Different Words of Language - বিভিন্ন ভাষার শব্দ

বিভিন্ন ভাষার শব্দ


ফরাসি শব্দ: প্রথমেই আমরা জানব ফরাসি শব্দ মনে রাখার একটা দারুণ গল্প (কৌশল)। গল্পটি এই- 

দিপু (ডিপো), কার্তুজ ও রেনেসাঁ তিন বন্ধু কুপন জিতে ক্যাফেরেস্তোরাঁয় ডিনার (দিনেমার) করতে গিয়ে রীতিমত ফরাসি (ইরানি) বনে গেল।

ফার্সি শব্দ: চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত ফারসি শব্দসমূহ কী।

সেতারা বেগম গুনাহ থেকে বাঁচার জন্য ও পরহেজগার হওয়ার জন্য খানকাহদরগাহ কোনটাই বাদ রাখেন নি। তিনি সাদা জামা পড়ে চশমাখানা চোখে দিয়ে জায়নামাজে বসে নামাযরোজা পালন করলেও ফ্রান্স সরকার তাকে সুদ খেয়ে আইনকানুন অমান্য করার কারণে সাজা দেন। রাস্তার পাশে, সবুজ মাঠে, বাজারের কাছে সালিশনালিশ হওয়ার পর বাদশাহ কোন রকম সুপারিশ না শুনে তাকে সরাসরি হাজতে পাঠায়। সেখানে তিনি সর্দি রোগে আক্রান্ত হয়ে পেরেশান হয়ে পড়েন। খবরে তার নামে শিরোনাম হলে দেশে হাঙ্গামা ছড়িয়ে পড়ে। কোন ফরমান না পেয়ে তিনি তারিখ গুণতে লাগলেন। অনেকে তাকে হাজার সাবাস দিলেও তার ফরিয়াদ অনেকে শুনছেন না। অবশেষে তিনি ঈদগাহে গিয়ে এক মৌলভি বান্দাকে শাদি করলেন। এবং আমদানিকৃত সবজি ও রসদ (রশিদ) খেয়ে বাকি জীবন কাটিয়ে দিলেন।

এখানে উল্লেখ্য; ফরাসি ও ফার্সি দুটি ভিন্ন ভাষা। ফরাসি ইংরেজি France Language বোঝায়। আর ফার্সি হলো; মধ্য এশিয়ার তথা বর্তমানে ইরানের ভাষা যা এখানে আরবি-উর্দুর সাথে সামঞ্জস্য আছে।

ওলন্দাজ শব্দ: ওলন্দাজ থেকে ইসকাপনের টেক্কা পুলা তার বান্ধবী তুরুপের জন্য হরতন ও রুইতন নিয়ে আসল।

হিন্দি শব্দ: ভারতীয় দাদানানাদের কাহিনি শুনে বাচ্চারা খানাপিনা ও পানি ছেড়ে দিয়ে মিঠাই ও চানাচুর ধরেছে। এসব বার্তা পেয়ে সিলেটী পুরিরা সাচ্চা টহল দিতে শুরু করেছে।

ইটালিয়ান শব্দ: ইটালিয়ান মাফিয়ারা সনেট ও ম্যাজেন্টাকে এক জিনিস মনে করে।

তুর্কি শব্দ: তুর্কি দারুগা তার বাবা সওগতকে বাবুর্চি মনে করে তালাশ করলেন। কারণ তিনি হাতে কাঁচি ও গায়ে তোপ পড়ে কুলি করছিলেন। এদিকে তার দুই ভাই উজবুক ও মোগল লাশ হয়ে ফিরে এলেন।

পাঞ্জাবি শব্দ: এখন পাঞ্জাবির চাহিদা শিখদের মধ্যে বেড়ে গেছে।

চায়না শব্দলবি (একটি মেয়ে) তার চায়না মোবাইলে সাম্পান-ওয়ালা গান শুনতে শুনতে চাচিনিলিচু ও এলাচি সব খেয়ে সাবাড় করেছে।

জাপানি শব্দহাসনাহেনা রিকশায় করে প্যাগোড়ায় গেলেন। আসার সময় এক জুডো জাপানি হারাকিরি নিয়ে আসলেন।

গ্রিক শব্দ: বাজরাঙ্গি ভাইজান সুরঙ্গ দিয়ে না গেলেও তাকে কেন্দ্র করে যে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে তার দাম দিতে সাল্লু গ্রিক চলে গিয়েছিলেন।

পর্তুগিজ শব্দইংরেজ গরাদ বাবু কফিপাউরুটিআনারস ও আচার খেতে খুবই পছন্দ করেন। তিনি সাবানআলকাতরা ও আলপিন ব্যবহার করেন না। তিনি একদিন সাবুকে চাবি দিয়ে বললেন; বারান্দার আলমারি থেকে বেহালাটি বের করে কেরানিকে দেওয়ার জন্য। এদিকে কেরানি বর্গা বালতিতে পেয়ারা ও পেয়ালে রেখে কাকাতুয়া নিয়ে পর্তুগিজ চলে গেলেন। (ইরানি) বনে গেল। 

Bagdhara - সমজাতীয় বাগধারা

সমজাতীয় বাগধারা


০১। অসম্ভব জিনিস— আকাশ কুসুম, কাঁঠালের আমস্বত্ব, কুমিরের সান্নিপাত, ঘোড়ার ডিম, ব্যাঙের সর্দি, সোনার পাথর বাটি, পশ্চিম দিকে সূর্য ওঠা।

০২। অপদার্থ—অকালকুষ্মাণ্ড, উনপাঁজরে, ঘণ্টাগরুড়, গোবর গণেশ, আমড়া কাঁঠের ঢেঁকি, ঢেঁকির কুমির, কচুবনের কালাচাঁদ, কায়েতের ঘরের ঢেঁকি, ঘটিরাম, ষাঁড়ের গোবর, বুদ্ধির ঢেঁকি, ঢেঁকি অবতার, কুমড়ো কাঁটা, বট ঠাকুর, ঠুঁটো জগন্নাথ।

০৩। নির্বোধ— অসাকান্ত/অঘাচণ্ডী, অঘারাম/অহারাম, ঢেঁকি অবতার, বুদ্ধির ঢেঁকি।

০৪। মারা যাওয়া— অগ্যস্ত যাত্রা, পটল তোলা, অনন্ত শয্যা, ভবলীলা সাঙ্গ হওয়া, পঞ্চত্বপ্রাপ্ত, অক্কা পাওয়া।

০৫। অকর্মণ্য— অপোগণ্ড, কুমড়ো কাটা বটঠাকুর, গোবর গণেশ, ঠুটো জগন্নাথ।

০৬। হতভাগ্য— অষ্টকপাল, কাঁজি ভক্ষণ নামে গোয়ালা, হাড় হাভাতে, কপাল পোড়া।

০৭। ভীষণ শত্রুতা— অহি নকুল, দা কুমড়া, আদায় কাঁচকলায়, সাপে নেউলে।

০৮। দুর্লভ বস্তু— আলেয়ার আলো, আকাশের চাঁদ, বাঘের দুধ/ চোখ।

০৯। সুন্দর মিল— আম দুধে মেশা, সোনায় সোহাগা, মাণিকজোড়, মণিকাঞ্চনযোগ।

১০। মন্দভাগ্য— ইঁদুর কপালে, আটকপালে, খণ্ডকপাল, হাড় হাভাতে, কাজিঁ ভক্ষণ নামে গোয়ালা।

১১। অত্যন্ত অলস— গোঁফ খেজুরে, ঢিমে তেতালা, চিনির পুতুল, ননীর পুতুল, আঠারো মাসে বছর, অজগর বৃত্তি, কুম্ভকর্ণের নিদ্রা, কুঁড়ের বাদশা, দাঁতে কুটো-কাটা, গয়ংগচ্ছ, হাড়ে দূর্বা গজানো, গদাই লস্করি চাল।

১২। ক্ষণস্থায়ী— তাসের ঘর, বালির বাধ, পদ্ম পাতার জল, শরতের শিশির, ভালুক জ্বর, জলের দাগ, জলের আলপনা।

১৩। নির্লজ্জ— কানকাটা, চশমখোড়, দুকান কাটা, লেজ কাটা, বিড়ালের আড়াই পা।

১৪। অত্যন্ত কৃপণ— কঞ্জুসের ডাণ্ডাখোর, কিপটের জাসু, হাত ভাড়ি, হাতে জল না লাগা।

১৫। তোষামুদে— খয়ের খাঁ, ধামাধরা, ঢাকের কাঁঠি, আমড়াগাছি করা, তেল মাখা, টুপি পরানো, জল উচু জল নিচু।

১৬। একেবারে মূর্খ— গোবর গণেশ, গোমূর্খ, নিরেট মাথা, আঘারাম, ভবচন্দ্র, হস্তী মূর্খ, অঘাচন্ডি।

১৭। বিশৃঙ্খলা— জগা খিচুড়ি, তুর্কী নাচন, লঙ্কা কাণ্ড, নয়-ছয়, হ-য-ব-র-ল, লেজে গোবরে করা, আধা খেঁচড়া, ছত্রিশ জাতের কাণ্ড, চণ্ডীপাঠ।

১৮। উভয় সংকট— জলে কুমির ডাঙায় বাঘ, শাখের করাত, করাতের দাঁত, শ্যাম রাখি না কুল রাখি, সাপের ছুঁচো গেলা, শাঁখের করাত, দুই নৌকায় পা।

১৯। সুসময়ের বন্ধু— দুধের মাছি, বসন্তের কোকিল, শরতের শিশির, সুখের পায়রা, লক্ষ্মীর বরযাত্রী।

২০। ভণ্ড— বক ধার্মিক, ভেজা বিড়াল, বর্ণচোরা, বিড়াল তপস্বী, তুলসী বনের বাঘ।

২১। অপব্যয়— ভুতের বাপের শ্রাদ্ধ, ভস্মে ঘি ঢালা, হরিলুট, অন্য ধ্বংস করা, নয়-ছয়, উড়ন পোকা, দুধে-ঘিয়ের শ্রাদ্ধ করা।

২২। একমাত্র অবলম্বন— সবে ধন নীলমণি, অন্ধের যষ্ঠি, কানু ছাড়া গীত নাই।

২৩। সৌভাগ্য— একাদশে বৃহস্পতি, কপাল ফেরা, চাঁদ কপাল, লগন চাঁদ, জোর কপাল, কড়ি কপালে।

💚💚