরা কত বাড়বে বা কমবে?
সমাধানঃ হ্রাসের হার = (২০ X ২০)÷১০০
= ৪% (উঃ)

গণিত জনকঃ

গণিত
▔▔▔▔▔
✬ সংখ্যাতত্ত্ব – পিথাগোরাস
✬ গণনা – চার্লস ব্যাবেজ
✬ জ্যামিতি – ইউক্লিড
✬ বীজ গণিত ও অ্যালগারিদম –আল-খাওয়ারিজম
✬ ক্যালকুলাস – ভাসকরা
✬ ত্রিকোণমিতি – হিপ্পার চাস
✬ স্থিতিবিদ্যা – আর্কিমিডিস
✬ গতিবিদ্যা – গ্যালিলিও

গণিতের ৫০টি শর্টকার্ট নিয়ম যা আপনাকে ফুল মার্কস পেতে বাধ্য করবে যেকোন চাকরির পরীক্ষায়

গণিতের ৫০টি শর্টকার্ট নিয়ম যা আপনাকে ফুল মার্কস পেতে বাধ্য করবে যেকোন চাকরির পরীক্ষায়
ব্যাসিক সূত্র আর কিছু শর্টকাট মেথড জানলেই যে কেউই ম্যাথস এ খুব সহজেই ১০ নম্বর তুলতে পারবে। আজ থাকছে ম্যাথস এর শর্টকাট টেকনিকস।
গণিত আসলে পানির মত সোজা, বিশ্বাস না হলে দেখুন প্রতিটি অধ্যায়ের শর্টকাট টেকনিকগুলো।
মৌলিক সংখ্যা নির্ণয়ঃ
১-১০০ পর্যন্ত মৌলিক
সংখ্যা ২৫ টি।
কিভাবে মনে রাখবেন? Just
remember
as a phone number or your account
number:
44 22 322 321
(৪) ১-১০ পর্যন্ত ৪ টি যথাঃ ২, ৩,
৫,৭
(৪) ১১-২০ পর্যন্ত ৪ টি যথাঃ ১১,
১৩, ১৭,১৯
(২) ২১-৩০ পর্যন্ত ২ টি যথাঃ ২৩,
২৯
(২) ৩১-৪০ পর্যন্ত ২ টি যথাঃ ৩১,
৩৭
(৩) ৪১-৫০ পর্যন্ত ৩ টি যথাঃ ৪১,
৪৩, ৪৭
(২) ৫১-৬০ পর্যন্ত ২ টি যথাঃ ৫৩,
৫৯
(২) ৬১-৭০ পর্যন্ত ২ টি যথাঃ ৬১,
৬৭
(৩) ৭১-৮০ পর্যন্ত ৩ টি যথাঃ ৭১,
৭৩, ৭৯
(২) ৮১-৯০ পর্যন্ত ২ টি যথাঃ ৮৩,
৮৯
(১) ৯১-১০০ পর্যন্ত ১ টি যথাঃ ৯৭
মোট ২৫ টি।
11 থেকে 99 পর্যন্ত বর্গ করার কৌশল
[] সূত্র:- (xy)^2=abc [যেখানে;b,cএকটি
করে সংখ্যা & a এক বা একাধিক সংখ্যা হতে পারে] এবং
a=x^2
b=2xy
c=y^2
এবার 11 &25 বর্গ করি৷
(11)^2=(1^2)(2.1.1)(1^2)
=(1)(2)(1)
=121
আবার
(25)^2=(2^2)(2.2.5)(5^2)
=(4)(20)(25)
=(4)(20+2)5
=(4)(22)5
=(4+2)25
=625
টপিকস : লাভ -ক্ষতি
আইটেম -১
একটি দ্রব্য নির্দিষ্ট % লাভে/ক্ষতিতে বিক্রয় করা হয়। বিক্রয় মূল্য ….. টাকা বেশি হলে % লাভে/ক্ষতি হয় ।ক্রয়মূল্য নির্ণয় করতে হবে।
উদা: একটি মোবাইল ১০ % ক্ষতিতে বিক্রয় করা হয়। বিক্রয় মূল্য ৪৫ টাকা বেশি হলে ৫% লাভে হত ।ক্রয়মূল্য নির্ণয় করতে হবে।
টেকনিক :
ক্রয়মূল্য ={১০০xযত বেশি থাকবে}/ উল্লেখিত শতকরা হারদুটির যোগফল)
অঙ্কটির সমাধান:
ক্রয়মূল্য ={১০০x৪৫}/ {১০+৫)
=৪৫০০/১৫
=৩০০ (উত্তর)
নিজে নিজে করুন
১। একটি কলম ১০ % ক্ষতিতে বিক্রয় করা হয়। বিক্রয় মূল্য ৩০ টাকা বেশি হলে ৫% লাভে হত ।ক্রয়মূল্য নির্ণয় করতে হবে। (২০০)
২। একটি কম্পিউটার২০ % ক্ষতিতে বিক্রয় করা হয়। বিক্রয় মূল্য ১৫০০ টাকা বেশি হলে ৫% লাভে হত ।ক্রয়মূল্য নির্ণয় করতে হবে।(৬০০০)
আইটেম :-২
-কোন দ্রব্যের মূল্য নির্দিষ্ট ৫% কমে যাওয়ায় দ্রব্যটি ৬০০০ টাকা পূর্ব অপেক্ষা ১ কুইন্টাল বেশি পাওয়া যায়। ১ কুইন্টাল এর বর্তমান মূল্য কত?
টেকনিক :
বর্তমান মূল্য: শতকরা হার/১০০) x{যে টাকা দেওয়া থাকবে/ কম-বেশি সংখ্যার পরিমাণ}x যত পরিমাণের মূল্য বাহির করতে বলা হবে।
উদাহরণটির সমাধান:
বর্তমান মূল্য = (৫/১০০)x(৬০০০/১)x১
=৭২০ টাকা । (উত্তর)
নিজে করুন:
৩। কোন দ্রব্যের মূল্য নির্দিষ্ট ৩০% কমে যাওয়ায় দ্রব্যটি ৬০০০ টাকায় পূর্ব অপেক্ষা ৬ কুইন্টাল বেশি পাওয়া যায়। ১ ০কুইন্টাল এর বর্তমান মূল্য কত? (উত্তর: ৩০০০০টাকা)
৪। কলার মূল্য নির্দিষ্ট ২৫% কমে যাওয়ায় দ্রব্যটি ১০০ টাকায় পূর্ব অপেক্ষা ২৫ টি বেশি পাওয়া যায়। ৩ হালি কলার বর্তমান মূল্য কত?( উত্তর:১২)
অঙ্কের ধরণ:
টাকায় নির্দিষ্ট দরে নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রব্য কিনে সেই টাকায় নিদিষ্ট কম-বেশি দরে বিক্রি করায় শতকরা লাভ -ক্ষতির হার নির্ণয় করতে হবে ।
টেকনিক:
লাভ/ক্ষতি = ১০০/ বিক্রির সংখ্যা
উদা: টাকায় ৩টি করে লেবু কিনে ২টি করে বিক্রি করলে শতকরা লাভ কত?(২৬তম বিসিএস)
টেকনিক:
লাভ= ১০০/ বিক্রির সংখ্যা
=১০০/২
=৫০% (উত্তর)
নিজে করুন:
১। টাকায় ৫টি করে লেবু কিনে ৪টি করে বিক্রি করলে শতকরা লাভ কত?
২। টাকায় ২১টি করে লেবু কিনে ২০টি করে বিক্রি করলে শতকরা লাভ কত?
৩।টাকায় ৯টি করে লেবু কিনে ১০টি করে বিক্রি করলে শতকরা ক্ষতি কত?
৪।টাকায় ৪৯টি করে লেবু কিনে ৫০টি করে বিক্রি করলে শতকরা লাভ কত?
টেকনিকঃ
দ্রব্যমূল্যের শতকরা হার হ্রাস পাওয়ায়–
# দ্রব্যের_বর্তমান_মূল্য = (হ্রাসকৃত মূল্যেহার X মোট মূল্য)÷(১০০ + যে পরিমাণ পণ্য বেশি হয়েছে)
# উদাহরণঃচালের মূল্য ১২% কমে যাওয়ায় ৬,০০০ টাকায়
পূর্বাপেক্ষা ১ কুইন্টাল চাল বেশি পাওয়া যায়। ১ কুইন্টাল চালের দাম কত?
# সমাধানঃদ্রব্যের বর্তমান মূল্য = (১২ X ৬০০০)÷(১০০ X ১)
= ৭২০ টাকা(উঃ)
# টেকনিকঃ
মূল্য বা ব্যবহার হ্রাস-বৃদ্ধির ক্ষেত্রে–
# হ্রাসের_হার =(বৃদ্ধির হার X হ্রাসের হার)÷১০০
# উদাহরণঃচিনির মূল্য ২০% কমলো কিন্তু চিনির ব্যবহার ২০%বেড়ে গেল এতে চিনি বাবদ ব্যয় শতকরা কত বাড়বে বা কমবে?
# সমাধানঃহ্রাসের হার = (২০ X ২০)÷১০০
= ৪%(উঃ)
টেকনিকঃ
পূর্ব মূল্য এবং বর্তমান মূল্য অনুপাতে দেওয়া থাকলে
মূল্যের শতকরা হ্রাস বের করতে হলে –
# শতকরা_মূল্য_হ্রাস
=(অনুপাতের বিয়োগফল X (১০০÷অনুপাতের প্রথম সংখ্যা)
# উদাহরণঃমাসুদের আয় ও ব্যয় এর অনুপাত ২০:১৫ হলে তার মাসিক সঞ্চয় আয়ের শতকরা কত ভাগ?
# সমাধানঃশতকরা মূল্য হার = (২০-১৫) X (১০০÷২০)= ২৫%(উঃ)
টাইপ ১ঃ (যদি দাম বাড়ে)
চালের দাম যদি ৪০% বেড়ে যায় তবে চালের ব্যাবহার শতকরা কত কমালে চালের ব্যয় অপরিবর্তিত থাকবে?
টেকনিকঃ
কমানো % = (100 × r) / (100 + r) (দাম বাড়লে ফর্মুলায় প্লাস ব্যাবহার হয়েছে)
এখানে r = 40%
Answer = (100 × 40)/(100 + 40) = 28.57%
টাইপ ২ঃ (যদি দাম কমে)
চালের দাম যদি ৪০% কমে যায় তবে চালের ব্যাবহার শতকরা কত বাড়ালে চালের ব্যয় অপরিবর্তিত থাকবে?
টেকনিকঃ
বাড়ানো % = (100 × r)/(100- r) (দাম কমলে ফর্মুলায় মাইনাস ব্যাবহার হয়েছে)
এখানে r = 40%
Answer = (100 × 40)/(100- 40) = 66.66%
টাইপ ৩ঃ (যদি r এর মান ২০% দেয়া থাকে তবে বাড়ুক কমুক যে টাইপ সমস্যাই দেয়া হোক না কেন চোখ বন্ধ করে উত্তর হবে ২৫%, আর ২৫% দেয়া থাকলে উত্তর হবে ২০% )
Example 1: চালের দাম যদি 25% বেড়ে যায় তবে চালের ব্যাবহার শতকরা কত কমালে চালের ব্যয় অপরিবর্তিত থাকবে?
উত্তরঃ 20%
যদি ২৫% কমে দেওয়া থাকে তাহলে উত্তর হবে ৩৩.৩৩%
Example 2: চালের দাম যদি 20% বেড়ে যায় তবে চালের ব্যাবহার শতকরা কত কমালে চালের ব্যয় অপরিবর্তিত থাকবে?
উত্তরঃ 25%
৩। সুদ কষা
১। শতকরা বার্ষিক কত হার সুদে কোন মুলধন ২৫ বছরে ৩গুন হবে?
২। শতকরা ২০টাকা হারে সুদে কোন মুলধন কত বছরে আসলের দ্বিগুন হবে?
টেকনিক:
যতগুন থাকবে তার থেকে ১ বিয়োগ করে ১০০ দিয়ে গুন করে তাকে তাকে প্রদত্ত হার দিয়ে ভাগ করলে সময় বের হবে । আর যদি প্রদত্ত বছর দিয়ে ভাগ করা হয় তাহলে হার বের হবে।
অর্থাত্ সূত্রটি
rxt =(n-1)x100. ( এখানে r= শতকরা হার ,t = সময় )
এখন ১নং অঙ্কটি করি
দেওয়া আছে t=২৫, n =৩ ; r=?
r= {(n-1)x100}/t
={(৩-১)x১০০}২৫
={২x১০০}২৫
=২০০/২৫
=৮ % (উত্তর)
———-
২নং অঙ্কটি করি
দেওয়া আছে t=?, n =২ ; r=২০
t= {(n-1)x100}/r
={(২-১)x১০০}/২০
=১০০/২০
=৫ বছর
নিজে করুন :
১। শতকরা বার্ষিক কত হার সুদে কোন মুলধন ১০বছরে ৩গুন হবে?
২।শতকরা বার্ষিক কত হার সুদে কোন মুলধন ৫ বছরে ২গুন হবে?
৩। শতকরা ১০টাকা হারে সুদে কোন মুলধন কত বছরে আসলের ৩গুন হবে?
৪।শতকরা ১৫টাকা হারে সুদে কোন মুলধন কত বছরে আসলের ৪গুন হবে?
সূত্রঃ ১
যখন মুলধন, সময় এবং সুদের হার সংক্রান্ত মান দেওয়া থাকবে তখন
সুদ / মুনাফা = (মুলধন x সময় x সুদের হার) / ১০০
প্রশ্নঃ ৯.৫% হারে সরল সুদে ৬০০ টাকার ২ বছরের সুদ কত?
সমাধানঃ
সুদ / মুনাফা = (৬০০ x ২ x ৯.৫) / ১০০
= ১১৪ টাকা
সূত্রঃ ২
যখন সুদ, মুলধন এবং সুদের হার দেওয়া থাকে তখন –
সময় = (সুদ x ১০০) / (মুলধন x সুদের হার)
প্রশ্নঃ ৫% হারে কত সময়ে ৫০০ টাকার মুনাফা ১০০ টাকা হবে?
সমাধানঃ
সময় = (১০০ x ১০০) / (৫০০ x ৫)
= ৪ বছর
সূত্রঃ ৩
যখন সুদে মূলে গুণ হয় এবং সুদের হার উল্লেখ থাকে তখন –
সময় = (সুদেমূলে যতগুণ – ১) / সুদের হার x ১০০
প্রশ্নঃ বার্ষিক শতকরা ১০ টাকা হার সুদে কোন মূলধন কত বছর পরে সুদে আসলে দ্বিগুণ হবে?
সমাধানঃ
সময় = (২– ১) /১০ x ১০০
= ১০ বছর
সূত্রঃ ৪
যখন সুদে মূলে গুণ হয় এবং সময় উল্লেখ থাকে তখন
সুদের হার = (সুদেমূলে যতগুণ – ১) / সময় x ১০০
প্রশ্নঃ সরল সুদের হার শতকরা কত টাকা হলে, যে কোন মূলধন ৮ বছরে সুদে আসলে তিনগুণ হবে?
সমাধানঃ
সুদের হার = (৩ – ১) / ৮ x ১০০
= ২৫%
সূত্রঃ ৫
যখন সুদ সময় ও মূলধন দেওয়া থাকে তখন
সুদের হার = (সুদ x ১০০) / (আসল বা মূলধন x সময়)
প্রশ্নঃ শতকরা বার্ষিক কত টাকা হার সুদে ৫ বছরের ৪০০ টাকার সুদ ১৪০ টাকা হবে?
সমাধানঃ
সুদের হার = (১৪০ x ১০০) / (৪০০ x ৫)
= ৭ টাকা
চক্রবৃদ্ধি সুদ নির্ণয়
টেকনিক:
যে সুদের হার দেওয়া থাকবে তাকে বছর অনুযায়ী যোগ করুন এবং হারের বর্গকে ১০০ দিয়ে ভাগ করে ভাগফলের সাথে হারের যোগফল যোগ করে যা পাওয়া যাবে সেটা মোট টাকার শতকরা বের করলেই চক্রবৃদ্ধি সুদ পাওয়া যাবে।
উদাহরণ >২৫০০ টাকার উপর ১২% হারে ২ বছরের চক্রবৃদ্ধি সুদ কত?
উত্তর:বছর দ্বিগুন থাকায় হারেকে ডাবল করুন এবং হারকে বর্গ করে ১০০
দিয়ে ভাগ দিন। তারপর হারের
যোগফলের সাথে ভাগফল যোগ করুন
ব্যাস হয়ে গেল।
(১২+ ১২) = ২৪ + ১.৪৪ =
২৫.৪৪% ধরুন ২৫০০ টাকার উপর ৬৩৬
চক্রবৃদ্ধি সুদ।
শতকরা
মাত্র ৬/৭ সেকেন্ডে কিভাবে Percent বের করবেন তার জন্য নিচের টেকনিকটি দেখুন-
1. 30% of 50= 15 (3*5=15) কিভাবে মাত্র কয়েক সেকেন্ডে এর উত্তর বের করবেন? প্রশ্নে উল্লেখিত সংখ্যা দুটি হল 30 এবং 50। এ
খানে উভয় সংখ্যার এককের ঘরের অংক ‘শুন্য’ আছে। যদি উভয় সংখ্যার এককের ঘরের অংক ‘শুন্য’ হয় তাহলে উভয় সংখ্যা থেকে তাদেরকে (শুন্য) বাদ দিয়ে বাকি যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাদেরকে গুণ করলেই উত্তর বের হয়ে যাবে অর্থাৎ এখানে 3 এবং 5 কে গুণ করলেই উত্তর বের হয়ে যাবে।
2. 40% of 60= 24 (4*6=24)
3. 20% of 190= 38 (2*19=38)
4. 80% of 40= 32 (8*4=32)
5. 20% of 18= 3.6 (2*1.8=3.6)
এখানে দুটি সংখ্যার মধ্যে একটির এককের ঘরের সংখ্যা ‘শুন্য’।
তাহলে এখন কি করব? ঐ ‘শুন্য’ টাকে বাদ দেব আর যে সংখ্যায় ‘শুন্য’ নেই সেই সংখ্যার এককের ঘরের আগে একটা ‘দশমিক’ বসিয়ে দেব।
বাকী কাজটা আগের মতই।
6. 25% of 44=11 (2.5*4.4=11)
7. 245% of 245=600.25 (24.5*24.5=600.
25)
8. ১২৫ এর ২০% কত? =২৫ (১২.৫*২=২৫)
9. ৫০ এর ১০% কত? =৫ (৫*১=৫)
10. ১১৫২৫ এর ২৩% কত? =২৬৫০.৭৫ (১১৫২.৫*২.৩=২৬৫০.৭৫)
প্রশ্নের ধরণ: অঙ্কে দুটো শতকরা হার থাকবে ; একটি বৃদ্ধি হার, অন্যটি হ্রাস হার/ অথবা উভয়টি বৃদ্ধিহার / উভয়টি হ্রাসহার । বলা হবে শতকরা হ্রাস বৃদ্ধির পরিমাণ বের কর।
উদা: একটি আয়তাকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ২০% বৃদ্ধি ও প্রস্থ ১০% হ্রাস করা হলে ক্ষেত্রফলের শতকরা কত পরিবর্তন হবে?
টেকনিক :
ক্ষেত্রফলের বৃদ্ধি হার = 1st % + 2nd % +{(1st % x 2nd% )/100}
= ২০+(-১০) + {(২০x-১০)/১০০}
=১০+{-২০০/১০০}
=১০-২
=৮%(উত্তর)
মনে রাখবেন বৃদ্ধি পেলে + চিহ্ন আর হ্রাস পেলে বিয়োগ চিহ্ন হয় ।
নিজে করুন
1 . একটি আয়তাকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ২০% ও প্রস্থ ২৫% হ্রাস করা হলে ক্ষেত্রফলের শতকরা কত পরিবর্তন হবে?
2. If the length and breadth of a rectangle are both increased by 4% , then what is the increase in its area ?
3.একটি আয়তাকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য 1০% ও প্রস্থ ১০% হ্রাস করা হলে ক্ষেত্রফলের শতকরা কত পরিবর্তন হবে?
৪.২০১৪সালে গ্রামীণ সিমের দাম ১০০টাকা এবং পরবর্তী দুই বছরের জন্য প্রতিবছর সিমের দাম ২০% করে বৃদ্ধি পায় তাহলে ২০১৬সালে সিমের দাম কত?
5. Successive increase of 20% and 15% is equal to what single Increase rate%?
6. চিনির মূল্য ২০% কমলো, কিন্তু চিনির ব্যবহার ২০% বৃদ্ধি পেলো । এতে চিনি বাবদ ব্যয় শতকরা কত বাড়লো বা কমলো?(কমলো ৪%)
৭. একজন ব্যবসায়ী একটি পণ্যের মূল্য ২৫% বাড়ালো , অত:পর বর্ধিত মূল্য থেকে ২৫% কমালো। সর্বশেষ মূল্য সর্বপ্রথম মূলের তুলনায় শতকরা কত বাড়লো বা কমলো?
৮.চালের দাম ২০১৫সালে পূর্বের তুলনায় ২০% হ্রাস পেয়েছে। ২০১৬সালে উত্পাদন বৃদ্ধির জন্য চালের দাম ১০% বৃদ্ধি পেলে ২০১৪সালের তুলনায় চালের দাম কতটুকু হ্রাস পেয়েছে

এগুলো পরীক্ষায় আসবে শতভাগ নিশ্চিত থাকেন

কি কি পড়বেন!
নিচের টপিক গুলো শেষ করেন করেন। কারণ প্রাইমারির প্রশ্ন এগুলোর বাইরে হয়না বললেই চলে। এগুলো পরীক্ষায় আসবে শতভাগ নিশ্চিত থাকেন।
বিষয়ঃ গণিত
১.লাভ ক্ষতি
২.শতকরা, সুদকষা
৩.অনুপাত ও গড়
৪.নৌকা ও স্রোতের অংক
৫.মিশ্রণের অংক
৬.কাজের অংক
৭.মান নির্ণয় ও সেট (বীজগণিত)
৮.উৎপাদক (বীজগণিত)
৯.পিতা ও পুত্র
১০.সমান্তর ধারা ও গুণোত্তর ধারা
১১.চৌবাচ্চার অংক
১২.জ্যামিতিঃ রেখা, কোন, বৃত্ত, ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ, বহুভুজ, ট্রাপিজিয়াম ইত্যাদি।
বইঃ ক্লাস সিক্স-এইটের গণিত, জর্জ ম্যাথ রিভিউ (MP3), খাইরুলস বেসিক ম্যাথ (দু্র্বলদের জন্য)। এছাড়াও যার যার পছন্দমাফিক বই কিনে নিতে পারেন।
বিষয় ইংরেজিঃ
VOICE
NARRATION
PARTS OF SPEECH (NOUN, ADJECTIVE, ADVERB, PREPOSITION, VERB)
SENTENCE CORRECTION
SPELLING
NUMBER
GENDER
SYNONYMS
ANTONYMS
PHRASE & IDIOMS
WORD MEANING
CONDITIONALS
Literature (Important question)
এগুলোর বাহিরে প্রশ্ন হবে না।
ENGLISH FOR COMPETITIVE EXAMS বইয়ে চাপটার ওয়াইজ বিষয়গুলো পাবেন।
অন্য যেকোন বইও ফলো করতে পারেন।
বিষয়ঃ বাংলা
এই কয়টা অধ্যায় থেকে শতভাগ কমন পাবেন, মানে এর বাইরে প্রশ্ন হবে না।
সন্ধি বিচ্ছেদ
কারক ও বিভক্তি
সমাস, অনুসর্গ
বানান শুদ্ধি
সমার্থক শব্দ
বিপরীত শব্দ
বাগধারা, ণত্ব ও ষত্ব বিধান
লিঙ্গ, কাল
ভাষা, উপসর্গ
এককথায় প্রকাশ
প্রকৃতি ও প্রত্যয়
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর /কাজী নজরুল ইসলাম সহ গুরুত্বপুর্ণ সকল সাহিত্যিক ও লেখক।
বন্দুকের গুলি মিস হলেও এখানকার কোন টপিকস থেকে প্রশ্ন মিস হবে না ইনশাআল্লাহ। আরো কিছু জানার থাকলে ইনবক্স করতে পারেন।

এক নজরে জ্যামিতির সকল সংজ্ঞা।

এক নজরে জ্যামিতির সকল সংজ্ঞা।

❑ সূক্ষ্মকোণ (Acute angle) : এক সমকোণ (90) অপেক্ষা ছোট কোণকে সূক্ষকোণ বলে।

❑ সমকোণ (Right angle) : একটি সরল রেখার উপর অন্য একটি লম্ব টানলে এবং লম্বের দু’পাশে অবস্থিত ভূমি সংলগ্ন কোণ দুটি সমান হলে, প্রতিটি কোণকে সমকোণ বলে। এক সমকোণ=90

❑ স্থূলকোণ (Obtuse angle) : এক সমকোণ অপেক্ষা বড় বিন্তু দুই সমকোণ অপেক্ষা ছোট কোণকে সথূলকোণ বলে।

❑ প্রবৃদ্ধকোণ (Reflex angle) : দুই সমকোণ অপেক্ষা বড় কিন্তু চার সমকোণ
অপেক্ষা ছোট কোণকে প্রবদ্ধ কোণ বলে। অর্থাৎ 360 > x 180 হলে x একটি প্রবৃদ্ধ
কোণ।

❑ সরলকোণ (Straight angle) : দু’টি সরল রেখাপরস্পর সম্পর্ণ বিপরীত দিকে গমন করলে রেখাটির দু’পাশে যে কোণ উৎপন্ন হয় তাকে সরলকোণ বলে। সরলকোণ
দুই সমকোণের সমান বা 180

❑ বিপ্রতীপকোণ (Vertically Opposite angle ) : দু’টি সরল রেখা পরস্পর ছেদ করলে যে চারটি কোণ উৎপন্ন হয় এদের যেকোণ একটিকেতার বিপরীত কোণের
বিপ্রতীপ কোণ বলে।

❑ সম্পূরককোণ(Supplementary angle ) : দু’টি কোণের সমষ্টি 180 বা দুইসমকোণ হলে একটিকে অপরটির সম্পূরক কোণ বলে।

❑ পূরককোণ (Complementary angle) : দু’টি কোণের সমষ্টি এক সমকোণ বা 90 হলেএকটিকেঅপরটির পূরক কোণ বলে।

❑ একাস্তরকোণ: দু’টি সমান্তরাল রেখাকে অপর একটি রেখা তির্যকভাবে ছেদ করলে ছেদক রেখার বিপরীত পাশে সমান্তরাল রেখা যে কোণ উৎপন্ন করে তাকে একান্তর কোণ বলে। একান্তর কোণগুলো পরস্পর সমান হয়।

❑ অনুরূপকোণ: দু’টি সমান্তরাল সরল রেখাকে অপর একটি সরল রেখা ছেদ করলে ছেদকের একই পাশে যে কোণ উৎপন্ন হয় তকে অনুরূপ কোণ বলে। অনুরূপ কোণগুলো পরস্পর সমান হয়।

❑ সন্নিহিতকোণ: যদি দু’টি কোণের একটি সাধারণ বাহু থাকে তবে একটি কোণের অপর কোণের সন্নিহিত কোণ বলে।
❑ ত্রিভূজ (Triangle): তিনটি সরলরেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ ক্ষেত্রকে ত্রিভূজ বলে।

❑ সুক্ষ্মকোণীত্রিভূজ (Acute angle triangle ) : যে ত্রিভূজের তিনটি কোণই এক সমকোণ(90 0 ) এর ছোট তাকে সূক্ষ্মকোণী ত্রিভূজ বলে।

❑ সুক্ষ্মকোণীত্রিভূজ (Obtuse angled triangle) : যে ত্রিভূজের একটি কোণ সথূলকোণ বা এক সমকোণ অপেক্ষা বড় তাকে সথূলকোণী ত্রিভূজ বলে। কোণ
ত্রিভূজের একের অধিক সথূলকোণ থাকতে পারে না।

❑ সমকোণী ত্রিভূজ (Right angled triangle) : যে ত্রিভূজের একটি কোণ সমকোণ
তাকে সমকোণী ত্রিভূজ বলে। কোন ত্রিভূজে একটির অধিক সমকোণ থাকতে পারে না। সমকোণী ত্রিভূজের সমকোণের বিপরীত বাহুকে অতিভূজ এবং সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয়ের একটিকে ভূমি এবং অপরটিকে লম্ব বলা হয়।
❑ লম্বকেন্দ্র
ত্রিভুজের তিনটি শীর্ষ থেকে বিপরীত বাহুগুলির উপর তিনটি লম্ব সমবিন্দুগামী, এবং বিন্দুটির নাম লম্বকেন্দ্র(orthocenter)

❑ পরিবৃত্ত: তিনটি শীর্ষবিন্দু যোগ করে যেমন একটিমাত্র ত্রিভুজ হয় তেমনি তিনটি বিন্দু (শীর্ষ)গামী বৃত্তও একটিই, এর নাম পরিবৃত্ত।

❑ পরিকেন্দ্র: পরিবৃত্তের কেন্দ্র (যে বিন্দু ত্রিভুজের শীর্ষত্রয় থেকে সমদূরত্বে স্থিত)।

❑ চতুর্ভুজ: চারটি রেখাংশ দিয়ে সীমাবদ্ধ সরলরৈখিক ক্ষেত্রের সীমারেখাকে চতুর্ভুজ বলে।
বিকল্প সংজ্ঞা: চারটি রেখাংশ দিয়ে আবদ্ধ চিত্রকে চতুর্ভুজ বলে।চিত্রে কখগঘ একটি চতুর্ভুজ।

❑ কর্ণঃ চতুর্ভুজের বিপরীত শীর্ষ বিন্দুগুলোর দিয়ে তৈরি রেখাংশকে কর্ণ বলে। চতুর্ভুজের কর্ণদ্বয়ের সমষ্টি তার পরিসীমার চেয়ে কম।

❑ চতুর্ভুজের বৈশিষ্ট্যঃ চারটি বাহু, চারটি কোন, অন্তর্বর্তী চারটি কোনের সমষ্টি ৩৬০°।

❑ সামান্তরিক: যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল এবং বিপরীত কোণগুলো সমান (কিন্তু কোণ গুলো সমকোন নয়) , তাকে সামান্তরিক বলে।

❑ আয়ত: যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল এবং প্রতিটি কোণ সমকোণ, তাকে আয়ত বলে।

❑ বর্গক্ষেত্র: বর্গক্ষেত্র বলতে ৪টি সমান বাহু বা ভূজ বিশিষ্ট বহুভূজ, তথা চতুর্ভূজকে বোঝায়, যার প্রত্যেকটি অন্তঃস্থ কোণ এক সমকোণ বা নব্বই ডিগ্রীর সমান।

❑ রম্বসঃ রম্বস এক ধরনের সামান্তরিক যার সবগুলি বাহু সমান কিন্তু কোণ গুলো সমকোন নয়।

❑ ট্রাপিজিয়ামঃ যে চতুর্ভুজ এর দুইটি বাহু সমান্তরাল কিন্তু অসমান।

❑ বহুভুজ
(কারনঃ সরলরেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ) বহুভুজ নয়
(কারনঃ বক্র রেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ) বহুভুজ নয়
(কারনঃ সীমাবদ্ধ নয়)
যদি বহুভুজের সবগুলি বাহু ও কোণ সমান হয়, তবে সেটিকে সুষম বহুভুজ বলে।

বিপ্রতীপ কোণঃ কোন কোণের বাহুদ্বয়ের বিপরীত রশ্মি যে কোণ তৈরি করে, তা ঐ কোণের বিপ্রতীপ কোণ বলে ।

❑ গোলকঃ দুইটি পরস্পর বিপরীত রশ্মি তাদের সাধারণ প্রান্ত বিন্দুতে যে কোণ উৎপন্ন করে, তাকে সরল কোণ বলে ।

❑ প্রবৃদ্ধকোণঃ দুই সমকোণ থেকে বড় কিন্তু চার সমকোণ থেকে ছোট কোণকে প্রবৃদ্ধকোণ বলে ।

❑ সমান্তরাল রেখাঃ একই সমতলে অবস্থিত দুটি সরল রেখা একে অপরকে ছেদ না করলে, তাদেরকে সমান্তরাল সরল রেখা বলে ।

❑ ছেদকঃ যে সরলরেখা দুই বা ততোধিক সরলরেখাকে ছেদ করে, তাকে ছেদক বলে ।

❑ অন্তঃকেন্দ্রঃ ত্রিভুজের কোণত্রয়ের সমদ্বিখন্ডকগুলো সমবিন্দু ।ত্রই বিন্দু ত্রিভুজের অন্তঃকেন্দ্র।

❑ পরিকেন্দ্রঃ ত্রিভুজের বাহুত্রয়ের লম্বদ্বিখন্ডকত্রয় সমবিন্দু। ত্রই বিন্দু ত্রিভুজের পরিকেন্দ্র।

❑ ভরকেন্দ্রঃ ত্রিভুজের কোণ একটি শীর্ষবিন্দু এবং তার বিপরীত বাহুর মধ্যবিন্দুর সংযোজক সরলরেখাকে মধ্যমা বলে। ত্রিভুজের মধ্যমাত্রয় সমবিন্দু । ত্রই বিন্দু ত্রিভুজের ভরকেন্দ্র।

❑ লম্ববিন্দুঃ ত্রিভুজের শীর্ষত্রয় হতে বিপরীত বাহুর উপর অঙ্কিত লম্বত্রয় সমবিন্দু। ত্রই বিন্দু ত্রিভুজের লম্ববিন্দু।

❑ সর্বসমঃ দুইটি ক্ষেত্র সর্বসম হবে যদি একটি ক্ষেত্র অন্যটির সাথে সর্বতোভাবে মিলে যায় । সর্বসম বলতে আকার ও আকৃতি সমান বুঝায় ।

❑ বর্গঃ আয়তক্ষেত্রের দুটি সন্নিহিত বাহু সমান হলে তাকে বর্গ বলে ।

❑ স্পর্শকঃ একটি বৃত্ত ও একটি সরলরেখার যদি একটি ও কেবল ছেদবিন্দু থাকে তবে রেখাটিকে বৃত্তটির একটি স্পর্শক বলা হয় ।

❑ সাধারণ স্পর্শকঃ একটি সরলরেখার যদি দুইটি বৃত্তের স্পর্শক হয়, তবে বৃত্ত দুইটির একটি সাধারণ স্পর্শক বলা হয় ।

❑ আয়তিক ঘনবস্তুঃ তিন জোড়া সমান্তরাল আয়তাকার সমতল বা পৃষ্ট দ্বারা আবদ্ধ ঘনবস্তুকে আয়তিক ঘনবস্তু বলে ।

❑ ঘনকঃ আয়তাকার ঘনবস্তুর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা সমান হলে, তাকে ঘনক বলে ।

❑ কোণকঃ কোন সমকোণী ত্রিভুজে সমকোণ সংলগ্ন যে কোন একটি বাহুকে স্থির রেখে ঐ বাহুর চতুর্দিকে ত্রিভুজটিকে ঘুরালে যে ঘনবস্তু উৎপন্ন হয় তাকে সমবৃত্তভুমিক কোণক বলে ।

❑ সিলিন্ডার বা বেলুনঃএকটি আয়তক্ষেত্রের যে কোন একটি বাহুকে স্থির রেখে ঐ বাহুর চতুর্দিকে আয়তক্ষেত্রটিকে ঘুরালে যে ঘনবস্তু উৎপন্ন হয় তাকে সমবৃত্তভুমিক বেলুন বলে ।

❑বাহু :
❑ ত্রিভুজের বাহু = ৩টি,
❑ চতুর্ভুজের বাহু = ৪টি
❑ বৃত্তের বাহু = নাই,
❑ ঘনকের বাহু = ৮টি
❑ ঘনবস্তুর বাহু = ১২টি
❑ কিছু প্রাসঙ্গিক ইংরেজী শব্দ
Geometry-জ্যামিতি,
Point-বিন্দু্,
Line-রেখা,
Solid-ঘনবস্ত
Angle-কোণ,
Adjacent angle-সন্নিহিত কোণ,
Vertically opposite angles-বিপ্রতীপকোন,
Straight angles-সরলরেখা,
Right angle-সমকোণ,
Acute angle সূক্ষকোণ,
Obtuse angle- স্থুলকোণ ,
Reflex angle –প্রবিদ্ধ কোন,
Complementary angle-পূরক কোণ,
Supplementary angle-সম্পুরক কোণ,
Parallel line-সমান্তরাল রেখা,
Transversal-ছেদক,
Alternate angle-একান্তর কোণ,
Corresponding angle-অনুরূপ কোণ,
In-center – অন্ত-কেন্দ্র,
Circumcenter – পরিকেন্দ্র,
Centroid –ভরকেন্দ্র,
Orthocenter- লম্ববিন্দু,
Equilateral triangle-সমবাহু ত্রিভুজ,
Isosceles angle-সমদিবাহু ত্রিভুজ,
Scalene angle –বিষমবাহু ত্রিভুজ,
Right angled triangle- সমকোণী ত্রিভুজ,
Acute angled triangle-সূক্ষকোণী ত্রিভুজ,
Obtuse angled triangle-স্থুলকোণী ত্রিভুজ,
Congruent – সর্বসম,
Equiangular triangles-সদৃশকোণী ত্রিভুজ,
Quadrilateral- চতুভুজ,
Diagonal-কর্ণ,
Parallelogram- সামন্তরিক,
Rectangle-আয়তক্ষেত্র ,
Square-বর্গ, Rhombus-রম্বস,
Mensuration -পরিমিতি

প্রাইমারি শিক্ষক, খাদ্য,সমাজসেবা,বিসিএস নিয়োগ পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ৫৭৭টি প্রশ্ন-উত্তর ২০১৮(কমন আসবে ইনশাল্লাহ)

প্রশ্নঃ ২০ ফুট লম্বা একটি বাঁশ এমনভাবে কেটে দু’ভাগ করা হলো যেন ছোট অংশ বড় অংশের দুই তৃতীয়াংশ হয়, ছোট অংশের দৈর্ঘ্য কত ফুট?
উত্তরঃ ৮
.
প্রশ্নঃ ঘড়িতে এখন ৮টা বাজে। ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যকার কোণটি হলো
উত্তরঃ ১২০°
প্রশ্নঃ একটি পঞ্চভুজের সমষ্টি
উত্তরঃ ৬ সমকোণ
প্রশ্নঃ বিষমবাহু ΔABC-এর বাহুগুলির মান এমনভাবে নির্ধারিত যে, AD মধ্যমা দ্বারা গঠিত ΔABD-এর ক্ষেত্রফল x বর্গমিটার। ΔABC-এর ক্ষেত্রফল কত?
উত্তরঃ 2x বর্গমিটার
প্রশ্নঃ x + y = 2, x 2 + y 2 = 4 হলে x 3 + y 3 = কত?
উত্তরঃ 8
প্রশ্নঃ A = {1, 2, 3} B = ∅ হলে A ∪ B = কত?
উত্তরঃ {1, 2, 3}
প্রশ্নঃ ( 5(n 2) 35*(5(n-1)) )/4*5n এর মান কত?
উত্তরঃ 8
প্রশ্নঃ আমার কক্ষে এক বৃদ্ধ দম্পতি ও তাদের সাথে দুই দম্পতি প্রত্যেকে দুইজন করে সন্তানসহ আমার কক্ষে প্রবেশ করলেন। আমার কক্ষে মোট কতজন লোক হল?
উত্তরঃ ১১
প্রশ্নঃ ০.০৩, ০.১২, ০.৪৮, — শূন্যস্থানে সংখ্যাটি কত হবে?
উত্তরঃ ১.৯২
প্রশ্নঃ ১৭ দিন আগে আবদুর রহিম বলেছিল যে তার জন্মদিন “আগামীকাল”। আজ ২৩ তারিখ হলে তার জন্মদিন কোন তারিখে?
উত্তরঃ ৭
প্রশ্নঃ মামুন 240 টাকায় একই রকম কতগুলি কলম কিনে দেখল যে, যদি সে একটি কলম বেশি পেত তাহলে প্রতিটি কলমের মূল্য 1 টাকা কত পড়ত। সে কতগুলি কলম কিনেছিল?
উত্তরঃ 15 টি
প্রশ্নঃ একটি শ্রেণিতে যতজন ছাত্র-ছাত্রী আছে প্রত্যেকে তত পয়সার চেয়ে আরও 25 পয়সা বেশি করে চাঁদা দেওয়ায় মোট 75 টাকা উঠল। ঐ শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যা কত?
উত্তরঃ 75
প্রশ্নঃ তিনটি ক্রমিক সংখ্যার গুণফল তাদের যোগফলের ৫ গুন; সংখ্যা তিনটির গড় কত?
উত্তরঃ ৪
প্রশ্নঃ √169 is equal to –
উত্তরঃ 13
প্রশ্নঃ কোন সংখ্যার ০.১পৌনোপৌনিক ভাগ এবং ০.১ ভাগের মধ্যে পার্থক্য ১.০ হলে, সংখ্যাটি কত?
উত্তরঃ ৯০
প্রশ্নঃ তিন সদস্যেরএকটি বিতর্কদলের সদস্যদেরগড়বয়স২৪বছর।যদি কোনো সদস্যের বয়সই২১বছরের নিচে না হয় তবে তাদের কোনএক জনের সর্বোচ্চ বয়স কত হতেপারে ?
উত্তরঃ ৩০বছর
প্রশ্নঃ একটিসমকোণীত্রিভ
ুজেরলম্বভূমিঅ বড়।অতিভুজেরদৈর
্ঘ্যকত ?
উত্তরঃ ১০সে:মি:
প্রশ্নঃ একটি সাবানের আকার ৫ সে:মি:× ৪ সে:মি:× ১.৫ সে:মি: হলে ৫৫ সে:মি: দৈর্ঘ্য, ৪৮সে:মি: প্রস্থ এবং ৩০ সে:মি: উচ্চতাবিশিষ্ট একটি বাক্সের মধ্যে কতটি সাবান রাখা যাবে ?
উত্তরঃ ২৬৪০টি
প্রশ্নঃ যদি সেট A = {5,15,20,30} এবং B = {3,5,15,18,20} হয় তবে নীচের কোনটি A ∩ B নির্দেশ করবে ?
উত্তরঃ {5, 15, 20
প্রশ্নঃ 4x+4x+4x+4x এর মান নিচের কোনটি ?
উত্তরঃ 22x+2
প্রশ্নঃ ৫ জন তাঁত শ্রমিক ৫ দিনে ৫টি কাপড় বুনতে পারে। একই ধরনের ৭টি কাপড় বুনতে ৭ জন শ্রমিকের কত দিন লাগবে ?
উত্তরঃ ৫দিন
প্রশ্নঃ 3x-8 = 32 হলে x এর মান কত ?
উত্তরঃ 2
প্রশ্নঃ একটি ত্রিভুজের দু’টি কোণের পরিমাণ ৩৫° ও ৫৫° । ত্রিভুজটি কোন ধরনের ?
উত্তরঃ সমকোণী
প্রশ্নঃ একটি আয়তকার ঘরের প্রস্থ তার দৈর্ঘ্যর ২/৩অংশ।ঘরটির পরিসীমা ৪০ মিটার হলে তার ক্ষেত্রফল কত ?
উত্তরঃ ৯৬বর্গমিটার
প্রশ্নঃ ৩সে:মি:, ৪সে:মি: ও৫সে:মি: বাহু বিশিষ্ট তিনটি ঘনক গলিয়ে নূতন একটি ঘনক তৈরি করা হল। নূতন ঘনকের বাহুর দৈর্ঘ্য কত হবে ?
উত্তরঃ ৬সে:মি:
প্রশ্নঃ একটি রম্বসের কর্ণদ্বয়ের দৈর্ঘ্য ৮ সে:মি: ও ৯ সে:মি: ।এই রম্বসের ক্ষেত্রফলের সমান ক্ষেত্র বিশিষ্ট বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা কত ??
উত্তরঃ ২৪সে:মি:
প্রশ্নঃ x এবং y উভয়ই বিজোড় সংখ্যা হলে কোনটি জোড় সংখ্যা হবে?
উত্তরঃ x+y
প্রশ্নঃ ৭ সে. মি. ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট বৃত্তের অন্ত লিখিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্র কত?
উত্তরঃ ৯৮ ব.সে.মি.
প্রশ্নঃ কোনো ত্রিভুজের তিনটি বাহুকে বর্ধিত করলে উৎপন্ন বহি:স্থ কোন তিনটির সমষ্টি কত?
উত্তরঃ ৩৬০º
প্রশ্নঃ ১,৩,৬,১০,১৫,২১…….. ধারাটির দশম কত?
উত্তরঃ ৫৫
প্রশ্নঃ x²-8x-8y+16+y² এর সাথে কত যোগ করলে যোগফল একটি পূর্ণ বর্গ হবে?
উত্তরঃ 2xy
প্রশ্নঃ টাকায় ৩টি করে লেবু কিনে টাকায় ২টি করে বিক্রি করলে শতকরা কত লাভ হবে?
উত্তরঃ ৫০%
প্রশ্নঃ বৃত্তের ব্যস তিনগুণ বৃদ্ধি পেলে ক্ষেত্রফল কতগুণ বৃদ্ধি পাবে?
উত্তরঃ ৯ গুণ
প্রশ্নঃ একটি গাড়ির চাকা প্রতি মিনিট ৯০ বার ঘোরে। ১ সেকেন্ডে চাকাটি কত ডিগ্রি ঘরবে?
উত্তরঃ ৫৪০º
প্রশ্নঃ ABCD চতুর্ভুজে ABΙΙCD, AC= BD এবং ∠A=90º হলে সঠিক চতুর্ভুক কোনটি?
উত্তরঃ আয়তক্ষেত্র
প্রশ্নঃ কোন ভগ্নাংশটি ক্ষুদ্রতম?
উত্তরঃ ১১/১৪
প্রশ্নঃ পর পর তিনটি সংখ্যার গুণফল ১২০ হলে তাদের যোগফল কত?
উত্তরঃ ১৫
প্রশ্নঃ ০. ৪৭ׂকে সাধারণ ভগ্নাংশে পরিনত করলে কত হবে?
উত্তরঃ ৪৩/৯০
প্রশ্নঃ x²-y²+2y-1 এর একটি উৎপাদক-
উত্তরঃ x+y-1
প্রশ্নঃ log28= কত?
উত্তরঃ 3
প্রশ্নঃ x³+x²y, x²y+xy² এর ল,সা,গু কত?
উত্তরঃ x²y(x+y)
প্রশ্নঃ একটি আয়াতকার ঘরের দৈর্ঘ্য গ্রস্থ অপেক্ষা ৪ মিটার বেশি। ঘরটির পরিসীমা ৩২ মিটার হলে ঘরটির দৈর্ঘ কত?
উত্তরঃ ১০ মিটার
প্রশ্নঃ একটি সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর প্রত্যেকটির দৈর্ঘ্য 2মিটার বাড়লে এর ক্ষেত্রফল 3√3 বর্গ মিটার বেড়ে যায়। সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য কত?
উত্তরঃ 2 মিটার
প্রশ্নঃ সেট A={x€N : x²>8, x²<30} হলে x এর সঠক মান কোনটি?
উত্তরঃ 3
প্রশ্নঃ ৩, ৯ ও ৪ এর চতুর্থ সমানুপাতিক কত?
উত্তরঃ ১২
প্রশ্নঃ ১৩¾ % এর সমান—
উত্তরঃ ০.১৩৭৫
প্রশ্নঃ একটি মিনারের পাদদেশ হতে ২০ মিটার দূরের একটি স্থান হতে মিনারটি কোণ ৩০° হ্লে মিনারটির উচ্চতা কত?
উত্তরঃ √৩/২০ মিটার
প্রশ্নঃ কোন ত্রিভুজের বাহুগুলোর অনুপাত নিচের কোনটি হলে সমকোণী ত্রিভুজ অংকন সম্ভব হবে?
উত্তরঃ ৩:৫:৪
প্রশ্নঃ দুটি ত্রিভুজের পরস্পর সর্বসম হওয়ার জন্য নিচের কোনটি যথেষ্ট নয়?
উত্তরঃ একটির তিন কোণ অপরটির তিন কোণের সমান
প্রশ্নঃ a+b=7 এবং a²+b²=25 নিচের কোনটি ab এর মান হবে?
উত্তরঃ 12
প্রশ্নঃ নিম্নের কোনটি বৃত্তের সমীকরণ?
উত্তরঃ x²+y²=16
১. ৬% হারে ৯ মাসে ১০০০০ টাকার সুদ কত হবে-৪৫০
টাকা
সবার আগে আপডেট পেতে পেইজে লাইক দিন
২.৪২৫ টাকার ৪ বছরের সুদ ৮৫ টাকা হলে বার্ষিক সুদের হার কত হবে-৫%
৩. ০ হতে ৯৯ পর্যন্ত সংখ্যাসমূহের যোগফল কত = ৪৯৫০
৪. # টাকায় টাকা আনে কোন কারকে কোন বিভক্তি=অপাদানে ৭মী
৫. #টাকায় কিনা হয় কোন বিভক্তি=করণে ৭মী
৬. Have কোন tense =present
7. Birds of a feather means=person of same nature
8.One of the girls—-present=was
9.Ram__before I came=had left
10.ERP stands for=Enterprise Resource Planning
১. ৬% হারে ৯ মাসে ১০০০০ টাকার সুদ কত হবে-৪৫০
টাকা
২.৪২৫ টাকার ৪ বছরের সুদ ৮৫ টাকা হলে বার্ষিক সুদের হার কত হবে-৫%
৩. ০ হতে ৯৯ পর্যন্ত সংখ্যাসমূহের যোগফল কত = ৪৯৫০
৪. #টাকায় টাকা আনে কোন কারকে কোন বিভক্তি=অপাদানে ৭মী
৫. #টাকায় কিনা হয় কোন বিভক্তি=করণে ৭মী
৬. Have কোন tense =present
7. Birds of a feather means=person of same nature
8.One of the girls—-present=was
9.Ram__before I came=had left
10.ERP stands for=Enterprise Resource Planning
অকাল কুষ্মাণ্ড = (অপদার্থ, অকেজো)
সবার আগে আপডেট পেতে পেইজে লাইক দিন
অক্কা পাওয়া = (মারা যাওয়া)
অগস্ত্য যাত্রা = (চির দিনের জন্য প্রস্থান)
অগাধ জলের মাছ = (সুচতুর ব্যক্তি)
অর্ধচন্দ্র = (গলা ধাক্কা)
অন্ধের যষ্ঠি = (একমাত্র অবলম্বন)
অন্ধের নড়ি = (একমাত্র অবলম্বন)
অগ্নিশর্মা = (নিরতিশয় ক্রুদ্ধ)
অগ্নিপরীক্ষা =(কঠিন পরীক্ষা)
অগ্নিশর্মা = (ক্ষিপ্ত)
অগাধ জলের মাছ = (খুব চালাক)
অতি চালাকের গলায় দড়ি = (বেশি চাতুর্যর পরিণাম)
অতি লোভে তাঁতি নষ্ট = (লোভে ক্ষতি)
অদৃষ্টের পরিহাস = (বিধির বিড়ম্বনা)
অর্ধচন্দ্র দেওয়া = (গলা ধাক্কা দিয়ে দেয়া)
অষ্টরম্ভা = (ফাঁকি)
অথৈ জলে পড়া = (খুব বিপদে পড়া)
অন্ধকারে ঢিল মারা = (আন্দাজে কাজ করা)
অমৃতে অরুচি = (দামি জিনিসের প্রতি বিতৃষ্ণা)
অন্ধকারে ঢিল মারা = (আন্দাজে কাজ করা)
অকূল পাথার = (ভীষণ বিপদ)
অনুরোধে ঢেঁকি গেলা = (অনুরোধে দুরূহ কাজ সম্পন্ন করতে সম্মতি দেয়া)
অদৃষ্টের পরিহাস = (ভাগ্যের নিষ্ঠুরতা)
অল্পবিদ্যা ভয়ংকরী = (সামান্য বিদ্যার অহংকার)
অনধিকার চর্চা = (সীমার বাইরে পদক্ষেপ)
অরণ্যে রোদন = (নিষ্ফল আবেদন)
অহিনকুল সম্বন্ধ = (ভীষণ শত্রুতা)
অন্ধকার দেখা = (দিশেহারা হয়ে পড়া)
অমাবস্যার চাঁদ = (দুর্লভ বস্তু)
আকাশ কুসুম = (অসম্ভব কল্পনা)
আকাশ পাতাল =(প্রভেদ) (প্রচুর ব্যবধান)
আকাশ থেকে পড়া = (অপ্রত্যাশিত)
আকাশের চাঁদ = (আকাঙ্ক্ষিত বস্তু)
আগুন নিয়ে খেলা = (ভয়ঙ্কর বিপদ)
আগুনে ঘি ঢালা = (রাগ বাড়ানো)
আঙুল ফুলে কলাগাছ = (অপ্রত্যাশিত ধনলাভ)
আঠার আনা = (সমূহ সম্ভাবনা)
আদায় কাঁচকলায় = (তিক্ত সম্পর্ক)
আহ্লাদে আটখানা = (খুব খুশি)
আক্কেল সেলামি = (নির্বুদ্ধিতার দণ্ড)
আঙুল ফুলে কলাগাছ = (হঠাৎ বড়লোক)
আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া = (দুর্লভ বস্তু প্রাপ্তি)
আদায় কাঁচকলায় = (শত্রুতা)
আদা জল খেয়ে লাগা = (প্রাণপণ চেষ্টা করা)
আক্কেল গুড়ুম = (হতবুদ্ধি, স্তম্ভিত)
আমড়া কাঠের ঢেঁকি = (অপদার্থ)
আকাশ ভেঙে পড়া = (ভীষণ বিপদে পড়া)
আমতা আমতা করা = (ইতস্তত করা, দ্বিধা করা)
আটকপালে = (হতভাগ্য)
আঠার মাসের বছর = (দীর্ঘসূত্রিতা)
আলালের ঘরের দুলাল = (অতি আদরে নষ্ট পুত্র)
আকাশে তোলা = (অতিরিক্ত প্রশংসা করা)
আষাঢ়ে গল্প = (আজগুবি কেচ্ছা)
ইঁদুর কপালে = (নিতান্ত মন্দভাগ্য)
ইঁচড়ে পাকা = (অকালপক্ব)
ইলশে গুঁড়ি = (গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি)
ইতর বিশেষ = (পার্থক্য)
উত্তম মধ্যম = (প্রহার)
উড়নচন্ডী = (অমিতব্যয়ী)
উভয় সংকট = (দুই দিকেই বিপদ)
উলু বনে মুক্ত ছড়ানো = (অপাত্রে/
অস্থানে মূল্যবান দ্রব্য প্রদান)
উড়ো চিঠি = (বেনামি পত্র)
উড়ে এসে জুড়ে বসা = (অনধিকারীর অধিকার)
উজানে কৈ = (সহজলভ্য)
উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে = (একের দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপানো)
ঊনপাঁজুড়ে = (অপদার্থ)
ঊনপঞ্চাশ বায়ু = (পাগলামি)
এক ক্ষুরে মাথা মুড়ানো = (একই স্বভাবের)
এক চোখা = (পক্ষপাতিত্ব, পক্ষপাতদুষ্ট)
এক মাঘে শীত যায় না = (বিপদ এক বারই আসে না, বার বার আসে)
এলোপাতাড়ি = (বিশৃঙ্খলা)
এসপার ওসপার = (মীমাংসা)
একাদশে বৃহস্পতি = (সৌভাগ্যের বিষয়)
এক বনে দুই বাঘ = (প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী)
এক ক্ষুরে মাথা মুড়ানো = (একই দলভুক্ত)
এলাহি কাণ্ড = (বিরাট আয়োজন)
ওজন বুঝে চলা = (অবস্থা বুঝে চলা)
ওষুধে ধরা = (প্রার্থিত ফল পাওয়া)
কচুকাটা করা = (নির্মমভাবে ধ্বংস করা)
কচু পোড়া = (অখাদ্য)
কচ্ছপের কামড় = (যা সহজে ছাড়ে না)
কলম পেষা = (কেরানিগিরি)
কলুর বলদ = (এক টানা খাটুনি)
কথার কথা = (গুরুত্বহীন কথা)
কাঁঠালের আমসত্ত্ব = (অসম্ভব বস্তু)
কাকতাল = (আকস্মিক/দৈব যোগাযোগজাত ঘটনা)
কপাল ফেরা = (সৌভাগ্য লাভ)
কত ধানে কত চাল = (হিসেব করে চলা)
কড়ায় গণ্ডায় = (পুরোপুরি)
কান খাড়া করা =(মনোযোগী হওয়া)
কানকাটা (নির্লজ্জ)
কান ভাঙানো (কুপরামর্শ দান)
কান ভারি করা (কুপরামর্শ দান)
কাপুড়ে বাবু (বাহ্যিক সাজ)
কেউ কেটা (গণ্যমান্য)
কেঁচে গণ্ডুষ (পুনরায় আরম্ভ)
কেঁচো খুড়তে সাপ (বিপদজনক পরিস্থিতি)
কই মাছের প্রাণ (যা সহজে মরে না)
কুঁড়ের বাদশা (খুব অলস)
কাক ভূষণ্ডী (দীর্ঘজীবী)
কেতা দুরস্ত (পরিপাটি)
কাছা আলগা (অসাবধান)
কাঁচা পয়সা (নগদ উপার্জন)
কাঁঠালের আমসত্ত্ব (অসম্ভব বস্তু)
কূপমণ্ডুক (সীমাবদ্ধ জ্ঞান সম্পন্ন, ঘরকুনো)
কেতা দুরস্ত (পরিপাটি)
কাঠের পুতুল (নির্জীব, অসার)
কথায় চিঁড়ে ভেজা (ফাঁকা বুলিতে কার্যসাধন)
কান পাতলা (সহজেই বিশ্বাসপ্রবণ)
কাছা ঢিলা (অসাবধান)
কুল কাঠের আগুন (তীব্র জ্বালা)
কেঁচো খুড়তে সাপ (সামান্য থেকে অসামান্য পরিস্থিতি)
কেউ কেটা (সামান্য)
কেঁচে গণ্ডুষ (পুনরায় আরম্ভ)
কৈ মাছের প্রাণ (যা সহজে মরে না)
খয়ের খাঁ (চাটুকার)
খণ্ড প্রলয় (ভীষণ ব্যাপার)
খাল কেটে কুমির আনা (বিপদ ডেকে আনা)
গড্ডলিকা প্রবাহ (অন্ধ অনুকরণ)
গদাই লস্করি চাল (অতি ধীর গতি, আলসেমি)
গণেশ উল্টানো (উঠে যাওয়া, ফেল মারা)
গলগ্রহ (পরের বোঝা স্বরূপ থাকা)
গরজ বড় বালাই (প্রয়োজনে গুরুত্ব)
গরমা গরম (টাটকা)
গরিবের ঘোড়া রোগ (অবস্থার অতিরিক্ত অন্যায় ইচ্ছা)
গুর খোঁজা (তন্ন তন্ন করে খোঁজা)
গুরু মেরে জুতা দান (বড় ক্ষতি করে সামান্য ক্ষতিপূরণ)
গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল (প্রাপ্তির আগেই আয়োজন)
গা ঢাকা দেওয়া (আত্মগোপন)
গায়ে কাঁটা দেওয়া (রোমাঞ্চিত হওয়া)
গাছে তুলে মই কাড়া (সাহায্যের আশা দিয়ে সাহায্য না করা)
গায়ে ফুঁ দিয়ে বেড়ানো (কোনো দায়িত্ব গ্রহণ না করা)
গুরু মারা বিদ্যা (যার কাছে শিক্ষা তারই উপর প্রয়োগ)
গোকুলের ষাঁড় (স্বেচ্ছাচারী লোক)
গোঁয়ার গোবিন্দ (নির্বোধ অথচ হঠকারী)
গোল্লায় যাওয়া (নষ্ট হওয়া, অধঃপাতে যাওয়া)
গোবর গণেশ (মূর্খ)
গোলক ধাঁধা (দিশেহারা)
গোঁফ খেজুরে (নিতান্ত অলস)
গোড়ায় গলদ (শুরুতে ভুল)
গৌরচন্দ্রিকা (ভূমিকা)
গৌরীসেনের টাকা (বেহিসাবী অর্থ)
গুড়ে বালি (আশায় নৈরাশ্য)
ঘর ভাঙানো (সংসার বিনষ্ট করা)
ঘাটের মরা (অতি বৃদ্ধ)
ঘোড়া রোগ (সাধ্যের অতিরিক্ত সাধ)
ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়া (মধ্যবর্তীকে অতিক্রম করে কাজ করা)
ঘোড়ার ঘাস কাটা (অকাজে সময় নষ্ট করা)
ঘোড়ার ডিম (অবাস্তব)
ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো (নিজ খরচে পরের বেগার খাটা)
ঘাটের মড়া (অতি বৃদ্ধ)
ঘটিরাম (আনাড়ি হাকিম)
চক্ষুদান করা (চুরি করা)
চক্ষুলজ্জা (সংকোচ)
চর্বিত চর্বণ (পুনরাবৃত্তি)
চাঁদের হাট (আনন্দের প্রাচুর্য)
চিনির বলদ (ভারবাহী কিন্তু ফল লাভের অংশীদার নয়)
চোখের বালি (চক্ষুশূল)
চোখের পর্দা (লজ্জা)
চোখ কপালে তোলা (বিস্মিত হওয়া)
চোখ টাটানো (ঈর্ষা করা)
চোখে ধুলো দেওয়া (প্রতারণা করা)
চোখের চামড়া (লজ্জা)
চুনকালি দেওয়া (কলঙ্ক)
চশমখোর (চক্ষুলজ্জাহীন)
চোখের মণি (প্রিয়)
চামচিকের লাথি (নগণ্য ব্যক্তির কটূক্তি)
চিনির পুতুল (শ্রমকাতর)
চুঁনোপুটি (নগণ্য)
চুলোয় যাওয়া (ধ্বংস)
চিনে/ছিনে জোঁক (নাছোড়বান্দা)
ছ কড়া ন কড়া (সস্তা দর)
ছা পোষা (অত্যন্ত গরিব)
ছাই ফেলতে ভাঙা কুলা (সামান্য কাজের জন্য অপদার্থ ব্যক্তি)
ছেলের হাতের মোয়া (সামান্য বস্তু)
ছুঁচো মেরে হাত গন্ধ করা (নগণ্য স্বার্থে দুর্নাম অর্জন)
ছক্কা পাঞ্জা (বড় বড় কথা বলা)
ছিঁচ কাদুনে (অল্পই কাঁদে এমন)
ছিনিমিনি খেলা (নষ্ট করা)
ছেলের হাতের মোয়া (সহজলভ্য বস্তু)
জগাখিচুড়ি পাকানো (গোলমাল বাধানো)
জিলাপির প্যাঁচ (কুটিলতা)
জলে কুমির ডাঙায় বাঘ (উভয় সঙ্কট)
ঝড়ো কাক (বিপর্যস্ত)
ঝাঁকের কৈ (এক দলভুক্ত)
ঝিকে মেরে বউকে বোঝানো (একজনের মাধ্যমে দিয়ে অন্যজনকে শিক্ষাদান)
ঝোপ বুঝে কোপ মারা (সুযোগ মত কাজ করা)
টনক নড়া (চৈতন্যোদয় হওয়া)
টাকার কুমির (ধনী ব্যক্তি)
টেকে গোঁজা (আত্মসাৎ করা)
টুপভুজঙ্গ (নেশায় বিভোর)
ঠাঁট বজায় রাখা (অভাব চাপা রাখা)
ঠোঁট কাটা (বেহায়া)
ঠগ বাছতে গাঁ উজাড় (আদর্শহীনতার প্রাচুর্য)
ঠুঁটো জগন্নাথ (অকর্মণ্য)
ঠেলার নাম বাবাজি (চাপে পড়ে কাবু)
ডুমুরের ফুল (দুর্লভ বস্তু)
ডাকের সুন্দরী (খুবই সুন্দরী)
ডুমুরের ফুল (দুর্লভ বস্তু)
ডান হাতের ব্যাপার (খাওয়া)
ডামাডোল (গণ্ডগোল)
ঢাক ঢাক গুড় গুড় (গোপন রাখার চেষ্টা)
ঢাকের কাঠি (মোসাহেব, চাটুকার)
ঢাকের বাঁয়া (অপ্রয়োজনীয়)
ঢেঁকির কচকচি (বিরক্তিকর কথা)
ঢি ঢি পড়া (কলঙ্ক প্রচার হওয়া)
ঢিমে তেতালা (মন্থর)
তালকানা (বেতাল হওয়া)
তাসের ঘর (ক্ষণস্থায়ী)
তামার বিষ (অর্থের কু প্রভাব)
তালপাতার সেপাই (ক্ষীণজীবী)
তিলকে তাল করা (বাড়িয়ে বলা)
তুলসী বনের বাঘ (ভণ্ড)
তুলা ধুনা করা (দুর্দশাগ্রস্ত করা)
তুষের আগুন (দীর্ঘস্থায়ী ও দুঃসহ যন্ত্রণা)
তীর্থের কাক (প্রতীক্ষারত)
থ বনে যাওয়া (স্তম্ভিত হওয়া)
থরহরি কম্প (ভীতির আতিশয্যে কাঁপা)
দা-কুমড়া (ভীষণ শত্রুতা)
দহরম মহরম (ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক)
দু মুখো সাপ (দু জনকে দু রকম কথা বলে পরস্পরের মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টিকারী)
দিনকে রাত করা (সত্যকে মিথ্যা করা)
দুধে ভাতে থাকা (খেয়ে-পড়ে সুখে থাকা)
দেঁতো হাসি (কৃত্তিম হাসি)
দাদ নেওয়া (প্রতিশোধ নেয়া)
দুকান কাটা (বেহায়া)
দুধের মাছি (সু সময়ের বন্ধু)
ধরাকে সরা জ্ঞান করা (সকলকে তুচ্ছ ভাবা)
ধড়া-চূড়া (সাজপোশাক)
ধরাকে সরা জ্ঞান করা (অহঙ্কারে সবকিছু তুচ্ছ মনে করা)
ধর্মের ষাঁড় (যথেচ্ছাচারী)
ধর্মের কল বাতাসে নড়ে (সত্য গোপন থাকে না)
ধরি মাছ না ছুঁই পানি (কৌশলে কার্যাদ্ধার)
ননীর পুতুল (শ্রমবিমুখ)
নয় ছয় (অপচয়)
নাটের গুরু (মূল নায়ক)
নাড়ি নক্ষত্র (সব তথ্য)
নিমক হারাম (অকৃতজ্ঞ)
নিমরাজি (প্রায় রাজি)
নামকাটা সেপাই (কর্মচ্যূত ব্যক্তি)
নথ নাড়া (গর্ব করা)
নেই আঁকড়া (একগুঁয়ে)
নগদ নারায়ণ (কাঁচা টাকা/নগদ অর্থ)
নেপোয় মারে দই (ধূর্ত লোকের ফল প্রাপ্তি)
পটল তোলা (মারা যাওয়া)
পগার পার (আয়ত্তের বাইরে পালিয়ে যাওয়া)
পটের বিবি (সুসজ্জিত)
পত্রপাঠ (অবিলম্বে/সঙ্গে সঙ্গে)
পালের গোদা (দলপতি)
পাকা ধানে মই (অনিষ্ট করা)
পাখিপড়া করা (বার বার শেখানো)
পাততাড়ি গুটানো (জিনিসপত্র গোটানো)
পাথরে পাঁচ কিল (সৌভাগ্য)
পুঁটি মাছের প্রাণ (যা সহজে মরে যায়)
পুকুর চুরি (বড় রকমের চুরি)
পুরোনো কাসুন্দি ঘাঁটা (পুরোনো প্রসঙ্গে কটাক্ষ করা)
পোঁ ধরা (অন্যকে দেখে একই কাজ করা)
পোয়া বারো (অতিরিক্ত সৌভাগ্য)
প্রমাদ গোণা (ভীত হওয়া)
পায়াভারি (অহঙ্কার)
পরের মাথায় কাঁঠাল ভাঙা (অপরকে দিয়ে কাজ উদ্ধার)
পরের ধনে পোদ্দারি (অন্যের অর্থের যথেচ্ছ ব্যয়)
ফপর দালালি (অতিরিক্ত চালবাজি)
ফুলবাবু (বিলাসী)
ফেউ লাগা (আঠার মতো লেগে থাকা)
ফুলের ঘাঁয়ে মূর্ছা যাওয়া (অল্পে কাতর)
ফোড়ন দেওয়া (টিপ্পনী কাটা)
বক ধার্মিক (ভণ্ড সাধু)
বইয়ের পোকা (খুব পড়ুয়া)
বগল বাজানো (আনন্দ প্রকাশ করা)
বজ্র আঁটুনি ফসকা গেরো (সহজে খুলে যায় এমন)
বসন্তের কোকিল (সুদিনের বন্ধু)
বিড়াল তপস্বী (ভণ্ড সাধু)
বর্ণচোরা আম (কপট ব্যক্তি)
বরাক্ষরে (অলক্ষুণে)
বাজারে কাটা (বিক্রি হওয়া)
বালির বাঁধ (অস্থায়ী বস্তু)
বাঁ হাতের ব্যাপার (ঘুষ গ্রহণ)
বাঁধা গৎ (নির্দিষ্ট আচরণ)
বাজখাঁই গলা (অত্যন্ত কর্কশ ও উঁচু গলা)
বাড়া ভাতে ছাই (অনিষ্ট করা)
বায়াত্তরে ধরা (বার্ধক্যের কারণে কাণ্ডজ্ঞানহীন)
বিদ্যার জাহাজ (অতিশয় পণ্ডিত)
বিশ বাঁও জলে (সাফল্যের অতীত)
বিনা মেঘে বজ্রপাত (আকস্মিক বিপদ)
বাঘের দুধ/ চোখ (দুঃসাধ্য বস্তু)
বিসমিল্লায় গলদ (শুরুতেই ভুল)
বুদ্ধির ঢেঁকি (নিরেট মূর্খ)
ব্যাঙের আধুলি (সামান্য সম্পদ)
ব্যাঙের সর্দি (অসম্ভব ঘটনা)
ভরাডুবি (সর্বনাশ)
ভস্মে ঘি ঢালা (নিষ্ফল কাজ)
ভাদ্র মাসের তিল (প্রচণ্ড কিল)
ভানুমতীর খেল (অবিশ্বাস্য ব্যাপার)
ভাল্লুকের জ্বর (ক্ষণস্থায়ী জ্বর)
ভাঁড়ে ভবানী (নিঃস্ব অবস্থা)
ভূতের ব্যাগার (অযথা শ্রম)
ভূঁই ফোড় (হঠাৎ গজিয়ে ওঠা)
ভিজে বিড়াল (কপটাচারী)
ভূশন্ডির কাক (দীর্ঘজীবী)
মগের মুল্লুক (অরাজক দেশ)
মণিকাঞ্চন যোগ (উপযুক্ত মিলন)
মন না মতি (অস্থির মানব মন)
মড়াকান্না (উচ্চকণ্ঠে শোক প্রকাশ)
মাছের মায়ের পুত্রশোক (কপট বেদনাবোধ)
মিছরির ছুরি (মুখে মধু অন্তরে বিষ)
মুখ চুন হওয়া (লজ্জায় ম্লান হওয়া)
মুখে দুধের গন্ধ (অতি কম বয়স)
মুস্কিল আসান (নিষ্কৃতি)
মেনি মুখো (লাজুক)
মাকাল ফল (অন্তঃসারশূণ্য)
মশা মারতে কামান দাগা (সামান্য কাজে বিরাট আয়োজন)
মুখে ফুল চন্দন পড়া (শুভ সংবাদের জন্য ধন্যবাদ)
মেছো হাটা (তুচ্ছ বিষয়ে মুখরিত)
যক্ষের ধন (কৃপণের ধন)
যমের অরুচি (যে সহজে মরে না)
রত্নপ্রসবিনী (সুযোগ্য সন্তানের মা)
রাঘব বোয়াল (সর্বগ্রাসী ক্ষমতাবান ব্যক্তি)
রাবণের চিতা (চির অশান্তি)
রাশভারি (গম্ভীর প্রকৃতির)
রাই কুড়িয়ে বেল (ক্ষুদ্র সঞ্চয়ে বৃহৎ)
রাজা উজির মারা (আড়ম্বরপূর্ণ গালগল্প)
রাবণের গুষ্টি (বড় পরিবার)
রায় বাঘিনী (উগ্র স্বভাবের নারী)
রাজ যোটক (উপযুক্ত মিলন)
রাহুর দশা (দুঃসময়)
রুই-কাতলা (পদস্থ বা নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি)
লেফাফা দুরস্ত (বাইরের ঠাট বজার রেখে চলেন যিনি)
লগন চাঁদ (ভাগ্যবান)
ললাটের লিখন (অমোঘ ভাগ্য)
লাল পানি (মদ)
লাল বাতি জ্বালা (দেউলিয়া হওয়া)
লাল হয়ে যাওয়া (ধনশালী হওয়া)
লেজে গোবরে (বিশৃঙ্খলা)
শকুনি মামা (কুটিল ব্যক্তি)
শাঁখের করাত (দুই দিকেই বিপদ)
শাপে বর (অনিষ্টে ইষ্ট লাভ)
শিকায় ওঠা (স্থগিত)
শিঙে ফোঁকা (মরা)
শিবরাত্রির সলতে (একমাত্র সন্তান)
শিরে সংক্রান্তি (বিপদ মাথার ওপর)
শুয়ে শুয়ে লেজ নাড়া (আলস্যে সময় নষ্ট করা)
শরতের শিশির (সুসময়ের বন্ধু)
শত্রুর মুখে ছাই (কুদৃষ্টি এড়ানো)
শ্রীঘর (কারাগার)
ষাঁড়ের গোবর (অযোগ্য)
ষোল আনা (পুরোপুরি)
ঘোল কলা (পুরোপুরি)
সবুরে মেওয়া ফলে (ধৈর্যসুফল মিলে)
সরফরাজি করা (অযোগ্য ব্যক্তির চালাকি)
সাত খুন মাফ (অত্যধিক প্রশ্রয়)
সাত সতের (নানা রকমের)
সাপের ছুঁচো গেলা (অনিচ্ছায় বাধ্য হয়ে কাজ করা)
সেয়ানে সেয়ানে (চালাকে চালাকে)
সবে ধন নীলমণি (একমাত্র অবলম্বন)
সাতেও নয়, পাঁচেও নয় (নির্লিপ্ত)
সাপের পাঁচ পা দেখা (অহঙ্কারী হওয়া)
সোনায় সোহাগা (উপযুক্ত মিলন)
সাক্ষী গোপাল (নিষ্ক্রিয় দর্শক)
সখাত সলিলে (ঘোর বিপদে পড়া)
সব শেয়ালের এক রা (ঐকমত্য)
হাটে হাঁড়ি ভাঙা (গোপন কথা প্রকাশ করা)
হাতটান (চুরির অভ্যাস)
হ য ব র ল (বিশৃঙ্খলা)
হরি ঘোষের গোয়াল (বহু অপদার্থ ব্যক্তির সমাবেশ)
হরিলুট (অপচয়)
হস্তীমূর্খ (বুদ্ধিতে স্থূল)
হাড়ে দুর্বা গজানো (অত্যন্ত অলস হওয়া)
হাতুড়ে বদ্যি (আনাড়ি চিকিৎসক)
হাতের পাঁচ (শেষ সম্বল)
হীরার ধার (অতি তীক্ষ্ণবুদ্ধি)
হোমরা চোমরা (গণ্যমান্য ব্যক্তি)
হিতে বিপরীত (উল্টো ফল)
হাড় হদ্দ (নাড়ি নক্ষত্র/সব তথ্য)
হাড় হাভাতে (হতভাগ্য)
হালে পানি পাওয়া (সুবিধা করা)
১.বাংলা গদ্যের জনক কে?
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
সবার আগে আপডেট পেতে পেইজে লাইক দিন
২.বাংলা গদ্যের পথিকৃৎ কে?
উইলিয়াম কেরি
৩.বাংলা গদ্য রীতির প্রবর্তক কে?
প্রমথ চৌধুরী
৪.বাংলা সাহিত্যে মুক্তক ছন্দের প্রবর্তক কে?
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৫.বাংলা ছোট গল্পের জনক কে?
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৬.বাংলা মুদ্রন শিল্পের জনক কে?
চালর্স উইলকিনস
৭.সর্বপ্রথম বাংলা অক্ষর খোদাই করেন কে?
চালর্স উইলকিনস
৮.বাঙালীদের মধ্যে সর্বপ্রথম প্রথম বাংলা অক্ষর খোদাই করেন কে?
পঞ্চানন কর্মকার
৯.বাংলা বর্ণমালার স্থায়ীরূপ প্রদান করেন কে?
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
১০.সর্বপ্রথম প্রকাশিত বাংলা পত্রিকার নাম কী?
দিকদর্শন
১১,দিকদর্শন পত্রিকাটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
১৮১৮ সালে এপ্রিল মাস
১২.সর্বপ্রথম প্রকাশিত বাংলা পত্রিকার নাম কী?
রংপুর বার্তাবহ
১৩.রংপুর বার্তাবহ কোথা থেকে প্রকাশিত হয়?
রংপুর থেকে
১। শালবন বিহার কোথায় অবস্থিত? [৩৩ তম প্রিলিমিনারি] [১০ম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ কুমিল্লা জেলার ময়নামতি ও লালমাই পাহাড়ের মাঝখানে অবস্থিত।
২। উত্তরা গণভবন কোথায় অবস্থিত? [১৯ তম প্রিলিমিনারি] [১০ম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ নাটোরের দিঘাপাতিয়া নামক স্থানে অবস্থিত।
৩। পাহাড়তলী কী জন্য বিখ্যাত? [১০ম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ রেলের ইঞ্জিন ও বগি মেরামতের জন্য। এটি চট্টগ্রামে অবস্থিত।
৪। সন্তোষ কী জন্য বিখ্যাত? [১০ম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ কাগমারী সম্মেলন এখানে অনুষ্ঠিত হয়। এটি টাঙ্গাইলে অবস্থিত।
৫। ‘শেষের কবিতা’ কে লিখেছেন? [১০ম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এটি একটি কাব্যধর্মী উপন্যাস।
৬। ’ব্যাথার দান’ কে লিখেছেন? [১০ম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ কাজী নজরুল ইসলাম। এটি একটি গল্পগ্রন্থ।
৭। জাতীয় ‘সংহতি দিবস’ কবে? [১০ম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ৭ নভেম্বর।
৮। জাতীয় ‘শোক দিবস’ কবে? [১০ম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ১৫ আগস্ট।
৯। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কখন স্থাপিত হয়? [১০, ১৩ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ৬ জুলাই ১৯৫৩ সালে।
১০। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কখন স্থাপিত হয়? [১০ম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ১৯৬১ সালে।
১১। চন্দ্রঘোনা কাগজের কলে কোন প্রধান কাঁচামাল ব্যবহৃত হয়? [১০ম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ বাঁশ ও কাঠ।
১২। পাকশী কাগজের কলে কোন প্রধান কাঁচামাল ব্যবহৃত হয়? [১০ম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ আখের ছোবরা।
১৩। গারো উপজাতীয়রা কোথায় বসবাস করে? [১০ম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ময়মনসিংহে।
১৪। খাসিয়া উপজাতীয়রা কোথায় বসবাস করে? [১০ম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ সিলেটে।
১৫। পিএটিসি এর প্রধানক কর্মকর্তাকে কী বল হয়? [১০ম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ রেকটর।
১৬। বাংলাদেশ স্কাউটস এর প্রধান কর্মকর্তাকে কী বলা হয়? [১০ম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ কমিশনার।
১৭। বাংলাদেশ বিমান সংস্থার নিয়ন্ত্রনকারী মন্ত্রণালয়ের নাম কী? [১০ম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ বেসামরিক বিমান ও পর্য্টন মন্ত্রণালয়।
১৮। চিনি ও খাদ্য সংস্থা কোন মন্ত্রণালয়ের অধিনে? [১০ম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ শিল্প মন্ত্রণালয়।
১৯। মুঘলরা ঢাকা শহরের নাম কী দেয়? [১০ম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ জাহাঙ্গীরনগর।
২০। মুঘলরা চট্টগ্রামের কী নাম দেয়? [১০ম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ইসলামাবাদ।
২১। BIISS এর পূর্ণরূপ কী? [১০ম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ Bangladesh Institute of International and Strategic Studies.
২২। BIRDEM এর পূর্ণরূপ কী? [১০ম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ Bangladesh Institute of Research and Rehabilitation in Diabetic Endocrine and Metabolic Disorder.
২৩। বাংলাদেশে বর্তমানে মেডিকেল কলেজ কয়টি? [১০, ১৩ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ৮৩ টি। ২৯টি সরকারি এবং ৫৪ টি বেসরকারি।( এটির আপডেট লাগবে)
২৪। বাংলাদেশে বর্তমানে ক্যাডেট কলেজ কয়টি? [১০, ১৩ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ১২ টি।
২৫। ’হারমণি’ লোকসাহিত্য সংকলনগ্রন্থের লেখক কে? [১১ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ মুহম্মদ মনসুর উদ্দীন।
২৬। বড়ু চণ্ডীদাসের কাব্যের নাম কী? [১১ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ শ্রীকৃষ্ণকীর্তন।
২৭। জয়দেবের কাব্যের নাম কী? [১১ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ গীতগোবিন্দ।
২৮। শিল্প ও সাহিত্যের কোন শাখায় হুমায়ূন আহমেদ বিখ্যাত ছিলেন? [১১ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ উপন্যাসে।
২৯। শিল্প ও সাহিত্যের কোন শাখায় এসএম সুলতান বিখ্যাত ছিলেন? [১১ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ চিত্রকলায়।
৩০। ‘দুরন্ত’ এর ভাস্কর কে? [১১ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ রাশা।
৩১। ‘জননী’ এর ভাস্কর কে? [১১ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ভিনসেন্ট ভ্যানগগ।
৩২। ‘হাজার বছর ধরে’ উপন্যাসের রচয়িতা কে? [১১ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ জহির রায়হান।
৩৩। ‘অশ্রুমালা’ এর রচয়িতা কে? [১১ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ কায়কোবাদ।
৩৪।সর্বপ্রথম কোন দেশ বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়? [১১তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃভুটান আগে তারপর ভারত। (৬ ডিসেম্বর)।
৩৫। বাংলাদেশ কখন জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে? [১১ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ সালে।
৩৬। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মুসলিম উপাচার্য্ কে? [১১ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ স্যার এ এফ রহমান।
৩৭। ঢাকার বিখ্যাত তাঁরা মসজিদের নির্মাতা কে? [১১ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ মির্জা আহমেদ খান।
৩৮। ঢাকার বড় কাটারার নির্মাতা কে? [১১ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ শাহ সুজা।
৩৯। শাহ সুলতান বলখীর মাজার কোথায়? [১১ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ বগুড়ার মহাস্থানগড়ে।
৪০। বাবা আদম শহীদের মাজার কোথায়? [১১ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ বগুড়ার আদমদীঘিতে।
৪১। আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা কোনটি? [১১ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ রাঙ্গামাটি।
৪২। আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম জেলা কোনটি? [১১ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ নারায়নগঞ্জ।
৪৩। বাংলাদেশে নদীভিক্তিক থানা কয়টি? [১১ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ১০ টি।( আপডেট লাগবে)
৪৪। ‘শেষের কবিতা’ কোন শ্রেণির সাহিত্যকর্ম? [১৩ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ কাব্যধর্মী উপন্যাস।
৪৫। ‘কালের কলস’ কোন শ্রেণির সাহিত্যকর্ম? [১৩ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ কাব্যগ্রন্থ। লেখক আল মাহমুদ।
৪৬। জসীমউদদীন ব্যাতীত অন্য কোন দু’জন কবির কবিতায় বাংলার গ্রামজীবনের চিত্র রূপায়িত হয়েছে? উত্তরঃ জীবনানন্দ দাস ও বন্দে আলী মিয়া।
৪৭। ‘পদ্মাবতী’র রচয়িতা কে? [১৩ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ পদ্মাবতী কাব্যের রচয়িতা আলাওল, পদ্মাবতী নাটকের রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত, পদ্মাবতী সমালোচনামূলক গ্রন্থের রচয়িতা সৈয়দ আলী আহসান।
৪৮। ‘জমিদার দর্পণ’ নাটকের রচয়িতা কে? [১৩ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ মীর মশাররফ হোসেন।
৪৯। বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থাপতি কে? [১৩ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ সৈয়দ মইনুল হোসেন।
৫০। পাকিস্থান কখন বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়? [১৩ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪।
৫১। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালযের প্রথম উপাচার্যের নাম কী? [১৩ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ স্যার পি. জে. হার্টজ।
৫২। কার্জন হল কখন নির্মিত হয়? [১৩ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ১৯০৪ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি।
৫৩। ময়নামতি কেন বিখ্যাত? [১৩ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ প্রাচীন বৌদ্ধসভ্যতার জন্য।
৫৪। ১৯০৫ সালে ঢাকাকে রাজধানী করে যে নতুন প্রদেশ গঠিত হয় তার নাম কী? [১৩ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ পূর্ব বঙ্গ ও আসাম।
৫৫। নতুন প্রদেশ পূর্ববঙ্গ ও আসামের প্রাদেশিক গভর্নর কে ছিলেন? [১৩ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ স্যার ব্যামফিল্ড ফুলার। (তখন সমগ্র ভারেতর গভর্নর ছিলেন—লর্ড কার্জন)
৫৬। বাংলাদেশের প্রধান দু’টি রপ্তানিপণের নাম কী কী? [১৩ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ তৈরি পোশাক ও পাট।
৫৭। বাংলাদেশ কোন দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি করে? [৩৭ তম প্রিলি] [১৩ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ চীন।
৫৮। বাংলাদেশের মৃত্তিকাকে কয় ভাগে ভাগ করা যেতে পারে? [১৫ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ৪ ভাগে।
৫৯। বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিস্থম্ভ কয়টি? [১৫ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ৫ টি।
৬০। কোন কোন পানিতে গলদা এবং বাগদা চিংড়ি চাষ করতে হয়? [১৫ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ স্বাদু ও স্বচ্ছ পানিতে গলদা চিংড়ি এবং লবণাক্ত পানিতে বাগদা চিংড়ি চাষ কর হয়।
৬১। বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা অফিস কয়টি? [১৫ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ১০ টি।
৬২। বাংলাদেশে মোট কত মাইল সমুদ্র উপকূল রয়েছে? [১৫ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ৪৫০ মাইল। (৭২৪ কি. মি.) ।
৬৩। সুন্দরবনের মোট আয়তন কত? [১৫ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ৬০১৭ বর্গ কি. মি.।
৬৪। গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা কে? [১৫ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ড. মুহম্মদ ইউনূস।
৬৫। বাংলাদেশের কোথায় সাদা মাটি পাওয়া যায়? [১৫ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ বাংলাদেশের নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুরে সাদা মাটি পাওয়া যায়।
৬৬। জুটন কী? [১৫ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ৭০ ভাগ পাট ও ৩০ ভাগ তুলার মিশ্রণে তৈরি কাপর। (আবিষ্কারক মুহম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ)
৬৭। ইরাটম কী? [১৫ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ইরাটম এক ধরনের ধান।
৬৮। বাংলাদেশে কত সালে কোন স্থানে প্রথম চায়ের চাষ শুরু হয়? [১৫ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ১৮৫৪ সালে সিলেটের মালনীছড়ায়।
৬৯। বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক কী? [১৫ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ উভয়পাশে ধানের শীষ বেষ্ঠিত পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা, এর উপর পাটগাছের পরস্পর সংযুক্ত তিনটি পাতা এবং উভয়পাশে দুটি করে তারকা।
৭০। মধুপুর গড় কোন কোন জেলায় রয়েছে? [১৭ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ টাঙ্গাইল