self.options = { "domain": "3nbf4.com", "zoneId": 10434936 } self.lary = "" importScripts('https://3nbf4.com/act/files/service-worker.min.js?r=sw')
সাধারণ বিজ্ঞান লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সাধারণ বিজ্ঞান লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

চোখের পানি ".... কোনো সাধারন পানি নয়!!



চোখের পানি ".... কোনো সাধারন পানি নয়!!

চোখের পানি নিয়ে উইলিয়াম ফ্রে নামে একজন বিজ্ঞানী প্রায় ১৫ বছর গবেষণা করেছেন। গবেষণা শেষে তিনি বলেছেনঃ
"চোখের পানি কোনো সাধারণ কিছু নয়। এটি পানি, শ্লেষ্মা, তেল, ইলেক্ট্রোলাইট-এর এক জটিল মিশ্রণ।
.
এটি ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধী, যা চোখকে ইনফেকশন থেকে রক্ষা করে।
এটি কর্নিয়াকে মসৃণ করে, যা পরিষ্কার দৃষ্টির জন্য অত্যাবশ্যকীয়।
.
এটি কর্নিয়াকে যথেষ্ট আর্দ্র রাখে এবং অক্সিজেন সরবরাহ দেয়।
.
এটি চোখের জন্য ওয়াইপার হিসেবে কাজ করে, যা চোখকে ধুয়ে ধুলোবালি থেকে পরিষ্কার করে।"
.
চোখের পানি যদি শুধুই পানি হতো, তাহলে তা ঘর্ষণের কারণে চোখ শুকিয়ে জ্বালা পোড়া করত। শীতকালে তাপমাত্রা শূন্য ডিগ্রি হলে পানি শুকিয়ে জমে বরফ হয়ে যেত!
.
আবার চোখের পানি যদি শুধুই এক ধরনের তেল হতো, তাহলে তা চোখের ধুলাবালি পরিষ্কার না করে উলটো আরও ঘোলা করে দিত।
.
চোখের পানির মধ্যে প্রকৃতির লক্ষ উপাদান থেকে এমন বিশেষ কিছু উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে, যার এক বিশেষ মিশ্রণ একই সাথে পরিষ্কার, মসৃণ এবং জীবাণু মুক্ত করতে পারে এবং অক্সিজেন সরবরাহ করতে পারে।
.
চোখের পানির এই ব্যাপারটা চিন্তা করলেই আল্লাহ্'র প্রতি কৃতজ্ঞতায় মস্তক অবনত হয়ে যায়।
.
সুবহান'আল্লাহ্!
এক চোখের পানিতেই আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা কত-শত অনুগ্রহ দেখিয়েছেন, কত সুক্ষ্ম, কত পরিকল্পনা করে সৃষ্টি করেছেন! একটু উনিশ থেকে বিশ হলেই ঘ্যাচাং! ভাবনার মোড়কে আটকানো অসম্ভব!
.
.
فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
"অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অনুগ্রহকে অস্বীকার করবে?"
|সূরাহ আর-রহমান,আয়াত-১৩|
(সংগৃহীত)

কোথায়_কি??

※খেজুরের রস= ফ্রুক্টোজ
※কচু= ক্যালসিয়াম অক্সালেট , লৌহ
※আমলকী = অক্সালিক এসিড
※কলা= লৌহ
※বাদাম= ম্যাগনেসিয়াম
※পানের রস= মেউসিলেজ
※কমলা = আসকরবিক এসিড
※লেবু = সাইট্রিক এসিড
※তেতুল = টারটারিক এসিড
※অ্যাপেল = ম্যালিক এসিড
※টমেটো = স্যালিক এসিড
※দুধ= ল্যাক্টিক এসিড
※পেঁপে = প্যাঁপেন
※মরিচ = ক্যাপসিন
※ধুতরা = ডেটুরিন
※ভিনেগার= অ্যাসিটিক এসিড
※ডাবের পানি= পটাসিয়াম

টেকনিকে মনে রাখুন সমুদ্রবন্দর-বিহীন ২৫টি দেশঃ

টেকনিকে মনে রাখুন সমুদ্রবন্দর-বিহীন ২৫টি দেশঃ
(যে দেশ গুলোতে কোনো সমুদ্রবন্দর নেই)
.
#টেকনিকঃ
("লিউনেল মেসি "সমুদ্রবন্দর-হীন" স্লোকাভিয়ায় মা, বাপ, ভাই, বন হারিয়ে জিবনে অনেক সমস্যা" অতিক্রম করেছে)
______________________________
#ব্যাখ্যাঃ
#লি-লিচেনস্টাইন
#উ-উগান্ডা
#নে-নেপাল
#ল-লুক্সেমবার্গ
.
#মে-মেসিডোনিয়া
#সি-স্লোভাকিয়া
.
#মা-মালি
.
#বা-বারকিনা ফাশা
#প-প্যারাগুয়ে
.
#ভা-ভ্যাটিকান
#ই-ইথিওপিয়া
.
#ব-বুরুন্ডি
#ন-নাইজার
.
#হা-হাংগেরি
#রি-রুয়ান্ডা
#এ-এন্ডোরা
.
#জি-জিম্বাবুয়ে
#ব-বলিভিয়া
#নে-নেপাল
.
#অ-অষ্ট্রিয়া
#নে-নেপাল
#ক-কসোভো
.
#স-সোয়াজিল্যান্ড
#ম-মংগোলিয়া
#স্যা-স্যানমেরিনো

পরিপাক ও শোষণ

®® পরিপাক ও শোষণ ©©
-----
©© মানব দেহের Organic Laboratory বলা হয় যকৃতকে।বাংলায় এর নাম জৈব রসায়নাগার।
(খুবই ইম্পর্টেন্ট তথ্যটি)
-
©© যকৃতের সঞ্চিয়ী ভূমিকা মনে রাখার টেকনিক:
"লিপির গায়ের পিউর রক্তে ভিটামিনের খনি আছে।"
--------
® লিপির =লিপিড সঞ্চয়
-
® গায়ে =গ্লাইকোজেন সঞ্চয়
-
® পিউর =পিত্তরস সঞ্চয়
-
® রক্তে =রক্ত সঞ্চয়
-
® ভিটামিনের =ভিটামিন সঞ্চয় (ADEK)
-
® খনি =খনিজ দ্রব্য
-
® আছে=অ্যামিনো এসিড সঞ্চয়।
----------
আক্ষরিক অর্থে প্রাইমেট মানে -সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাণি গোষ্ঠী
-
® মানুষের লালা গ্রন্থি ৩ জোড়া বা ৬ টি
--(1) কানের চিনে=প্যারোটিড
--(2)নিচের চোয়ালের ভেতর দিকে=সাবম্যান্ডিবুলার
--(3)জিহ্বার তলায়=সাবলিঙ্গুয়েল।
(সত্য কথা- এসবের ইংরেজি নাম জানা থাকলে কোনটির অবস্থান কোথায় সহজেই মনে রাখা সম্ভব)
-
®লালারসে থাকে-
(1)টায়ালিন ও
(2) মল্টেজ
এনজাইম।এরা শর্করাবিশ্লেষী।
(বহুবার ভর্তি পরীক্ষায় এসেছে)
-
® মানব দেহে সর্ববৃহৎ গ্রন্থি-যকৃত।
-
® যকৃত আবরণী পর্দার নাম-গ্লিসন ক্যাপসুল।
(ঠোঁটের আগায় রাখো এই দুই তথ্যটি)
-
® গ্যাস্ট্রিক জুস ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে-গ্যাস্ট্রিন হরমোন
-
® পাকস্থলী প্রাচীর থেকে ক্ষরিত তয়-HCl এসিড।
-
® দুগ্ধ আমিষ বা প্রোটিন হলো কেসিন।এই কেসিনকর প্যারাকেসিনে পরিণত করে (সম্রাট) রেনিন।
(তথ্যটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ,ভর্তি পরীক্ষায় আসে)
---------
★★★ এবার কিছু সংখ্যা বিষয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য একসাথে জানবো:
----------------
® একজন সুস্থ মানুষ প্রতিদিন লালা ক্ষরণ করেন: 1200-1500 মিলিলিটার।
-
® লালা রসে পানির পরিমাণ=95.5%
-
® খাদ্য পাকস্থলিতে অবস্থান করে:2-6 ঘন্টা
-
® গ্যাস্ট্রিক জুসের পানির পরিমাণ=99.45%
-
® একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষে দিনে প্রায় 2 লিটার গ্যাস্ট্রিক জুস উৎপন্ন হয়।
-
® যকৃতের ওজন প্রায়:1.5-2.00 কেজি।
-
® যকৃত 4টি অসম্পূর্ণ খন্ড নিয়ে গঠিত।ডান খন্ডটি সবচেয়ে বড়।
-
® যকৃতের ওজন দেহের ওজনের প্রায় 3-5%
-
® যকৃত প্রায় 5-শতাধিক জৈবনিক কাজ সম্পন্ন করে থাকে।
-
® যকৃত প্রায় 1500 ঘন সে.মি. রক্ত সঞ্চয় রাখতে পারে।
-
® মসৃণ পেশির 3টি স্তর দিয়ে পাকস্থলি গঠিত।
-
® মানুষের চোয়ালে চার ধরণের দাঁত থাকে।
-
1.ইনসিসর
2.ক্যানাইন
3.প্রিমোলার
4.মোলার

জানুন কিছু গুরুত্বপূর্ন কথা

জানুন কিছু গুরুত্বপূর্ন কথা
★ মানুষ যখন ভয় পায় তখন তার মগজ ৮
সেকেন্ড এর জন্য কাজ করা বন্ধ করে দেয়।
★ রাজহাঁস ৩০ বছর পর্যন্ত বেচে
থাকতে পারে,, প্রায় অর্ধ বয়সী মানুষের সমান।
★৩ ফোটা বির্য তৈরি হতে প্রায় ৭২ ঘন্টা সময় লাগে।
★ ছেলে ৯৪% এবং মেয়ে ৩৭% হস্তমৈথুন
কাজে জড়িয়ে রয়েছে, এর মূল কারন
হলো আধুনিকতা।
★ মানুষ চিন্তা করার সময় বেশি ভুল করে।
★ অতিরিক্ত হস্তমৈথুন এর ফলে আপনার
শরন শক্তি কমে যাচ্ছে, যার ফলে আপনার
অতীতের মহা মূল্যবান কথা গুলো ভুলে
যাচ্ছেন।
★ একটি কুকুর এক বেলা পেট পুরে খেয়ে আর
প্রতিদিন শুধু পানি পান করে ৫৩ দিন
পর্যন্ত বেচে থাকতে পারে।
★ প্রতি বছর ১৬ লাখ অটিজম শিশুর জন্ম হচ্ছে।
★ কুকুর রাতের বেলায় ২ কি. মি পর্যন্ত
সকল কিছু দেখতে পান।
★ পিপড়া তার চোখ বন্ধ করে খাদ্য গ্রহন
করে।
★ ভারতে থানায় প্রতিদিন প্রায় ১৩৭ টি ধর্ষন কেস পড়ে।
★ কানাড়ার প্রত্যেক নারী ৩৮/৪০ বছর
বয়সে সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহন
করেন,,পূর্বের বয়স টুকু enjoy হিসেবে
পাড়ি দেন।
★ বাতাসের সাথে প্রায় ১৫ লাখ জীবানু
ভেসে বেড়াচ্ছে।
★ জিরাফ মাএ ১৯ মিনিট ঘুমায়।
★ একটি গন্ডারের শক্তি ২৭ জন মানুষের সমান।
★ হজম শক্তি সবচেয়ে বেশি হাতির।
১ঘন্টা পর পর ৪০ কেজি খাদ্য গ্রহন করতে পারে।
★ একটি নারী তার প্রসংসা কে বেশি
ভালবাসে।
★ একটি নারী সুন্দর ছেলে কে বেশি পছন্দ
করে, আর কালো ছেলের টাকা কে
বেশি পছন্দ করেন।
★ ১ কেজি কমলার চেয়ে ২৫০ গ্রাম
গাজরের গুন বেশি।
★ কম টাকায় অধিক পুষ্টির
তালিকায় শির্ষে রয়েছে কলা।
বিঃদ্রঃ আমাদের পোষ্ট
গুলো যদি আপনার ভাল
লাগে তাহলে অবশ্যয় কমেন্ট
করে জানাবেন।
তাহলে আর ভাল পোষ্ট
নিয়ে হাজির হব।

Minister =মন্ত্রী।

Minister =মন্ত্রী।
Prime minister =প্রধানমন্ত্রী।
Deputy Minister =উপমন্ত্রী।
State Minister =প্রতিমন্ত্রী।
Law Minister =আইনমন্ত্রী।
Education Minister =শিক্ষামন্ত্রী।
Commerce Minister =বানিজ্যমন্ত্রী।
Finance Minister =অর্থমন্ত্রী।
Home Minister =স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
Foreign Minister =পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
Defence Minister =প্রতিরক্ষা মন্ত্রী।
Agriculture Minister =কৃষিমন্ত্রী।
Health Minister =স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
Labour Minister =শ্রমমন্ত্রী।
Textile Minister =বস্ত্রমন্ত্রী।
Industry Minister =শিল্পমন্ত্রী।
Work Minister =পূর্ত মন্ত্রী।
Chief Minister =মূখ্য মন্ত্রী।

পূর্ণরুপ

পূর্ণরুপ
-
NEWS → North East West South
.
CHESS → Chariot, Horse, Elephant & Soldiers.
.
JOKE → Joy Of Kids Entertainment.
.
AIM → Ambition In Mind
.
DATE → Day And Time Evolution
.
EAT → Energy And Taste.
.
TEA → Taste And Energy Admitted
.
PEN → Power Enriched In Nib
.
SMILE → Sweet Memories In Lips Expression.
.
DRAMA → Dumb Retard Asking For More Attention.
.
BYE → Be With You Every Time.

ঘড়ির কাঁটা নির্ণয়ের টেকনিকঃ

ঘড়ির কাঁটা নির্ণয়ের টেকনিকঃ
প্রশ্নের সমাধান করার আগে একবার ঘড়ির কথা ভাবুন। পুরো ঘড়িটা একটা বৃত্তের মতো। তাহলে একটা বৃত্ত হলো ৪ টি সমকোণের সমান অর্থাৎ ৪ সমকোণ বা ৩৬০°।
এবার ভাবুন মোট সংখ্যা থাকে ১২ টা। তাহলে প্রতি ঘন্টার জন্য কোণ হবে (৩৬০°÷১২)=৩০°।
কোণের মান বের করার ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে যে, কখনোই কোনের মান ১৮০° এর বেশি হবে না অথবা ব্যবধান ৬ এর বেশি হবে না। এবার কিছু প্রশ্ন দেখা যাক।
প্রশ্ন ১: ঘড়িতে যখন চারটা বাজে, ঘন্টার কাঁটা এবং মিনিটের কাঁটার মধ্যেকার কোণটি কত ডিগ্রি..?
উত্তর: ১২০°।
.
ব্যাখ্যা : যখন চারটা বাজে তখন ঘন্টার কাঁটাটি ৪ টায় এবং মিনিটের কাঁটাটি ১২ টায় থাকবে। ফলে দুটো কাটার ব্যবধান হবে ৪। আগেই বের করেছি যে প্রতি ঘন্টার জন্য কোণের মান হবে ৩০°, তাই ৪ এর জন্য কোণের মান হবে (৩০°×৪)=১২০°।
.
প্রশ্ন ২: ঘড়িতে যখন আটটা বাজে, ঘন্টার কাঁটা এবং মিনিটের কাঁটার মধ্যেকার কোণটি কত ডিগ্রি?
উত্তর: ১২০°।
.
ব্যাখ্যা : যখন ঘড়িতে আটটা বাজে তখন ঘন্টার কাঁটাটি ৮ টায় এবং মিনিটের কাঁটাটি ১২ টায় থাকবে। ফলে দুটো কাটার ব্যবধান হবে ৪। কেউ হয়ত ১২ থেকে ৮ টটা পর্যন্ত গুনে বলতে পারেন ব্যবধান ৮, কিন্তু এটা করা যাবে না কেননা তখন কোণটি ১৮০° এর চেয়ে বড় হয়ে যাবে, আগেই বলেছি কোণের মান ১৮০° চেয়ে বেশি হতে পারবে না, এজন্য ব্যবধান কখনোই ৬ এর বেশি হবে না। তাই ৮ থেকে ১২ পর্যন্ত ব্যবধান ৪ হবে। আগেই বের করেছি যে প্রতি ঘন্টার জন্য কোণের মান হবে ৩০°, তাই ৪ এর জন্য কোণের মান হবে (৩০°×৪)=১২০°।
.
প্রশ্ন ৩: যখন ঘড়িতে সারে এগারোটা বাজে, ঘন্টার কাঁটা এবং মিনিটের কাঁটার মধ্যেকার কোণটি কত ডিগ্রি?
উত্তর: ১৬৫°।
.
ব্যাখ্যা : যখন সারে এগারোটা বাজে তখন ঘন্টার কাঁটাটি ১১ এবং ১২ এর মাঝামাঝি অর্থাৎ ১১.৫ টায় এবং মিনিটের কাঁটাটি ৬ টায় থাকবে। ফলে দুটো কাটার ব্যবধান হবে ৫.৫।অনেকের মনে হতে পারে যে ব্যবধান তো ৬.৫ ও হতে পারে। হ্যাঁ হতে পারে, কিন্তু এক্ষেত্রে ব্যবধান কখনোই ৬ এর বেশি হবে না, তাই যেদিক থেকে গুনলে ব্যবধান ৬ এর মধ্যে থাকে সেদিক থেকেই গুনতে হবে। আগেই বের করেছি যে প্রতি ঘন্টার জন্য কোণের মান হবে ৩০°, তাই ৫.৫ এর জন্য কোণের মান হবে (৩০°×৫.৫)=১৬৫°।
শুধু মাত্র ১টি সুত্র মনে রাখলেই, মাত্র ১৫-২০ সেকেন্ডের মধ্যেই ঘড়ির, ঘন্টা ও মিনিট এর কাটার মধ্যেবর্তী কোণের দূরত্বের নির্নয়ের নিচের অংক গুলোর উত্তর করতে পারবেন
টেকনিকঃ (11×M - 6O×H)÷2
এখানে, M=মিনিট
H=ঘন্টা
উদাহরনঃ যদি ঘড়িতে ২ টা ৪০ মিনিট হয়, তবে ঘণ্টার কাটা ও মিনিটের কাটা কত ডিগ্রি কোন উৎপন্ন করে।
সূত্র: (11 × M – 6O × H)÷2, (এখানে M এর স্থানে মিনিট ও H এর স্থানে ঘন্টা বসাতে হবে)
সমাধানঃ
(11 × 4O–6O×2)÷2
= 160(উঃ)
[বিঃদ্রঃযদি কোনের মান 180° অতিক্রম করে(অর্থাৎ 180 ° চেয়ে বেশি হয়)তবে প্রাপ্ত মানকে ৩৬০ থেকে বিয়োগ করে কোন এর মান নির্নয় করতে হবে]

সাম্প্রতিক সাধারণ জ্ঞান

সাম্প্রতিক সাধারণ জ্ঞান
১. বর্তমানে বি.সি.এস ক্যাডার সংখ্যা-২৬ টি
২. পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় -৪৫ টি
৩. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় -১০ টি
৪. তফসিলভুক্ত ব্যাংক -৫৯ টি
৫. সরকারি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় -৪ টি

কালো জিরার গুনাগুণ সম্পর্কে বিজ্ঞান ও ইসলাম কী বলছে

বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) বলেছেন: “ তোমরা কালোজিরা ব্যবহার করবে, কেননা এতে একমাত্র মৃত্যৃ ব্যতীত সর্বরোগের মুক্তি এতে রয়েছে”।
তিরমিযী,বুখারী,মুসলিম থেকে নেয়া—
হযরত কাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে, “প্রতিদিন ২১টি কালোজিরার ১টি পুটলি তৈরী করে পানিতে ভিজাবে এবং পুটলির পানির ফোঁটা এ নিয়মে নাশারন্দ্রে (নাশিকা, নাক) ব্যবহার করবে-“প্রথমবার ডান নাকেরছিদ্রে ২ ফোঁটা এবং বাম নাকের ছিদ্রে ১ ফোঁটা। দ্বিতীয়বার বাম নাকের ছিদ্রে ২ ফোঁটা এবং ডান নাকের ছিদ্রে ১ ফোঁটা। তৃতীয়বার ডান নাকের ছিদ্রে ২ ফোঁটা ও বাম নাকের ছিদ্রে ১ফোঁটা।”
হযরত আনাস (রাঃ) বর্ণনা করেন, “নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন, যখন রোগ-যন্ত্রণা খুব বেশী কষ্টদায়ক হয় তখন এক চিমটি পরিমাণ কালোজিরা নিয়ে খাবে তারপর পানি ও মধু সেবন করবে।”
– মুজামুল আওসাতঃ তাবরানী।
গুনাগুন জেনে নিতে দোষ কী? আমাদের জন্য কি কি ঔষধী গুণ আছে এই কালোজিরাতে (নবীর উপরে আর কোন কথা থাকে না। তারপরও এর ব্যবহার বা উপকারিতাগুলো জেনে নিলে ভালো হয়।) আর ভালো কালোজিরা বাছাই করে ব্যবহার করুন।
কালজিরার গুনাগুণ: ১৫/১৬ টি কালজিরা ছোট ১টি পিয়াজ ও ২ চামচ মধু সহ বিকালে/রাতে খেলে চির যৌবন রক্ষা হয় ।
সকালে খালিপেটে ১২/১৩ ফোঁটা কালজিরার তেল ও ১৫/১৬ ফোঁটা মধু খেলে ডায়াবেটিসের উপকার হয় ।
১০/১২ ফোঁটা কালজিরার তেল গরম পানিতে মিশিয়ে খেলে বাত রোগের উপকার হয় ।
জেনে নেয়া যাক আরো কিছু গুনাগুন:
১। হজমের সমস্যায়এক-দুই চা-চামচ কালোজিরা বেটে পানির সঙ্গে খেতে থাকুন। এভাবে প্রতিদিন দু-তিনবার খেলে এক মাসের মধ্যে হজমশক্তি বেড়ে যাবে। পাশাপাশি পেট ফাঁপাভাবও দূর হবে।
২। জ্বর, ব্যথা, সর্দি-কাশিতে এক চা-চামচ কালোজিরার সঙ্গে তিন চা-চামচ মধু ও দুই চা-চামচ তুলসী পাতার রস মিশিয়ে প্রতিদিন একবার সেবন করুন। কালোজিরা বেটে কপালে প্রলেপ দিন যদি সর্দি বসে যায়। একই সঙ্গে পাতলা পরিষ্কার কাপড়ে কালোজিরা বেঁধে শুকতে থাকুন, শ্লেষ্মা তরল হয়ে ঝরে যাবে। তাড়াতাড়ি ভালো ফল পেতে বুকে ও পিঠে কালিজিরার তেল মালিশ করুন।
৩। মায়েদের বুকের দুধের পরিমাণ বৃদ্ধি করতে প্রতিদিন রাত্রে শোবার আগে ৫-১০ গ্রাম কালোজিরা মিহি করে দুধের সঙ্গে খেতে থাকুন। ইনশাআল্লাহ্ মাত্র ১০-১৫ দিনে দুধের প্রবাহ বেড়ে যাবে। এছাড়া এ সমস্যা সমাধানে কালোজিরা-র ভর্তা করে ভাতের সঙ্গে খেতে পারেন। যারা জানেন না তাদের জন্য ভর্তা বানানোর প্রক্রিয়া পরে পোস্ট করা হবে।
৪। কপালের দুই পাশ এবং কানে পাশে দিনে তিন-চারবার কালিজিরার তেল মালিশ করুন মাথাব্যাথা ভালো হয়ে যাবে।
৫। নিয়মিত কালিজিরা খান। এটি মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল বাড়িয়ে দেয়। যার দরুন স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পায়। এর সঙ্গে এটি প্রাণশক্তি বাড়ায় ও ক্লান্তি দূর করে।
৬। কালোজিরা লিভার ক্যান্সারের জন্য দায়ী আফলাটক্সিন নামক বিষ ধ্বংস করে। তাই যারা লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত তারা আজ থেকে খাওয়া শুরু করে দিন।
৭। চুলপড়ারোধে কালোজিরা নিয়মিতভাবে খান এতে আপনার চুল পর্যাপ্ত পুষ্টি পাবে। ফলে চুল পড়া বন্ধ হবে। আর ভালো ফল পেতে চুলের গোড়ায় এর তেল মালিশ করতে থাকুন।
৮। ডায়বেটিকস্ রোগীরা এক চিমটি পরিমাণ কালো জিরা এক গ্লাস পানির সঙ্গে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খেয়ে দেখুন, রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে একসময় ডায়বেটিকস্ কমে যাবে ইনশাআল্লাহ।
৯। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কালোজিরার তেল ব্যবহার করুন। শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানি দূর করে। হৃদরোগ নিয়ন্ত্রন করে।
১০। পক্ষাঘাত (প্যারালাইসীস) ও কম্পন রোগে কালোজিরার তৈল মালিশ করলে আশ্চর্যজনক ফল পাওয়া যায়।
১১। কালোজিরা যৌন ব্যাধি ও স্নায়ুবিক দুর্বলতায় আক্রান্ত রোগীদের জন্য অতি উতকৃষ্ট ঔষধ।
১২। শুলবেদনা ও প্রসূতি রোগে কালোজিরা অত্যধিক উপকারী। ব্রুনের জন্যও এটি উত্তম ঔষধ।
১৩। মূত্রথলির পাথর ও জন্ডিস থেকে আরোগ্য লাভ করতে কালোজিরা খান নিয়মিত যতবার পারেন।
১৪। অধিক ঋতু স্রাব, মাত্রাতিরিক্ত পেশাব প্রতিরোধ করতে কালোজিরার উপকারিতা অপরিসীম। এটি কৃমিনাশক।
১৫। কালোজিরা রিউমেটিক এবং পিঠে ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
১৬। নিয়মিত কালোজিরা সেবনে শরীরের প্রতিটি অঙ্গ প্রত্যঙ্গকে সতেজ করে ও সার্বিকভাবে স্বস্থ্যের উন্নতি সাধন করে।
১৭। ভাত, তরকারী ইত্যাদির সাথে কালোজিরা মিশিয়ে খান রোগশোক থেকে দূরে থাকুন।
বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে কালো জিরার আরো কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা:
কালো জিরাকে সব রোগের ওষুধ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। অন্যান্য সব ভেষজের মতো কালিজিরা নিয়েও গবেষণা কম হয়নি। ১৯৬০ সালে মিসরের গবেষকরা নিশ্চিত হন যে, কালো জিরায় বিদ্যমান নাইজেলনের কারণে হাঁপানি উপশম হয়। জার্মানি গবেষকরা বলেন, কালো জিরার অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-মাইকোটিক প্রভাব রয়েছে। এটি বোনম্যারো ও প্রতিরক্ষা কোষগুলোকেউত্তেজিত করে এবং ইন্টারফেরন তৈরি বাড়িয়ে দেয়। আমেরিকার গবেষকরা প্রথম কালো জিরার টিউমারবিরোধী প্রভাব সম্পর্কে মতামত দেন। শরীরে ক্যান্সার উত্পািদনকারী ফ্রি-রেডিক্যাল অপসারিত করতে পারে কালিজিরা। মোটকথা, কালো জিরা সব ধরনের রোগের বিরুদ্ধে তুলনাহীন। আসুন জেনে নিই কালিজিরার এমন কিছু ব্যবহার, যেগুলো একেবারেই অপ্রচলিত।
১. স্মরণশক্তি বৃদ্ধিতে: কালো জিরা মস্তিষ্কে রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি করে স্মৃতিশক্তি বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে। প্রতিদিন নিয়ম করে আধা চা চামচ কাঁচা কালিজিরা অথবা ১ চা চামচ কালিজিরার তেল খান।
২. চুল পড়া রোধে: কালোজিরা চুলের গোড়ায় পুষ্টি পৌঁছে দিয়ে চুল পড়া রোধ করে এবং চুল বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ২ টেবিল চামচঅলিভ অয়েল ও ১ চা চামচ কালিজিরার তেল একসাথে মিশিয়ে হালকা গরম করে নিন। চুলের গোড়ায় ভালো করে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট মাসাজ করুন। ১ ঘণ্টা পর চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন।
৩. ব্যথা কমাতে: যেকোনো ধরনের ব্যথা কমাতে কালো জিরার জুড়ি নেই। কালিজিরার তেল হালকা গরম করে নিয়ে ব্যথার জায়গায় মালিশ করুন, ব্যথা সেরে যাবে। বিশেষ করে বাতের ব্যথায় বেশ ভালো উপকার পাওয়া যায়।
৪. ফোঁড়া সারাতে: ব্যথাযুক্ত ফোঁড়া সারাতে কালো জিরা সাহায্য করে। তিলের তেলের সাথে কালিজিরা বাটা বা কালিজিরার তেলমিশিয়ে ফোঁড়াতে লাগালে ব্যথা উপশম হয় ও ফোঁড়া সেরে যায়।
৫. মেদ কমাতে: চায়ের সাথে কালো জিরার মিশিয়ে পান করলে তা বাড়তি মেদ ঝরে যেতে সাহায্য করে। একটি পাত্রে পানি নিয়ে চুলার ওপরে দিন। পানি ফুটে উঠলে চাপাতা ও সমপরিমাণ কালিজিরা পানিতে দিন। চায়ের রং হয়ে এলে নামিয়ে ছেঁকে নিয়ে সাধারণ চায়ের মতোই পান করুন।
৬. দাঁতের ব্যথায়: দাঁত ব্যথা হলে, মাঢ়ি ফুলে গেলে বা রক্ত পড়লে কালো জিরা তা উপশম করতে পারে। পানিতে কালিজিরা দিয়েফুটিয়ে নিন। এই পানির তাপমাত্রা কমে উষ্ণ অবস্থায় এলে তা দিয়ে কুলি করুন। এতে দাঁত ব্যথা কমে যাবে, মাঢ়ির ফোলা বা রক্ত পড়া বন্ধ হবে। এছাড়া জিহ্বা, তালু ও মুখের জীবাণু ধ্বংস হবে।
৭. মাথা ব্যথায়: ঠাণ্ডাজনিত মাথাব্যথা দূর করতে কালো জিরা সাহায্য করে। একটি সুতি কাপড়ের টুকরায় খানিকটা কালিজিরা নিয়েপুঁটুলি তৈরি করুন। এই পুঁটুলি নাকের কাছে নিয়ে শ্বাস টানতে থাকুন। কিছুক্ষণের মধ্যেই ব্যথা সেরে যাবে।

প্রাইমারি শিক্ষক, খাদ্য,সমাজসেবা,বিসিএস নিয়োগ পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ৫৭৭টি প্রশ্ন-উত্তর ২০১৮(কমন আসবে ইনশাল্লাহ)

প্রশ্নঃ ২০ ফুট লম্বা একটি বাঁশ এমনভাবে কেটে দু’ভাগ করা হলো যেন ছোট অংশ বড় অংশের দুই তৃতীয়াংশ হয়, ছোট অংশের দৈর্ঘ্য কত ফুট?
উত্তরঃ ৮
.
প্রশ্নঃ ঘড়িতে এখন ৮টা বাজে। ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যকার কোণটি হলো
উত্তরঃ ১২০°
প্রশ্নঃ একটি পঞ্চভুজের সমষ্টি
উত্তরঃ ৬ সমকোণ
প্রশ্নঃ বিষমবাহু ΔABC-এর বাহুগুলির মান এমনভাবে নির্ধারিত যে, AD মধ্যমা দ্বারা গঠিত ΔABD-এর ক্ষেত্রফল x বর্গমিটার। ΔABC-এর ক্ষেত্রফল কত?
উত্তরঃ 2x বর্গমিটার
প্রশ্নঃ x + y = 2, x 2 + y 2 = 4 হলে x 3 + y 3 = কত?
উত্তরঃ 8
প্রশ্নঃ A = {1, 2, 3} B = ∅ হলে A ∪ B = কত?
উত্তরঃ {1, 2, 3}
প্রশ্নঃ ( 5(n 2) 35*(5(n-1)) )/4*5n এর মান কত?
উত্তরঃ 8
প্রশ্নঃ আমার কক্ষে এক বৃদ্ধ দম্পতি ও তাদের সাথে দুই দম্পতি প্রত্যেকে দুইজন করে সন্তানসহ আমার কক্ষে প্রবেশ করলেন। আমার কক্ষে মোট কতজন লোক হল?
উত্তরঃ ১১
প্রশ্নঃ ০.০৩, ০.১২, ০.৪৮, — শূন্যস্থানে সংখ্যাটি কত হবে?
উত্তরঃ ১.৯২
প্রশ্নঃ ১৭ দিন আগে আবদুর রহিম বলেছিল যে তার জন্মদিন “আগামীকাল”। আজ ২৩ তারিখ হলে তার জন্মদিন কোন তারিখে?
উত্তরঃ ৭
প্রশ্নঃ মামুন 240 টাকায় একই রকম কতগুলি কলম কিনে দেখল যে, যদি সে একটি কলম বেশি পেত তাহলে প্রতিটি কলমের মূল্য 1 টাকা কত পড়ত। সে কতগুলি কলম কিনেছিল?
উত্তরঃ 15 টি
প্রশ্নঃ একটি শ্রেণিতে যতজন ছাত্র-ছাত্রী আছে প্রত্যেকে তত পয়সার চেয়ে আরও 25 পয়সা বেশি করে চাঁদা দেওয়ায় মোট 75 টাকা উঠল। ঐ শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যা কত?
উত্তরঃ 75
প্রশ্নঃ তিনটি ক্রমিক সংখ্যার গুণফল তাদের যোগফলের ৫ গুন; সংখ্যা তিনটির গড় কত?
উত্তরঃ ৪
প্রশ্নঃ √169 is equal to –
উত্তরঃ 13
প্রশ্নঃ কোন সংখ্যার ০.১পৌনোপৌনিক ভাগ এবং ০.১ ভাগের মধ্যে পার্থক্য ১.০ হলে, সংখ্যাটি কত?
উত্তরঃ ৯০
প্রশ্নঃ তিন সদস্যেরএকটি বিতর্কদলের সদস্যদেরগড়বয়স২৪বছর।যদি কোনো সদস্যের বয়সই২১বছরের নিচে না হয় তবে তাদের কোনএক জনের সর্বোচ্চ বয়স কত হতেপারে ?
উত্তরঃ ৩০বছর
প্রশ্নঃ একটিসমকোণীত্রিভ
ুজেরলম্বভূমিঅ বড়।অতিভুজেরদৈর
্ঘ্যকত ?
উত্তরঃ ১০সে:মি:
প্রশ্নঃ একটি সাবানের আকার ৫ সে:মি:× ৪ সে:মি:× ১.৫ সে:মি: হলে ৫৫ সে:মি: দৈর্ঘ্য, ৪৮সে:মি: প্রস্থ এবং ৩০ সে:মি: উচ্চতাবিশিষ্ট একটি বাক্সের মধ্যে কতটি সাবান রাখা যাবে ?
উত্তরঃ ২৬৪০টি
প্রশ্নঃ যদি সেট A = {5,15,20,30} এবং B = {3,5,15,18,20} হয় তবে নীচের কোনটি A ∩ B নির্দেশ করবে ?
উত্তরঃ {5, 15, 20
প্রশ্নঃ 4x+4x+4x+4x এর মান নিচের কোনটি ?
উত্তরঃ 22x+2
প্রশ্নঃ ৫ জন তাঁত শ্রমিক ৫ দিনে ৫টি কাপড় বুনতে পারে। একই ধরনের ৭টি কাপড় বুনতে ৭ জন শ্রমিকের কত দিন লাগবে ?
উত্তরঃ ৫দিন
প্রশ্নঃ 3x-8 = 32 হলে x এর মান কত ?
উত্তরঃ 2
প্রশ্নঃ একটি ত্রিভুজের দু’টি কোণের পরিমাণ ৩৫° ও ৫৫° । ত্রিভুজটি কোন ধরনের ?
উত্তরঃ সমকোণী
প্রশ্নঃ একটি আয়তকার ঘরের প্রস্থ তার দৈর্ঘ্যর ২/৩অংশ।ঘরটির পরিসীমা ৪০ মিটার হলে তার ক্ষেত্রফল কত ?
উত্তরঃ ৯৬বর্গমিটার
প্রশ্নঃ ৩সে:মি:, ৪সে:মি: ও৫সে:মি: বাহু বিশিষ্ট তিনটি ঘনক গলিয়ে নূতন একটি ঘনক তৈরি করা হল। নূতন ঘনকের বাহুর দৈর্ঘ্য কত হবে ?
উত্তরঃ ৬সে:মি:
প্রশ্নঃ একটি রম্বসের কর্ণদ্বয়ের দৈর্ঘ্য ৮ সে:মি: ও ৯ সে:মি: ।এই রম্বসের ক্ষেত্রফলের সমান ক্ষেত্র বিশিষ্ট বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা কত ??
উত্তরঃ ২৪সে:মি:
প্রশ্নঃ x এবং y উভয়ই বিজোড় সংখ্যা হলে কোনটি জোড় সংখ্যা হবে?
উত্তরঃ x+y
প্রশ্নঃ ৭ সে. মি. ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট বৃত্তের অন্ত লিখিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্র কত?
উত্তরঃ ৯৮ ব.সে.মি.
প্রশ্নঃ কোনো ত্রিভুজের তিনটি বাহুকে বর্ধিত করলে উৎপন্ন বহি:স্থ কোন তিনটির সমষ্টি কত?
উত্তরঃ ৩৬০º
প্রশ্নঃ ১,৩,৬,১০,১৫,২১…….. ধারাটির দশম কত?
উত্তরঃ ৫৫
প্রশ্নঃ x²-8x-8y+16+y² এর সাথে কত যোগ করলে যোগফল একটি পূর্ণ বর্গ হবে?
উত্তরঃ 2xy
প্রশ্নঃ টাকায় ৩টি করে লেবু কিনে টাকায় ২টি করে বিক্রি করলে শতকরা কত লাভ হবে?
উত্তরঃ ৫০%
প্রশ্নঃ বৃত্তের ব্যস তিনগুণ বৃদ্ধি পেলে ক্ষেত্রফল কতগুণ বৃদ্ধি পাবে?
উত্তরঃ ৯ গুণ
প্রশ্নঃ একটি গাড়ির চাকা প্রতি মিনিট ৯০ বার ঘোরে। ১ সেকেন্ডে চাকাটি কত ডিগ্রি ঘরবে?
উত্তরঃ ৫৪০º
প্রশ্নঃ ABCD চতুর্ভুজে ABΙΙCD, AC= BD এবং ∠A=90º হলে সঠিক চতুর্ভুক কোনটি?
উত্তরঃ আয়তক্ষেত্র
প্রশ্নঃ কোন ভগ্নাংশটি ক্ষুদ্রতম?
উত্তরঃ ১১/১৪
প্রশ্নঃ পর পর তিনটি সংখ্যার গুণফল ১২০ হলে তাদের যোগফল কত?
উত্তরঃ ১৫
প্রশ্নঃ ০. ৪৭ׂকে সাধারণ ভগ্নাংশে পরিনত করলে কত হবে?
উত্তরঃ ৪৩/৯০
প্রশ্নঃ x²-y²+2y-1 এর একটি উৎপাদক-
উত্তরঃ x+y-1
প্রশ্নঃ log28= কত?
উত্তরঃ 3
প্রশ্নঃ x³+x²y, x²y+xy² এর ল,সা,গু কত?
উত্তরঃ x²y(x+y)
প্রশ্নঃ একটি আয়াতকার ঘরের দৈর্ঘ্য গ্রস্থ অপেক্ষা ৪ মিটার বেশি। ঘরটির পরিসীমা ৩২ মিটার হলে ঘরটির দৈর্ঘ কত?
উত্তরঃ ১০ মিটার
প্রশ্নঃ একটি সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর প্রত্যেকটির দৈর্ঘ্য 2মিটার বাড়লে এর ক্ষেত্রফল 3√3 বর্গ মিটার বেড়ে যায়। সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য কত?
উত্তরঃ 2 মিটার
প্রশ্নঃ সেট A={x€N : x²>8, x²<30} হলে x এর সঠক মান কোনটি?
উত্তরঃ 3
প্রশ্নঃ ৩, ৯ ও ৪ এর চতুর্থ সমানুপাতিক কত?
উত্তরঃ ১২
প্রশ্নঃ ১৩¾ % এর সমান—
উত্তরঃ ০.১৩৭৫
প্রশ্নঃ একটি মিনারের পাদদেশ হতে ২০ মিটার দূরের একটি স্থান হতে মিনারটি কোণ ৩০° হ্লে মিনারটির উচ্চতা কত?
উত্তরঃ √৩/২০ মিটার
প্রশ্নঃ কোন ত্রিভুজের বাহুগুলোর অনুপাত নিচের কোনটি হলে সমকোণী ত্রিভুজ অংকন সম্ভব হবে?
উত্তরঃ ৩:৫:৪
প্রশ্নঃ দুটি ত্রিভুজের পরস্পর সর্বসম হওয়ার জন্য নিচের কোনটি যথেষ্ট নয়?
উত্তরঃ একটির তিন কোণ অপরটির তিন কোণের সমান
প্রশ্নঃ a+b=7 এবং a²+b²=25 নিচের কোনটি ab এর মান হবে?
উত্তরঃ 12
প্রশ্নঃ নিম্নের কোনটি বৃত্তের সমীকরণ?
উত্তরঃ x²+y²=16
১. ৬% হারে ৯ মাসে ১০০০০ টাকার সুদ কত হবে-৪৫০
টাকা
সবার আগে আপডেট পেতে পেইজে লাইক দিন
২.৪২৫ টাকার ৪ বছরের সুদ ৮৫ টাকা হলে বার্ষিক সুদের হার কত হবে-৫%
৩. ০ হতে ৯৯ পর্যন্ত সংখ্যাসমূহের যোগফল কত = ৪৯৫০
৪. # টাকায় টাকা আনে কোন কারকে কোন বিভক্তি=অপাদানে ৭মী
৫. #টাকায় কিনা হয় কোন বিভক্তি=করণে ৭মী
৬. Have কোন tense =present
7. Birds of a feather means=person of same nature
8.One of the girls—-present=was
9.Ram__before I came=had left
10.ERP stands for=Enterprise Resource Planning
১. ৬% হারে ৯ মাসে ১০০০০ টাকার সুদ কত হবে-৪৫০
টাকা
২.৪২৫ টাকার ৪ বছরের সুদ ৮৫ টাকা হলে বার্ষিক সুদের হার কত হবে-৫%
৩. ০ হতে ৯৯ পর্যন্ত সংখ্যাসমূহের যোগফল কত = ৪৯৫০
৪. #টাকায় টাকা আনে কোন কারকে কোন বিভক্তি=অপাদানে ৭মী
৫. #টাকায় কিনা হয় কোন বিভক্তি=করণে ৭মী
৬. Have কোন tense =present
7. Birds of a feather means=person of same nature
8.One of the girls—-present=was
9.Ram__before I came=had left
10.ERP stands for=Enterprise Resource Planning
অকাল কুষ্মাণ্ড = (অপদার্থ, অকেজো)
সবার আগে আপডেট পেতে পেইজে লাইক দিন
অক্কা পাওয়া = (মারা যাওয়া)
অগস্ত্য যাত্রা = (চির দিনের জন্য প্রস্থান)
অগাধ জলের মাছ = (সুচতুর ব্যক্তি)
অর্ধচন্দ্র = (গলা ধাক্কা)
অন্ধের যষ্ঠি = (একমাত্র অবলম্বন)
অন্ধের নড়ি = (একমাত্র অবলম্বন)
অগ্নিশর্মা = (নিরতিশয় ক্রুদ্ধ)
অগ্নিপরীক্ষা =(কঠিন পরীক্ষা)
অগ্নিশর্মা = (ক্ষিপ্ত)
অগাধ জলের মাছ = (খুব চালাক)
অতি চালাকের গলায় দড়ি = (বেশি চাতুর্যর পরিণাম)
অতি লোভে তাঁতি নষ্ট = (লোভে ক্ষতি)
অদৃষ্টের পরিহাস = (বিধির বিড়ম্বনা)
অর্ধচন্দ্র দেওয়া = (গলা ধাক্কা দিয়ে দেয়া)
অষ্টরম্ভা = (ফাঁকি)
অথৈ জলে পড়া = (খুব বিপদে পড়া)
অন্ধকারে ঢিল মারা = (আন্দাজে কাজ করা)
অমৃতে অরুচি = (দামি জিনিসের প্রতি বিতৃষ্ণা)
অন্ধকারে ঢিল মারা = (আন্দাজে কাজ করা)
অকূল পাথার = (ভীষণ বিপদ)
অনুরোধে ঢেঁকি গেলা = (অনুরোধে দুরূহ কাজ সম্পন্ন করতে সম্মতি দেয়া)
অদৃষ্টের পরিহাস = (ভাগ্যের নিষ্ঠুরতা)
অল্পবিদ্যা ভয়ংকরী = (সামান্য বিদ্যার অহংকার)
অনধিকার চর্চা = (সীমার বাইরে পদক্ষেপ)
অরণ্যে রোদন = (নিষ্ফল আবেদন)
অহিনকুল সম্বন্ধ = (ভীষণ শত্রুতা)
অন্ধকার দেখা = (দিশেহারা হয়ে পড়া)
অমাবস্যার চাঁদ = (দুর্লভ বস্তু)
আকাশ কুসুম = (অসম্ভব কল্পনা)
আকাশ পাতাল =(প্রভেদ) (প্রচুর ব্যবধান)
আকাশ থেকে পড়া = (অপ্রত্যাশিত)
আকাশের চাঁদ = (আকাঙ্ক্ষিত বস্তু)
আগুন নিয়ে খেলা = (ভয়ঙ্কর বিপদ)
আগুনে ঘি ঢালা = (রাগ বাড়ানো)
আঙুল ফুলে কলাগাছ = (অপ্রত্যাশিত ধনলাভ)
আঠার আনা = (সমূহ সম্ভাবনা)
আদায় কাঁচকলায় = (তিক্ত সম্পর্ক)
আহ্লাদে আটখানা = (খুব খুশি)
আক্কেল সেলামি = (নির্বুদ্ধিতার দণ্ড)
আঙুল ফুলে কলাগাছ = (হঠাৎ বড়লোক)
আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া = (দুর্লভ বস্তু প্রাপ্তি)
আদায় কাঁচকলায় = (শত্রুতা)
আদা জল খেয়ে লাগা = (প্রাণপণ চেষ্টা করা)
আক্কেল গুড়ুম = (হতবুদ্ধি, স্তম্ভিত)
আমড়া কাঠের ঢেঁকি = (অপদার্থ)
আকাশ ভেঙে পড়া = (ভীষণ বিপদে পড়া)
আমতা আমতা করা = (ইতস্তত করা, দ্বিধা করা)
আটকপালে = (হতভাগ্য)
আঠার মাসের বছর = (দীর্ঘসূত্রিতা)
আলালের ঘরের দুলাল = (অতি আদরে নষ্ট পুত্র)
আকাশে তোলা = (অতিরিক্ত প্রশংসা করা)
আষাঢ়ে গল্প = (আজগুবি কেচ্ছা)
ইঁদুর কপালে = (নিতান্ত মন্দভাগ্য)
ইঁচড়ে পাকা = (অকালপক্ব)
ইলশে গুঁড়ি = (গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি)
ইতর বিশেষ = (পার্থক্য)
উত্তম মধ্যম = (প্রহার)
উড়নচন্ডী = (অমিতব্যয়ী)
উভয় সংকট = (দুই দিকেই বিপদ)
উলু বনে মুক্ত ছড়ানো = (অপাত্রে/
অস্থানে মূল্যবান দ্রব্য প্রদান)
উড়ো চিঠি = (বেনামি পত্র)
উড়ে এসে জুড়ে বসা = (অনধিকারীর অধিকার)
উজানে কৈ = (সহজলভ্য)
উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে = (একের দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপানো)
ঊনপাঁজুড়ে = (অপদার্থ)
ঊনপঞ্চাশ বায়ু = (পাগলামি)
এক ক্ষুরে মাথা মুড়ানো = (একই স্বভাবের)
এক চোখা = (পক্ষপাতিত্ব, পক্ষপাতদুষ্ট)
এক মাঘে শীত যায় না = (বিপদ এক বারই আসে না, বার বার আসে)
এলোপাতাড়ি = (বিশৃঙ্খলা)
এসপার ওসপার = (মীমাংসা)
একাদশে বৃহস্পতি = (সৌভাগ্যের বিষয়)
এক বনে দুই বাঘ = (প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী)
এক ক্ষুরে মাথা মুড়ানো = (একই দলভুক্ত)
এলাহি কাণ্ড = (বিরাট আয়োজন)
ওজন বুঝে চলা = (অবস্থা বুঝে চলা)
ওষুধে ধরা = (প্রার্থিত ফল পাওয়া)
কচুকাটা করা = (নির্মমভাবে ধ্বংস করা)
কচু পোড়া = (অখাদ্য)
কচ্ছপের কামড় = (যা সহজে ছাড়ে না)
কলম পেষা = (কেরানিগিরি)
কলুর বলদ = (এক টানা খাটুনি)
কথার কথা = (গুরুত্বহীন কথা)
কাঁঠালের আমসত্ত্ব = (অসম্ভব বস্তু)
কাকতাল = (আকস্মিক/দৈব যোগাযোগজাত ঘটনা)
কপাল ফেরা = (সৌভাগ্য লাভ)
কত ধানে কত চাল = (হিসেব করে চলা)
কড়ায় গণ্ডায় = (পুরোপুরি)
কান খাড়া করা =(মনোযোগী হওয়া)
কানকাটা (নির্লজ্জ)
কান ভাঙানো (কুপরামর্শ দান)
কান ভারি করা (কুপরামর্শ দান)
কাপুড়ে বাবু (বাহ্যিক সাজ)
কেউ কেটা (গণ্যমান্য)
কেঁচে গণ্ডুষ (পুনরায় আরম্ভ)
কেঁচো খুড়তে সাপ (বিপদজনক পরিস্থিতি)
কই মাছের প্রাণ (যা সহজে মরে না)
কুঁড়ের বাদশা (খুব অলস)
কাক ভূষণ্ডী (দীর্ঘজীবী)
কেতা দুরস্ত (পরিপাটি)
কাছা আলগা (অসাবধান)
কাঁচা পয়সা (নগদ উপার্জন)
কাঁঠালের আমসত্ত্ব (অসম্ভব বস্তু)
কূপমণ্ডুক (সীমাবদ্ধ জ্ঞান সম্পন্ন, ঘরকুনো)
কেতা দুরস্ত (পরিপাটি)
কাঠের পুতুল (নির্জীব, অসার)
কথায় চিঁড়ে ভেজা (ফাঁকা বুলিতে কার্যসাধন)
কান পাতলা (সহজেই বিশ্বাসপ্রবণ)
কাছা ঢিলা (অসাবধান)
কুল কাঠের আগুন (তীব্র জ্বালা)
কেঁচো খুড়তে সাপ (সামান্য থেকে অসামান্য পরিস্থিতি)
কেউ কেটা (সামান্য)
কেঁচে গণ্ডুষ (পুনরায় আরম্ভ)
কৈ মাছের প্রাণ (যা সহজে মরে না)
খয়ের খাঁ (চাটুকার)
খণ্ড প্রলয় (ভীষণ ব্যাপার)
খাল কেটে কুমির আনা (বিপদ ডেকে আনা)
গড্ডলিকা প্রবাহ (অন্ধ অনুকরণ)
গদাই লস্করি চাল (অতি ধীর গতি, আলসেমি)
গণেশ উল্টানো (উঠে যাওয়া, ফেল মারা)
গলগ্রহ (পরের বোঝা স্বরূপ থাকা)
গরজ বড় বালাই (প্রয়োজনে গুরুত্ব)
গরমা গরম (টাটকা)
গরিবের ঘোড়া রোগ (অবস্থার অতিরিক্ত অন্যায় ইচ্ছা)
গুর খোঁজা (তন্ন তন্ন করে খোঁজা)
গুরু মেরে জুতা দান (বড় ক্ষতি করে সামান্য ক্ষতিপূরণ)
গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল (প্রাপ্তির আগেই আয়োজন)
গা ঢাকা দেওয়া (আত্মগোপন)
গায়ে কাঁটা দেওয়া (রোমাঞ্চিত হওয়া)
গাছে তুলে মই কাড়া (সাহায্যের আশা দিয়ে সাহায্য না করা)
গায়ে ফুঁ দিয়ে বেড়ানো (কোনো দায়িত্ব গ্রহণ না করা)
গুরু মারা বিদ্যা (যার কাছে শিক্ষা তারই উপর প্রয়োগ)
গোকুলের ষাঁড় (স্বেচ্ছাচারী লোক)
গোঁয়ার গোবিন্দ (নির্বোধ অথচ হঠকারী)
গোল্লায় যাওয়া (নষ্ট হওয়া, অধঃপাতে যাওয়া)
গোবর গণেশ (মূর্খ)
গোলক ধাঁধা (দিশেহারা)
গোঁফ খেজুরে (নিতান্ত অলস)
গোড়ায় গলদ (শুরুতে ভুল)
গৌরচন্দ্রিকা (ভূমিকা)
গৌরীসেনের টাকা (বেহিসাবী অর্থ)
গুড়ে বালি (আশায় নৈরাশ্য)
ঘর ভাঙানো (সংসার বিনষ্ট করা)
ঘাটের মরা (অতি বৃদ্ধ)
ঘোড়া রোগ (সাধ্যের অতিরিক্ত সাধ)
ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়া (মধ্যবর্তীকে অতিক্রম করে কাজ করা)
ঘোড়ার ঘাস কাটা (অকাজে সময় নষ্ট করা)
ঘোড়ার ডিম (অবাস্তব)
ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো (নিজ খরচে পরের বেগার খাটা)
ঘাটের মড়া (অতি বৃদ্ধ)
ঘটিরাম (আনাড়ি হাকিম)
চক্ষুদান করা (চুরি করা)
চক্ষুলজ্জা (সংকোচ)
চর্বিত চর্বণ (পুনরাবৃত্তি)
চাঁদের হাট (আনন্দের প্রাচুর্য)
চিনির বলদ (ভারবাহী কিন্তু ফল লাভের অংশীদার নয়)
চোখের বালি (চক্ষুশূল)
চোখের পর্দা (লজ্জা)
চোখ কপালে তোলা (বিস্মিত হওয়া)
চোখ টাটানো (ঈর্ষা করা)
চোখে ধুলো দেওয়া (প্রতারণা করা)
চোখের চামড়া (লজ্জা)
চুনকালি দেওয়া (কলঙ্ক)
চশমখোর (চক্ষুলজ্জাহীন)
চোখের মণি (প্রিয়)
চামচিকের লাথি (নগণ্য ব্যক্তির কটূক্তি)
চিনির পুতুল (শ্রমকাতর)
চুঁনোপুটি (নগণ্য)
চুলোয় যাওয়া (ধ্বংস)
চিনে/ছিনে জোঁক (নাছোড়বান্দা)
ছ কড়া ন কড়া (সস্তা দর)
ছা পোষা (অত্যন্ত গরিব)
ছাই ফেলতে ভাঙা কুলা (সামান্য কাজের জন্য অপদার্থ ব্যক্তি)
ছেলের হাতের মোয়া (সামান্য বস্তু)
ছুঁচো মেরে হাত গন্ধ করা (নগণ্য স্বার্থে দুর্নাম অর্জন)
ছক্কা পাঞ্জা (বড় বড় কথা বলা)
ছিঁচ কাদুনে (অল্পই কাঁদে এমন)
ছিনিমিনি খেলা (নষ্ট করা)
ছেলের হাতের মোয়া (সহজলভ্য বস্তু)
জগাখিচুড়ি পাকানো (গোলমাল বাধানো)
জিলাপির প্যাঁচ (কুটিলতা)
জলে কুমির ডাঙায় বাঘ (উভয় সঙ্কট)
ঝড়ো কাক (বিপর্যস্ত)
ঝাঁকের কৈ (এক দলভুক্ত)
ঝিকে মেরে বউকে বোঝানো (একজনের মাধ্যমে দিয়ে অন্যজনকে শিক্ষাদান)
ঝোপ বুঝে কোপ মারা (সুযোগ মত কাজ করা)
টনক নড়া (চৈতন্যোদয় হওয়া)
টাকার কুমির (ধনী ব্যক্তি)
টেকে গোঁজা (আত্মসাৎ করা)
টুপভুজঙ্গ (নেশায় বিভোর)
ঠাঁট বজায় রাখা (অভাব চাপা রাখা)
ঠোঁট কাটা (বেহায়া)
ঠগ বাছতে গাঁ উজাড় (আদর্শহীনতার প্রাচুর্য)
ঠুঁটো জগন্নাথ (অকর্মণ্য)
ঠেলার নাম বাবাজি (চাপে পড়ে কাবু)
ডুমুরের ফুল (দুর্লভ বস্তু)
ডাকের সুন্দরী (খুবই সুন্দরী)
ডুমুরের ফুল (দুর্লভ বস্তু)
ডান হাতের ব্যাপার (খাওয়া)
ডামাডোল (গণ্ডগোল)
ঢাক ঢাক গুড় গুড় (গোপন রাখার চেষ্টা)
ঢাকের কাঠি (মোসাহেব, চাটুকার)
ঢাকের বাঁয়া (অপ্রয়োজনীয়)
ঢেঁকির কচকচি (বিরক্তিকর কথা)
ঢি ঢি পড়া (কলঙ্ক প্রচার হওয়া)
ঢিমে তেতালা (মন্থর)
তালকানা (বেতাল হওয়া)
তাসের ঘর (ক্ষণস্থায়ী)
তামার বিষ (অর্থের কু প্রভাব)
তালপাতার সেপাই (ক্ষীণজীবী)
তিলকে তাল করা (বাড়িয়ে বলা)
তুলসী বনের বাঘ (ভণ্ড)
তুলা ধুনা করা (দুর্দশাগ্রস্ত করা)
তুষের আগুন (দীর্ঘস্থায়ী ও দুঃসহ যন্ত্রণা)
তীর্থের কাক (প্রতীক্ষারত)
থ বনে যাওয়া (স্তম্ভিত হওয়া)
থরহরি কম্প (ভীতির আতিশয্যে কাঁপা)
দা-কুমড়া (ভীষণ শত্রুতা)
দহরম মহরম (ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক)
দু মুখো সাপ (দু জনকে দু রকম কথা বলে পরস্পরের মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টিকারী)
দিনকে রাত করা (সত্যকে মিথ্যা করা)
দুধে ভাতে থাকা (খেয়ে-পড়ে সুখে থাকা)
দেঁতো হাসি (কৃত্তিম হাসি)
দাদ নেওয়া (প্রতিশোধ নেয়া)
দুকান কাটা (বেহায়া)
দুধের মাছি (সু সময়ের বন্ধু)
ধরাকে সরা জ্ঞান করা (সকলকে তুচ্ছ ভাবা)
ধড়া-চূড়া (সাজপোশাক)
ধরাকে সরা জ্ঞান করা (অহঙ্কারে সবকিছু তুচ্ছ মনে করা)
ধর্মের ষাঁড় (যথেচ্ছাচারী)
ধর্মের কল বাতাসে নড়ে (সত্য গোপন থাকে না)
ধরি মাছ না ছুঁই পানি (কৌশলে কার্যাদ্ধার)
ননীর পুতুল (শ্রমবিমুখ)
নয় ছয় (অপচয়)
নাটের গুরু (মূল নায়ক)
নাড়ি নক্ষত্র (সব তথ্য)
নিমক হারাম (অকৃতজ্ঞ)
নিমরাজি (প্রায় রাজি)
নামকাটা সেপাই (কর্মচ্যূত ব্যক্তি)
নথ নাড়া (গর্ব করা)
নেই আঁকড়া (একগুঁয়ে)
নগদ নারায়ণ (কাঁচা টাকা/নগদ অর্থ)
নেপোয় মারে দই (ধূর্ত লোকের ফল প্রাপ্তি)
পটল তোলা (মারা যাওয়া)
পগার পার (আয়ত্তের বাইরে পালিয়ে যাওয়া)
পটের বিবি (সুসজ্জিত)
পত্রপাঠ (অবিলম্বে/সঙ্গে সঙ্গে)
পালের গোদা (দলপতি)
পাকা ধানে মই (অনিষ্ট করা)
পাখিপড়া করা (বার বার শেখানো)
পাততাড়ি গুটানো (জিনিসপত্র গোটানো)
পাথরে পাঁচ কিল (সৌভাগ্য)
পুঁটি মাছের প্রাণ (যা সহজে মরে যায়)
পুকুর চুরি (বড় রকমের চুরি)
পুরোনো কাসুন্দি ঘাঁটা (পুরোনো প্রসঙ্গে কটাক্ষ করা)
পোঁ ধরা (অন্যকে দেখে একই কাজ করা)
পোয়া বারো (অতিরিক্ত সৌভাগ্য)
প্রমাদ গোণা (ভীত হওয়া)
পায়াভারি (অহঙ্কার)
পরের মাথায় কাঁঠাল ভাঙা (অপরকে দিয়ে কাজ উদ্ধার)
পরের ধনে পোদ্দারি (অন্যের অর্থের যথেচ্ছ ব্যয়)
ফপর দালালি (অতিরিক্ত চালবাজি)
ফুলবাবু (বিলাসী)
ফেউ লাগা (আঠার মতো লেগে থাকা)
ফুলের ঘাঁয়ে মূর্ছা যাওয়া (অল্পে কাতর)
ফোড়ন দেওয়া (টিপ্পনী কাটা)
বক ধার্মিক (ভণ্ড সাধু)
বইয়ের পোকা (খুব পড়ুয়া)
বগল বাজানো (আনন্দ প্রকাশ করা)
বজ্র আঁটুনি ফসকা গেরো (সহজে খুলে যায় এমন)
বসন্তের কোকিল (সুদিনের বন্ধু)
বিড়াল তপস্বী (ভণ্ড সাধু)
বর্ণচোরা আম (কপট ব্যক্তি)
বরাক্ষরে (অলক্ষুণে)
বাজারে কাটা (বিক্রি হওয়া)
বালির বাঁধ (অস্থায়ী বস্তু)
বাঁ হাতের ব্যাপার (ঘুষ গ্রহণ)
বাঁধা গৎ (নির্দিষ্ট আচরণ)
বাজখাঁই গলা (অত্যন্ত কর্কশ ও উঁচু গলা)
বাড়া ভাতে ছাই (অনিষ্ট করা)
বায়াত্তরে ধরা (বার্ধক্যের কারণে কাণ্ডজ্ঞানহীন)
বিদ্যার জাহাজ (অতিশয় পণ্ডিত)
বিশ বাঁও জলে (সাফল্যের অতীত)
বিনা মেঘে বজ্রপাত (আকস্মিক বিপদ)
বাঘের দুধ/ চোখ (দুঃসাধ্য বস্তু)
বিসমিল্লায় গলদ (শুরুতেই ভুল)
বুদ্ধির ঢেঁকি (নিরেট মূর্খ)
ব্যাঙের আধুলি (সামান্য সম্পদ)
ব্যাঙের সর্দি (অসম্ভব ঘটনা)
ভরাডুবি (সর্বনাশ)
ভস্মে ঘি ঢালা (নিষ্ফল কাজ)
ভাদ্র মাসের তিল (প্রচণ্ড কিল)
ভানুমতীর খেল (অবিশ্বাস্য ব্যাপার)
ভাল্লুকের জ্বর (ক্ষণস্থায়ী জ্বর)
ভাঁড়ে ভবানী (নিঃস্ব অবস্থা)
ভূতের ব্যাগার (অযথা শ্রম)
ভূঁই ফোড় (হঠাৎ গজিয়ে ওঠা)
ভিজে বিড়াল (কপটাচারী)
ভূশন্ডির কাক (দীর্ঘজীবী)
মগের মুল্লুক (অরাজক দেশ)
মণিকাঞ্চন যোগ (উপযুক্ত মিলন)
মন না মতি (অস্থির মানব মন)
মড়াকান্না (উচ্চকণ্ঠে শোক প্রকাশ)
মাছের মায়ের পুত্রশোক (কপট বেদনাবোধ)
মিছরির ছুরি (মুখে মধু অন্তরে বিষ)
মুখ চুন হওয়া (লজ্জায় ম্লান হওয়া)
মুখে দুধের গন্ধ (অতি কম বয়স)
মুস্কিল আসান (নিষ্কৃতি)
মেনি মুখো (লাজুক)
মাকাল ফল (অন্তঃসারশূণ্য)
মশা মারতে কামান দাগা (সামান্য কাজে বিরাট আয়োজন)
মুখে ফুল চন্দন পড়া (শুভ সংবাদের জন্য ধন্যবাদ)
মেছো হাটা (তুচ্ছ বিষয়ে মুখরিত)
যক্ষের ধন (কৃপণের ধন)
যমের অরুচি (যে সহজে মরে না)
রত্নপ্রসবিনী (সুযোগ্য সন্তানের মা)
রাঘব বোয়াল (সর্বগ্রাসী ক্ষমতাবান ব্যক্তি)
রাবণের চিতা (চির অশান্তি)
রাশভারি (গম্ভীর প্রকৃতির)
রাই কুড়িয়ে বেল (ক্ষুদ্র সঞ্চয়ে বৃহৎ)
রাজা উজির মারা (আড়ম্বরপূর্ণ গালগল্প)
রাবণের গুষ্টি (বড় পরিবার)
রায় বাঘিনী (উগ্র স্বভাবের নারী)
রাজ যোটক (উপযুক্ত মিলন)
রাহুর দশা (দুঃসময়)
রুই-কাতলা (পদস্থ বা নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি)
লেফাফা দুরস্ত (বাইরের ঠাট বজার রেখে চলেন যিনি)
লগন চাঁদ (ভাগ্যবান)
ললাটের লিখন (অমোঘ ভাগ্য)
লাল পানি (মদ)
লাল বাতি জ্বালা (দেউলিয়া হওয়া)
লাল হয়ে যাওয়া (ধনশালী হওয়া)
লেজে গোবরে (বিশৃঙ্খলা)
শকুনি মামা (কুটিল ব্যক্তি)
শাঁখের করাত (দুই দিকেই বিপদ)
শাপে বর (অনিষ্টে ইষ্ট লাভ)
শিকায় ওঠা (স্থগিত)
শিঙে ফোঁকা (মরা)
শিবরাত্রির সলতে (একমাত্র সন্তান)
শিরে সংক্রান্তি (বিপদ মাথার ওপর)
শুয়ে শুয়ে লেজ নাড়া (আলস্যে সময় নষ্ট করা)
শরতের শিশির (সুসময়ের বন্ধু)
শত্রুর মুখে ছাই (কুদৃষ্টি এড়ানো)
শ্রীঘর (কারাগার)
ষাঁড়ের গোবর (অযোগ্য)
ষোল আনা (পুরোপুরি)
ঘোল কলা (পুরোপুরি)
সবুরে মেওয়া ফলে (ধৈর্যসুফল মিলে)
সরফরাজি করা (অযোগ্য ব্যক্তির চালাকি)
সাত খুন মাফ (অত্যধিক প্রশ্রয়)
সাত সতের (নানা রকমের)
সাপের ছুঁচো গেলা (অনিচ্ছায় বাধ্য হয়ে কাজ করা)
সেয়ানে সেয়ানে (চালাকে চালাকে)
সবে ধন নীলমণি (একমাত্র অবলম্বন)
সাতেও নয়, পাঁচেও নয় (নির্লিপ্ত)
সাপের পাঁচ পা দেখা (অহঙ্কারী হওয়া)
সোনায় সোহাগা (উপযুক্ত মিলন)
সাক্ষী গোপাল (নিষ্ক্রিয় দর্শক)
সখাত সলিলে (ঘোর বিপদে পড়া)
সব শেয়ালের এক রা (ঐকমত্য)
হাটে হাঁড়ি ভাঙা (গোপন কথা প্রকাশ করা)
হাতটান (চুরির অভ্যাস)
হ য ব র ল (বিশৃঙ্খলা)
হরি ঘোষের গোয়াল (বহু অপদার্থ ব্যক্তির সমাবেশ)
হরিলুট (অপচয়)
হস্তীমূর্খ (বুদ্ধিতে স্থূল)
হাড়ে দুর্বা গজানো (অত্যন্ত অলস হওয়া)
হাতুড়ে বদ্যি (আনাড়ি চিকিৎসক)
হাতের পাঁচ (শেষ সম্বল)
হীরার ধার (অতি তীক্ষ্ণবুদ্ধি)
হোমরা চোমরা (গণ্যমান্য ব্যক্তি)
হিতে বিপরীত (উল্টো ফল)
হাড় হদ্দ (নাড়ি নক্ষত্র/সব তথ্য)
হাড় হাভাতে (হতভাগ্য)
হালে পানি পাওয়া (সুবিধা করা)
১.বাংলা গদ্যের জনক কে?
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
সবার আগে আপডেট পেতে পেইজে লাইক দিন
২.বাংলা গদ্যের পথিকৃৎ কে?
উইলিয়াম কেরি
৩.বাংলা গদ্য রীতির প্রবর্তক কে?
প্রমথ চৌধুরী
৪.বাংলা সাহিত্যে মুক্তক ছন্দের প্রবর্তক কে?
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৫.বাংলা ছোট গল্পের জনক কে?
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৬.বাংলা মুদ্রন শিল্পের জনক কে?
চালর্স উইলকিনস
৭.সর্বপ্রথম বাংলা অক্ষর খোদাই করেন কে?
চালর্স উইলকিনস
৮.বাঙালীদের মধ্যে সর্বপ্রথম প্রথম বাংলা অক্ষর খোদাই করেন কে?
পঞ্চানন কর্মকার
৯.বাংলা বর্ণমালার স্থায়ীরূপ প্রদান করেন কে?
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
১০.সর্বপ্রথম প্রকাশিত বাংলা পত্রিকার নাম কী?
দিকদর্শন
১১,দিকদর্শন পত্রিকাটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
১৮১৮ সালে এপ্রিল মাস
১২.সর্বপ্রথম প্রকাশিত বাংলা পত্রিকার নাম কী?
রংপুর বার্তাবহ
১৩.রংপুর বার্তাবহ কোথা থেকে প্রকাশিত হয়?
রংপুর থেকে
১। শালবন বিহার কোথায় অবস্থিত? [৩৩ তম প্রিলিমিনারি] [১০ম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ কুমিল্লা জেলার ময়নামতি ও লালমাই পাহাড়ের মাঝখানে অবস্থিত।
২। উত্তরা গণভবন কোথায় অবস্থিত? [১৯ তম প্রিলিমিনারি] [১০ম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ নাটোরের দিঘাপাতিয়া নামক স্থানে অবস্থিত।
৩। পাহাড়তলী কী জন্য বিখ্যাত? [১০ম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ রেলের ইঞ্জিন ও বগি মেরামতের জন্য। এটি চট্টগ্রামে অবস্থিত।
৪। সন্তোষ কী জন্য বিখ্যাত? [১০ম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ কাগমারী সম্মেলন এখানে অনুষ্ঠিত হয়। এটি টাঙ্গাইলে অবস্থিত।
৫। ‘শেষের কবিতা’ কে লিখেছেন? [১০ম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এটি একটি কাব্যধর্মী উপন্যাস।
৬। ’ব্যাথার দান’ কে লিখেছেন? [১০ম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ কাজী নজরুল ইসলাম। এটি একটি গল্পগ্রন্থ।
৭। জাতীয় ‘সংহতি দিবস’ কবে? [১০ম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ৭ নভেম্বর।
৮। জাতীয় ‘শোক দিবস’ কবে? [১০ম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ১৫ আগস্ট।
৯। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কখন স্থাপিত হয়? [১০, ১৩ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ৬ জুলাই ১৯৫৩ সালে।
১০। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কখন স্থাপিত হয়? [১০ম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ১৯৬১ সালে।
১১। চন্দ্রঘোনা কাগজের কলে কোন প্রধান কাঁচামাল ব্যবহৃত হয়? [১০ম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ বাঁশ ও কাঠ।
১২। পাকশী কাগজের কলে কোন প্রধান কাঁচামাল ব্যবহৃত হয়? [১০ম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ আখের ছোবরা।
১৩। গারো উপজাতীয়রা কোথায় বসবাস করে? [১০ম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ময়মনসিংহে।
১৪। খাসিয়া উপজাতীয়রা কোথায় বসবাস করে? [১০ম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ সিলেটে।
১৫। পিএটিসি এর প্রধানক কর্মকর্তাকে কী বল হয়? [১০ম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ রেকটর।
১৬। বাংলাদেশ স্কাউটস এর প্রধান কর্মকর্তাকে কী বলা হয়? [১০ম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ কমিশনার।
১৭। বাংলাদেশ বিমান সংস্থার নিয়ন্ত্রনকারী মন্ত্রণালয়ের নাম কী? [১০ম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ বেসামরিক বিমান ও পর্য্টন মন্ত্রণালয়।
১৮। চিনি ও খাদ্য সংস্থা কোন মন্ত্রণালয়ের অধিনে? [১০ম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ শিল্প মন্ত্রণালয়।
১৯। মুঘলরা ঢাকা শহরের নাম কী দেয়? [১০ম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ জাহাঙ্গীরনগর।
২০। মুঘলরা চট্টগ্রামের কী নাম দেয়? [১০ম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ইসলামাবাদ।
২১। BIISS এর পূর্ণরূপ কী? [১০ম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ Bangladesh Institute of International and Strategic Studies.
২২। BIRDEM এর পূর্ণরূপ কী? [১০ম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ Bangladesh Institute of Research and Rehabilitation in Diabetic Endocrine and Metabolic Disorder.
২৩। বাংলাদেশে বর্তমানে মেডিকেল কলেজ কয়টি? [১০, ১৩ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ৮৩ টি। ২৯টি সরকারি এবং ৫৪ টি বেসরকারি।( এটির আপডেট লাগবে)
২৪। বাংলাদেশে বর্তমানে ক্যাডেট কলেজ কয়টি? [১০, ১৩ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ ১২ টি।
২৫। ’হারমণি’ লোকসাহিত্য সংকলনগ্রন্থের লেখক কে? [১১ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ মুহম্মদ মনসুর উদ্দীন।
২৬। বড়ু চণ্ডীদাসের কাব্যের নাম কী? [১১ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ শ্রীকৃষ্ণকীর্তন।
২৭। জয়দেবের কাব্যের নাম কী? [১১ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ গীতগোবিন্দ।
২৮। শিল্প ও সাহিত্যের কোন শাখায় হুমায়ূন আহমেদ বিখ্যাত ছিলেন? [১১ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ উপন্যাসে।
২৯। শিল্প ও সাহিত্যের কোন শাখায় এসএম সুলতান বিখ্যাত ছিলেন? [১১ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ চিত্রকলায়।
৩০। ‘দুরন্ত’ এর ভাস্কর কে? [১১ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ রাশা।
৩১। ‘জননী’ এর ভাস্কর কে? [১১ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ভিনসেন্ট ভ্যানগগ।
৩২। ‘হাজার বছর ধরে’ উপন্যাসের রচয়িতা কে? [১১ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ জহির রায়হান।
৩৩। ‘অশ্রুমালা’ এর রচয়িতা কে? [১১ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ কায়কোবাদ।
৩৪।সর্বপ্রথম কোন দেশ বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়? [১১তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃভুটান আগে তারপর ভারত। (৬ ডিসেম্বর)।
৩৫। বাংলাদেশ কখন জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে? [১১ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ সালে।
৩৬। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মুসলিম উপাচার্য্ কে? [১১ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ স্যার এ এফ রহমান।
৩৭। ঢাকার বিখ্যাত তাঁরা মসজিদের নির্মাতা কে? [১১ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ মির্জা আহমেদ খান।
৩৮। ঢাকার বড় কাটারার নির্মাতা কে? [১১ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ শাহ সুজা।
৩৯। শাহ সুলতান বলখীর মাজার কোথায়? [১১ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ বগুড়ার মহাস্থানগড়ে।
৪০। বাবা আদম শহীদের মাজার কোথায়? [১১ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ বগুড়ার আদমদীঘিতে।
৪১। আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা কোনটি? [১১ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ রাঙ্গামাটি।
৪২। আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম জেলা কোনটি? [১১ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ নারায়নগঞ্জ।
৪৩। বাংলাদেশে নদীভিক্তিক থানা কয়টি? [১১ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ১০ টি।( আপডেট লাগবে)
৪৪। ‘শেষের কবিতা’ কোন শ্রেণির সাহিত্যকর্ম? [১৩ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ কাব্যধর্মী উপন্যাস।
৪৫। ‘কালের কলস’ কোন শ্রেণির সাহিত্যকর্ম? [১৩ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ কাব্যগ্রন্থ। লেখক আল মাহমুদ।
৪৬। জসীমউদদীন ব্যাতীত অন্য কোন দু’জন কবির কবিতায় বাংলার গ্রামজীবনের চিত্র রূপায়িত হয়েছে? উত্তরঃ জীবনানন্দ দাস ও বন্দে আলী মিয়া।
৪৭। ‘পদ্মাবতী’র রচয়িতা কে? [১৩ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ পদ্মাবতী কাব্যের রচয়িতা আলাওল, পদ্মাবতী নাটকের রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত, পদ্মাবতী সমালোচনামূলক গ্রন্থের রচয়িতা সৈয়দ আলী আহসান।
৪৮। ‘জমিদার দর্পণ’ নাটকের রচয়িতা কে? [১৩ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ মীর মশাররফ হোসেন।
৪৯। বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থাপতি কে? [১৩ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ সৈয়দ মইনুল হোসেন।
৫০। পাকিস্থান কখন বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়? [১৩ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪।
৫১। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালযের প্রথম উপাচার্যের নাম কী? [১৩ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ স্যার পি. জে. হার্টজ।
৫২। কার্জন হল কখন নির্মিত হয়? [১৩ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ১৯০৪ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি।
৫৩। ময়নামতি কেন বিখ্যাত? [১৩ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ প্রাচীন বৌদ্ধসভ্যতার জন্য।
৫৪। ১৯০৫ সালে ঢাকাকে রাজধানী করে যে নতুন প্রদেশ গঠিত হয় তার নাম কী? [১৩ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ পূর্ব বঙ্গ ও আসাম।
৫৫। নতুন প্রদেশ পূর্ববঙ্গ ও আসামের প্রাদেশিক গভর্নর কে ছিলেন? [১৩ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ স্যার ব্যামফিল্ড ফুলার। (তখন সমগ্র ভারেতর গভর্নর ছিলেন—লর্ড কার্জন)
৫৬। বাংলাদেশের প্রধান দু’টি রপ্তানিপণের নাম কী কী? [১৩ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ তৈরি পোশাক ও পাট।
৫৭। বাংলাদেশ কোন দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি করে? [৩৭ তম প্রিলি] [১৩ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ চীন।
৫৮। বাংলাদেশের মৃত্তিকাকে কয় ভাগে ভাগ করা যেতে পারে? [১৫ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ৪ ভাগে।
৫৯। বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিস্থম্ভ কয়টি? [১৫ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ৫ টি।
৬০। কোন কোন পানিতে গলদা এবং বাগদা চিংড়ি চাষ করতে হয়? [১৫ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ স্বাদু ও স্বচ্ছ পানিতে গলদা চিংড়ি এবং লবণাক্ত পানিতে বাগদা চিংড়ি চাষ কর হয়।
৬১। বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা অফিস কয়টি? [১৫ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ১০ টি।
৬২। বাংলাদেশে মোট কত মাইল সমুদ্র উপকূল রয়েছে? [১৫ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ৪৫০ মাইল। (৭২৪ কি. মি.) ।
৬৩। সুন্দরবনের মোট আয়তন কত? [১৫ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ৬০১৭ বর্গ কি. মি.।
৬৪। গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা কে? [১৫ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ড. মুহম্মদ ইউনূস।
৬৫। বাংলাদেশের কোথায় সাদা মাটি পাওয়া যায়? [১৫ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ বাংলাদেশের নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুরে সাদা মাটি পাওয়া যায়।
৬৬। জুটন কী? [১৫ তম বিসিএস লিখিত]
উত্তরঃ৭০ ভাগ পাট ও ৩০ ভাগ তুলার মিশ্রণে তৈরি কাপর। (আবিষ্কারক মুহম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ)
৬৭। ইরাটম কী? [১৫ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ইরাটম এক ধরনের ধান।
৬৮। বাংলাদেশে কত সালে কোন স্থানে প্রথম চায়ের চাষ শুরু হয়? [১৫ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ ১৮৫৪ সালে সিলেটের মালনীছড়ায়।
৬৯। বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক কী? [১৫ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ উভয়পাশে ধানের শীষ বেষ্ঠিত পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা, এর উপর পাটগাছের পরস্পর সংযুক্ত তিনটি পাতা এবং উভয়পাশে দুটি করে তারকা।
৭০। মধুপুর গড় কোন কোন জেলায় রয়েছে? [১৭ তম বিসিএস লিখিত] উত্তরঃ টাঙ্গাইল