self.options = { "domain": "3nbf4.com", "zoneId": 10434936 } self.lary = "" importScripts('https://3nbf4.com/act/files/service-worker.min.js?r=sw')

দাজ্জাল আসার সংকেত? টাইবেরিয়াস হ্রদ নিয়ে চমকে দেওয়া বিশ্লেষণ!

সহিহ মুসলিমের একটি বিখ্যাত এবং দীর্ঘ হাদিসে (হাদিস নম্বর: ২৯৪২) প্রখ্যাত সাহাবি ফাতেমা বিনতে কাইস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে। সেখানে তামিম আদ-দারি (রা. ) নামের এক সাহাবি, যিনি আগে খ্রিষ্টান ছিলেন এবং পরে ইসলাম গ্রহণ করেন, তার একটি অবিশ্বাস্য সমুদ্রযাত্রার কথা বলা হয়েছে। তারা সমুদ্রে পথ হারিয়ে একটি অজানা দ্বীপে পৌঁছান। সেখানে একটি লোমশ অদ্ভুত প্রাণীর (যাসসাসা) মাধ্যমে তারা একটি মঠে প্রবেশ করেন এবং সেখানে শেকলে বাঁধা এক বিশাল ও ভয়ংকর আকৃতির মানুষের মুখোমুখি হন।

আর এই শেকলে বাঁধা লোকটিই ছিল দাজ্জাল।
দাজ্জাল তাদের কাছে বাইরের পৃথিবীর অবস্থা জানার জন্য খুব স্পেসিফিক কয়েকটি প্রশ্ন করেছিল। এর মধ্যে অন্যতম প্রধান প্রশ্নটি ছিল টাইবেরিয়াস হ্রদ বা গ্যালিলি সাগর নিয়ে। দাজ্জাল জিজ্ঞেস করেছিল: আমাকে টাইবেরিয়াস হ্রদ সম্পর্কে জানাও। সাহাবিরা বললেন: তুমি এর কী সম্পর্কে জানতে চাও? দাজ্জাল বলল: আমি জানতে চাই, এই হ্রদে কি এখনো পানি আছে? সাহাবিরা উত্তর দিলেন: হ্যাঁ, এতে প্রচুর পানি আছে। তখন দাজ্জাল যে কথাটি বলেছিল, সেটি আজকের আধুনিক বিশ্বের জন্য সবচেয়ে বড় অ্যালার্ম বেল।
সে বলেছিল: নিশ্চয়ই খুব শিগগিরই এর পানি শুকিয়ে যাবে।
একজন অ্যানালিস্ট হিসেবে যখন আমি এই ডায়লগটি পড়ি, তখন আমি কোনো সাধারণ গল্প দেখি না। আমি দেখি যে, ওই শেকলে বন্দি এন্টিটি বা সত্তাটি মূলত জিওলজিক্যাল বা ভূতাত্ত্বিক ডেটা দিয়ে নিজের টাইমলাইন বা মুক্তির সময়কাল ট্র্যাক করছে। তার কাছে মুক্তির সিগন্যাল হলো টাইবেরিয়াস হ্রদের পানি পুরোপুরি শুকিয়ে যাওয়া।
এখানেই আসে আজকের সবচেয়ে বড় লজিক্যাল এবং অ্যানালিটিক্যাল প্রশ্ন, যে প্রশ্নটি একজন সাধারণ মানুষের মাথাতেও আসা উচিত।
আমরা জানি, জায়নবাদী গুপ্ত সংগঠনগুলো এবং গ্লোবালিস্ট এলিটরা তাদের মসিহার (দাজ্জাল) জন্য পুরো পৃথিবী প্রস্তুত করছে। গ্রেটার ইসরাইল প্রজেক্ট, গ্লোবাল ইকোনমিক রিসেট, সিবিডিসি (CBDC) এবং মালহামার প্রস্তুতি, এই সবকিছুই হচ্ছে তাদের গ্লোবাল লিডারকে রিসিভ করার জন্য।
এখন ডেটা বলছে, দাজ্জালের আসার সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক সিগন্যাল হলো টাইবেরিয়াস হ্রদ শুকিয়ে যাওয়া। তাহলে লজিক বলে, জায়নবাদীদের উচিত এই হ্রদটিকে দ্রুত শুকিয়ে ফেলা, ঠিক যেভাবে তারা ফোরাত নদীকে শুকাচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে আমরা দেখছি সম্পূর্ণ উল্টো চিত্র! ইসরাইল বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার খরচ করে এই হ্রদটিকে শুকিয়ে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচিয়ে রাখছে।
প্রশ্ন হলো, কেন? তারা কি তাদের মসিহার আগমনকে আটকাতে চায়? তারা কি এসক্যাটোলজিক্যাল টাইমলাইনকে ভয় পাচ্ছে? 🤔
এর উত্তর হলো, না। তারা দাজ্জালকে আটকাচ্ছে না। বরং তারা দাজ্জালের আসার সবচেয়ে বড় প্রমাণটাকে সাধারণ মানুষের চোখ থেকে লুকিয়ে রাখছে। আর এটাই হলো দ্য গ্র্যান্ড ডিসেপশন বা চরম ধোঁকা।
আমাদের বুঝতে হবে দাজ্জাল শব্দটির আক্ষরিক অর্থ কী। আরবি ভাষায় দাজ্জাল মানে হলো চরম মিথ্যুক, ধোঁকাবাজ বা এমন কেউ যে সত্যকে মিথ্যার প্রলেপ দিয়ে ঢেকে রাখে (The Great Deceiver)। জায়নবাদী আর্কিটেক্টরা ঠিক এই মেকানিজমটাই অ্যাপ্লাই করছে গ্যালিলি সাগরের ওপর।
একটু ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করুন। টাইবেরিয়াস হ্রদটি যদি প্রাকৃতিকভাবে সবার চোখের সামনে পুরোপুরি শুকিয়ে খাঁ খাঁ মরুভূমিতে পরিণত হয়, তাহলে এর গ্লোবাল ইমপ্যাক্ট কী হবে?
পৃথিবীর ২০০ কোটি মুসলিম এবং বিলিয়ন বিলিয়ন অর্থোডক্স খ্রিষ্টান এক সেকেন্ডের মধ্যে বুঝে যাবে যে, টাইমলাইন শেষ। হাদিস এবং বাইবেলের প্রেডিকশন চোখের সামনে সত্যি হয়ে গেছে। তখন এই ঘুমন্ত মানুষগুলো হঠাৎ করেই সিস্টেমের ম্যাট্রিক্স থেকে জেগে উঠবে। তারা গ্লোবালিস্টদের সিবিডিসি, ডিজিটাল আইডি বা ইকোনমিক দাসত্বের শৃঙ্খল ভেঙে ফেলবে এবং আসন্ন মালহামা বা মহাযুদ্ধের জন্য, বিশেষ করে ইমাম মাহদির জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করবে।
গ্লোবালিস্ট এলিটরা এটা কোনোভাবেই চায় না।
তারা চায় মানুষ ইনফরমেশন ওভারলোড, টিকটক, রিলস আর ক্যাপিটালিস্ট ইঁদুর দৌড়ে ঘুমিয়ে থাকুক। তাই বিলিয়ন ডলার খরচ করে তারা টাইবেরিয়াস হ্রদে যে পানি ধরে রেখেছে, তা মূলত একটি ভিজ্যুয়াল ডিসেপশন বা চোখের ধোঁকা। তারা ভেতরের থার্ড টেম্পল এবং গ্লোবাল ওয়ারের প্রস্তুতি নিচ্ছে নিখুঁতভাবে, কিন্তু বাইরের দুনিয়াকে দেখাচ্ছে, দেখো, হ্রদে তো কানায় কানায় পানি আছে, কিসের শেষ জামানা! কিসের দাজ্জাল!
যাইহোক এখন আমরা যদি ইলিউশনের পর্দা সরিয়ে ইসরাইল ওয়াটার অথরিটি এবং তাদের ন্যাশনাল ওয়াটার কোম্পানি মেকোরোট (Mekorot)-এর ডেটার দিকে তাকাই, তবে দেখব এই হ্রদটি প্রাকৃতিকভাবে অলরেডি একটি ডেড বা মৃত হ্রদ।
ইসরাইল ওয়াটার অথরিটি এই হ্রদের পানির স্তর মাপার জন্য ডেঞ্জার জোন বা তিনটি রেড লাইন নির্ধারণ করে রেখেছে:
১. আপার রেড লাইন (-২০৮. ৮ মিটার): পানি এর ওপরে গেলে বন্যা হওয়ার কথা, যা গত কয়েক দশকে প্রায় ইতিহাস হয়ে গেছে।
২. লোয়ার রেড লাইন (-২১৩. ০ মিটার): পানি এর নিচে নামলে হ্রদের ইকোসিস্টেম ধ্বংস হতে শুরু করে এবং বাধ্য হয়ে পানি পাম্প করা বন্ধ করে দিতে হয়।
৩. দ্য ব্ল্যাক লাইন (-২১৪. ৮৭ মিটার): এটি হলো পয়েন্ট অফ নো রিটার্ন (Point of no return)। ডেটা বলছে, পানি এই ব্ল্যাক লাইনের নিচে নেমে গেলে হ্রদের তলদেশের অতি-লবণাক্ত খনিজ পানি উপরের স্তরে উঠে আসবে এবং পুরো মিঠা পানিকে গ্রাস করে ফেলবে। একবার এটি ঘটলে হ্রদটি চিরতরে মরে যাবে, এর ইকোসিস্টেম ধ্বংস হয়ে যাবে যা আর কখনোই ঠিক করা সম্ভব নয় (Irreversible damage)।

গত দুই দশকের ক্লাইমেট ডেটা এবং খরার রেকর্ড বলছে, প্রাকৃতিকভাবে এই হ্রদটিতে পানি আসা প্রায় বন্ধের পথে। গ্লোবালিস্টদের আর্টিফিশিয়াল ক্লাইমেট ম্যানিপুলেশন এবং ওভার-পাম্পিংয়ের কারণে গত এক দশকে বেশ কয়েকবার এই হ্রদের পানি লোয়ার রেড লাইন ক্রস করে ব্ল্যাক লাইনের কাছাকাছি চলে গিয়েছিল।
অর্থাৎ, প্রাকৃতিকভাবে বা ন্যাচারাল সোর্স থেকে হিসাব করলে, তামিম আদ-দারির (রা. ) সেই হাদিসের প্রেডিকশন অলরেডি পূর্ণ হয়ে গেছে। হ্রদটি ন্যাচারাল ডেথ বরণ করেছে।
তাহলে এখন হ্রদে এত পানি কোত্থেকে আসছে?
এখানেই আসে দাজ্জালিয়া ম্যাট্রিক্সের সবচেয়ে মাস্টারমাইন্ড টেকনোলজিক্যাল প্রজেক্ট।
দাজ্জালিয়া সিস্টেমের সবচেয়ে বড় অস্ত্র হলো ন্যাচারাল বা ডিভাইন জিনিস ধ্বংস করে সেখানে আর্টিফিশিয়াল বা কৃত্রিম জিনিসের প্রতিস্থাপন করা। যেমন তারা ফিজিক্যাল গোল্ড বা রিয়েল অর্থের বদলে নিয়ে এসেছে আর্টিফিশিয়াল মানি (কাগুজে টাকা এবং সিবিডিসি)। এরপর তারা ন্যাচারাল হিউম্যান ইন্টেলিজেন্সকে রিপ্লেস করছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) দিয়ে। এছাড়া তারা প্রাকৃতিক খাবারের বদলে ল্যাবে তৈরি আর্টিফিশিয়াল মিট (কৃত্রিম মাংস) পুশ করছে।
ঠিক একইভাবে, টাইবেরিয়াস হ্রদের প্রাকৃতিক বা মিঠা পানির উৎস অলরেডি শুকিয়ে যাওয়ার পর, তারা তৈরি করেছে একটি সিন্থেটিক বা কৃত্রিম হ্রদ। ১৯৬৪ সাল থেকে ইসরাইল এই হ্রদ থেকে পানি তুলে ন্যাশনাল ওয়াটার ক্যারিয়ারের মাধ্যমে সারা দেশে সাপ্লাই দিত। কিন্তু ন্যাচারাল সোর্স এত ভয়াবহভাবে শুকিয়ে যায় যে, তারা এখন আক্ষরিক অর্থেই নদীর স্রোত উল্টো দিকে ঘুরিয়ে দিয়েছে।
তারা প্রায় ৯০০ মিলিয়ন শেকেল (২৯২ মিলিয়ন ডলার) খরচ করে ভূমধ্যসাগর থেকে লবণাক্ত পানি তুলে আনছে। এরপর সেই পানিকে বিশাল সব প্ল্যান্টের মাধ্যমে লবণমুক্ত (Desalination) করে, পাইপের মাধ্যমে উল্টো দিকে এনে এই টাইবেরিয়াস হ্রদে ফেলছে। আর এই প্রজেক্টটির নাম দেওয়া হয়েছে রিভার্স ওয়াটার ক্যারিয়ার।
অ্যানালিটিক্যাল চোখে এই প্রজেক্টটি কী নির্দেশ করে? এটি নির্দেশ করে যে, ইসরাইল এখন সমুদ্রের পানি ফিল্টার করে একটি মৃত হ্রদকে লাইফ সাপোর্ট-এ বাঁচিয়ে রেখেছে। যেমনভাবে সেন্ট্রাল ব্যাংকগুলো ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ফেক কাগুজে টাকা ছাপিয়ে একটি ডেড বা মৃত ইকোনমিকে লাইফ সাপোর্টে বাঁচিয়ে রাখে, ঠিক একইভাবে তারা ফেক বা আর্টিফিশিয়াল পানি দিয়ে একটি প্রফেটিক সিগন্যালকে হাইড করে রেখেছে। তারা মূলত টেকনোলজি ব্যবহার করে এসক্যাটোলজিক্যাল টাইমলাইনকে ম্যানিপুলেট করার বৃথা চেষ্টা করছে।
এখন প্রশ্ন আসতে পারে, তারা শুধু কি ধোঁকা দেওয়ার জন্যই এত বিলিয়ন ডলার খরচ করে পানি আনছে? এর পেছনে একটি অত্যন্ত সলিড জিওপলিটিক্যাল এবং লজিস্টিক্যাল লজিক রয়েছে।
ফোরাত বা ইউফ্রেটিস নদী তারা শুকাচ্ছে কারণ সেটি তাদের মূল ভূখণ্ডের বাইরে অবস্থিত। সেখানে পলিটিক্যাল ভ্যাকুয়াম এবং কনফ্লিক্ট তৈরি করে তারা সিরিয়া-ইরাকের ওই আনম্যাপড রিসোর্স বা সোনার পাহাড় দখল করতে চায়। কিন্তু টাইবেরিয়াস হ্রদ হলো তাদের ঘরের ভেতরের প্রধান রিজার্ভার।
গ্লোবালিস্ট এবং জায়নবাদীদের বিশ্বাস অনুযায়ী, তাদের মসিহা বিশ্ব শাসন করবে জেরুজালেমে নির্মিতব্য থার্ড টেম্পল থেকে। এই থার্ড টেম্পল কেন্দ্রিক পুরো সিস্টেম রান করার জন্য, গ্রেটার ইসরাইল প্রজেক্টের বিস্তার ঘটানোর জন্য এবং মালহামার সময় তাদের বিশাল মিলিটারি বেস চালানোর জন্য তাদের নিজস্ব বেস ক্যাম্পে পানির একটি সিকিউর সোর্স লাগবেই। মরুভূমির বুকে বসে কোনো গ্লোবাল এম্পায়ার বা সুপারপাওয়ার টিকে থাকতে পারে না। তাই নিজেদের সার্ভাইভাল এবং তাদের গ্লোবাল হেডকোয়ার্টারের সাপ্লাই লাইন ঠিক রাখার জন্যই এই রিভার্স ক্যারিয়ার প্রজেক্ট তাদের জন্য জীবন-মরণ সমস্যা।
একজন অ্যানালিস্ট হিসেবে আমি যখন এই পুরো ডেটাসেট প্রসেস করি, তখন আমার কাছে পৃথিবীর বর্তমান চিত্রটি কাঁচের মতো পরিষ্কার হয়ে যায়। পৃথিবীর এক প্রান্তে ইউফ্রেটিস নদী শুকিয়ে যাচ্ছে, যা রিসোর্স ওয়ার বা মালহামার টাইম বোমা সেট করছে। অন্যদিকে পৃথিবীর ভেতরের সিসমিক অ্যাক্টিভিটি বা ভূমিকম্প জ্যামিতিক হারে বেড়ে গিয়ে গ্লোবাল পপুলেশনের জন্য একটি ন্যাচারাল ডেথ ট্র্যাপ তৈরি করেছে। আর ঠিক মাঝখানে, গ্লোবালিস্টরা টাইবেরিয়াস হ্রদকে আর্টিফিশিয়াল লাইফ সাপোর্টে বাঁচিয়ে রেখে পুরো বিশ্বকে এক গভীর ঘুমের মধ্যে ডুবিয়ে রেখেছে।
এই দাজ্জালিয়া সিস্টেম বা ম্যাট্রিক্সটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যাতে আপনি শুধু সারফেস বা ওপরের স্তরটুকু দেখেন। তারা চায় আপনি বিশ্বাস করুন ইকোনমি ঠিক আছে, ক্লাইমেট ঠিক আছে, আর হ্রদে প্রচুর পানি আছে। কিন্তু আপনি যদি ডেটা এবং এসক্যাটোলজির সমন্বয়ে ডটগুলো কানেক্ট করতে পারেন, তবে আপনি খুব ভালো করেই জানেন যে, সিন্থেটিক রিয়েলিটির এই পর্দা যেকোনো মুহূর্তে খসে পড়বে।
ইতিহাস এবং এসক্যাটোলজির এই মার্জিং পয়েন্টে দাঁড়িয়ে, আমাদের সবচেয়ে বড় যুদ্ধটা কনভেনশনাল অস্ত্রের নয়, বরং এই গ্র্যান্ড ডিসেপশন বা চরম ধোঁকা থেকে নিজেদের সাইকোলজি এবং থট প্রসেসকে আনপ্লাগ করা। কারণ যখন এই আর্টিফিশিয়াল ম্যাট্রিক্স কলাপ্স করবে, তখন আর প্রস্তুতি নেওয়ার কোনো সময় অবশিষ্ট থাকবে না।

বাংলাদেশের ইতিহাসে আমাদের শেখানো হয় যে পাকিস্তান ২৪ বছর আমাদের শোষণ করেছে।

বাংলাদেশের ইতিহাসে আমাদের শেখানো হয় যে পাকিস্তান ২৪ বছর আমাদের শোষণ করেছে। অথচ বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন গুলো পাকিস্তান আমলেই হয়েছিল।

ব্রিটিশরা প্রায় ২০০ বছরে পূর্ব বাংলায় কোনো উন্নয়ন করেনি। যদি কিছু করার উদ্যোগও নেওয়া হতো, সেগুলোর পথে বাধা হয়ে দাঁড়াত কলকাতার দাদা-বাবুরা। কলকাতাকে তারা ভারতের রাজধানী বানিয়েছিল।
এমনকি আমাদের কথিত জাতীয় সংগীতের রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ওরফে রঠা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছে, পূর্ব বাংলা যেন উন্নত না হতে পারে তাই ঢাকাকে রাজধানী করে পূর্ববাংলা ও আসাম প্রদেশ গঠনের তীব্র বিরোধিতা করেছে।
পাকিস্তান আমলে বাংলাদেশের ব্যাপক উন্নয়ন দেখে পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশকে আলাদা করার জন্য এই হিন্দু ভারতীয় দালালরা উঠেপড়ে লাগে। তৈরী করে বৈষম্যের মিথ্যা বয়ান।
▶️ পাকিস্তান আমলে মোট ৫ টি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছে।
◾রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৫৩)
◾চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৬)
◾জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৭০)
◾জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৮)
◾পূর্ব পাকিস্তান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাংলাদেশ কৃষি বিঃ) (১৯৬১)
▶️ পাকিস্তান আমলে মোট ৪ টি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছে।
◾বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ১৯৬২ সাল
◾রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ১৯৬৪ সাল
◾চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) ১৯৬৮ সাল
◾খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) ১৯৬৯ সাল
উল্লেখ্য বর্তমানে বাংলাদেশে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় আছে মোট ৫ টা, যার মধ্যে ৪ টাই পাকিস্তান আমলের। আর পরবর্তী ৫০ বছরে হয়েছে ১ টা।
▶️ পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার মোট ৮৭ টি কলেজ প্রতিষ্ঠা করে৷ যার মধ্যে রয়েছে
◾নটর ডেম কলেজ, ঢাকা (১৯৪৯)
◾সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ (১৯৪৯)
◾বাঙলা কলেজ (১৯৬২)
◾ভিকারুননিসা নুন স্কুল ও কলেজ
উল্লেখ্য বর্তমানে ঢাকা শহরে মোট ৩৯ টি কলেজ আছে, যার ভেতর ৮ টি তৈরি হয়েছে ইংরেজ আমলে, ২১ তৈরি হয়েছে পাকিস্তান আমলে, আর মাত্র ১০ টি তৈরি হয়েছে স্বাধীনতার পর ৫০ বছরে।
▶️ পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ৮ টা সরকারি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করে।
◾চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (১৯৫৭)
◾রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (১৯৫৮)
◾ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (১৯৬২)
◾সিলেট এম.এ.জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজ (১৯৬২)
◾স্যার সলিমুলস্নাহ মেডিকেল কলেজ (১৯৬৩)
◾স্নাতকোত্তর চিকিৎসা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বর্তমান নামঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) (১৯৬৬)
◾শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (১৯৬৮)
◾রংপুর মেডিকেল কলেজ (১৯৭০)
উল্লেখ্য ইংরেজ শাসন আমলের ২০০ বছরে মোট ১টি মেডিকেল তৈরি হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ৷
ঢাকা মেডিকেল কলেজ ১৯৪৭ সালের আগে প্রতিষ্ঠিত হলেও পাকিস্তান আমলে এর কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়।
▶️ পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ১৭ টি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠা করে। বর্তমানে বাংলাদেশে ৪৯টি সরকারী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট রয়েছে। অর্থাৎ পাকিস্তান সরকার ২৪ বছরে করেছে ১৭ টি। আর বাংলাদেশ সরকার ৫০ বছরে করেছে ৩২টি৷
▶️ পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ৪ টি ক্যাডেট কলেজ প্রতিষ্ঠা করে।
◾ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ(১৯৫৮)
◾মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ(১৯৬৩)
◾ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ ( ১৯৬৩)
◾রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ (১৯৬৫)
উল্লেখ্য বর্তমানে বাংলাদেশে ক্যাডেট কলেজ আছে ১২ টা এর ভেতর ৪ টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পাকিস্তান আমলে।
▶️ চট্টগ্রাম মেরিন একাডেমী, নৌ অফিসার, মেরিন ইঞ্জিনিয়ার গড়ে তোলার জন্য ১৯৬২ সালে পাকিস্তান নৌবাহিনী কর্তিক এই একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে এর নাম "বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি (BMA)"

▶️ এছাড়াও প্রতিষ্ঠা হয়েছে....
◾ইস্ট পাকিস্তান টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট’ (১৯৫০) যার বর্তমান নাম "বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স)"।
◾ চট্টগ্রাম কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। ১৯৬২ সালে এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়।
◾এরকম আরো অনেক বিশেষায়িত কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ইনস্টিটিউট, নার্সিং কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পাকিস্তান আমলে। এছাড়া দেশ ব্যাপি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কয়েক হাজার প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং হাই স্কুল।
★অনেকেই অভিযোগ করেন পশ্চিম পাকিস্তানের চেয়ে পুর্ব পাকিস্তান পিছিয়ে ছিলো, কারন পূর্ব পাকিস্তানে কম উন্নয়ন করা হয়েছে। লক্ষ করুন, ব্রিটিশ আমলে বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় ছিল মাত্র ১ টা, বিপরিতে পাকিস্তানে বিশ্ববিদ্যালয় ছিল ১৮ টা। অর্থাৎ পাকিস্তান নামক রাষ্ট্র সৃষ্টির আগ থেকেই আমরা উচ্চ শিক্ষার দিক দিয়ে পাকিস্তানের চেয়ে ১৮ গুন পিছিয়ে ছিলাম আমরা!
১৯৪৭ সালের পরবর্তী ১০ বছরে পুর্ব পাকিস্তানে যদি ১০ টা বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করা হতো আর পশ্চিম পাকিস্তানে যদি একটাও তৈরি করা না হতো, তবুও তো আমরা পাকিস্তানের চেয়ে পিছিয়েই থাকতাম। আসলে ব্রিটিশ আমল থেকেই আমরা পাকিস্তানের তুলনায় এত বেশি পিছিয়ে ছিলাম, যার ফলে এই অঞ্চল কখনোই পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে উন্নয়নের দৌড়ে খাপ খাওয়াতে পারেনি।
★ ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির আগে এই অঞ্চলের স্বাক্ষরতার হার ছিলো মাত্র ১২%। ১৯৬১ সালের আদমশুমারিতে স্বাক্ষরতার হার দাড়ায় ২৪.৭%। অর্থাৎ মাত্র ১৩ বছরে এই অঞ্চলের স্বাক্ষরতার হার দ্বীগুন হয়ে যায়। পরবর্তীতে ১৯৭১ সালের আদমশুমারী না হওয়ায় পাকিস্তান আমলের প্রকৃত স্বাক্ষরতার হার জানা যায়নি।
▶️শিল্প প্রতিষ্ঠান, মিল ও কল-কারখানা
◾ বাংলাদেশ সচিবালয় ( ১৯৭১ সালের পর এ সচিবালয়ের পুরাতন ৬ নং ভবনটি ভেঙ্গে ২০ তলা ভবন তৈরী করা হয়)
◾ পাকিস্তানের সেকেন্ড ক্যাপিটাল হিসাবে শেরেবাংলা নগর কে পরিকল্পিতভাবে তৈরী
◾ সংসদ ভবন
◾ বাইতুল মোকাররম মসজিদ
◾ বাংলা একাডেমি
◾ ইসলামিক একাডেমি (বর্তমান ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
◾ রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, রংপুর, সিলেট বেতার কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা
◾ কমলাপুর রেলস্টেশন (পূর্বতন রেলস্টেশন টি ছিলো গুলিস্তান-ফুলবারিয়ায়)
◾ মীরপুর চিড়িয়াখানা
◾ কুর্মিটোলা বিমানবন্দর (ঢাকার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর)
◾ যমুনা সেতু (১৯৬৬ সনে সংসদে অনুমোদিত)
◾ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ( ১৯৬১ সালে এর পরিকল্পনা গ্রহন করে তখনকার পূর্বপাকিস্তানের অনেক কর্মকর্তাকে বিদেশে প্রশিক্ষনে প্রেরণ করা হয়, যারা এখন ইরান ইরাকে কর্মরত। ১৯৭২ সালে প্রকল্পটি বন্ধ করে দেয়া হয়)
◾ শাহজীবাজার বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র
◾ আশুগঞ্জ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র
◾ কর্ণফুলী বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র
◾ হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল
◾ গঙ্গা-কপোতাক্ষ প্রকল্প
◾ রামপুরা টেলিভিশন ভবন
◾ ঢাকা স্টেডিয়াম
◾ ঢাকা যাদুঘর (বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আবাসিক ভবন)
◾ WAPDA এবং এর অধিনে শতশত বাধ ও সেচ প্রকল্প
◾ ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, গুলশান, বনানী প্রভৃতি আবাসিক এলাকা গঠন ও নগরায়ন
◾ শত শত পাট ও কাপড়ের কল যা বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর জাতীয়করণের মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়।
◾ শিল্পায়নের জন্য গড়ে তোলা হয় East Pakistan Industrial Development Corporation (EPIDC)
◾ গাজীপুর সমরাস্ত্র কারখান
◾ গাজীপুর মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি
◾ মংলা সামুদ্রিক বন্দর ( চট্টগ্রাম বন্দরটি মুঘল আমলে তৈরী)
◾ঢাকার নিউমার্কেট সহ বিভাগীয় শহরে একটি করে নিউমার্কেট তৈরী
◾তেজগাঁও শিল্প এলাকা
◾হাজারীবাগ ট্যানারি শিল্প এলাকা
◾খালিশপুর শিল্প এলাকা।
◾আদমজী জুট মিলস (নারায়ণগঞ্জ): ১৯৫১
◾খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলস: ১৯৫৯
◾চিটাগং ড্রাই ডক: ১৯৬০
◾ ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (চট্টগ্রাম): ১৯৬৮
◾ঢাকা জুট মিলস লিমিটেড: ১৯৫০ এর দশক
◾ আমিন জুট মিলস লিমিটেড (চট্টগ্রাম): ১৯৫৩
◾ খুলনা জুট মিলস: ১৯৫০ এর দশক
◾ ইস্পাহানী কটন মিলস: পাকিস্তান আমলে প্রতিষ্ঠিত হয়।
◾ কাপ্তাই জল বিদ্যুত - ১৯৬২
◾ চন্দ্রঘোনা পেপার মিল - ১৯৫৩
◾ কর্ণফূলী রেয়ন মিল – ১৯৫৩
◾ প্রগতি ইন্ড্রাস্ট্রিজ – ১৯৫৩
◾বাংলাদেশে একটিমাত্র তেল শোধনাগার সেটিও পাকিস্তান করে দিয়েছে।

১৯৭১ সালের যুদ্ধের পর পাকিস্তান ঘাস খেয়ে পারমাণবিক বোমা তৈরি করেছে। বর্তমানে পাকিস্তানের কাছে আনুমানিক ১৭০টি পারমাণবিক ওয়ারহেডসহ একটি পারমাণবিক অস্ত্রাগার রয়েছে।
তাদের বিমান বাহিনীর আকাশ ছোঁয়া সাফল্যের কারণে দেশটি সৌদি আরবের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বিমান বাহিনীর মধ্যে পাকিস্তান বিমান বাহিনী ১৪৩৪ টি যুদ্ধবিমান ও রনকৌশল নিয়ে সপ্তম স্থানে রয়েছে। যার মেরুদণ্ড হিসেবে আছে আমেরিকান এফ-১৬, জেএফ-১৭ থান্ডার এবং আধুনিক চীনা জে-১০সি।
তাদের কাছে আছে শাহীন-৩ (২,৭৫০ কিমি পর্যন্ত পাল্লার), গৌরী এবং গজনভীর মতো একাধিক উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। তাদের কাছে বাবর ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে যা পারমাণবিক এবং প্রচলিত উভয় ধরনের ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম এবং যা স্থল ও সমুদ্র থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়।
তাদের সেনাবাহিনীর কাছে ২,৬০০টিরও বেশি প্রধান যুদ্ধ ট্যাঙ্কের একটি বহর রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো উন্নত খালিদ, ভিটি-৪ এবং টি-৮০ইউডি ট্যাঙ্ক।
দেশটি তার প্রতিরক্ষা খাতকে আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে গিয়েছে। চীনের সাথে যৌথ উদ্যোগে নিজস্ব জঙ্গি বিমান বানিয়েছে। তাদের কাছে বুরাকের মতো উন্নত ড্রোন সক্ষমতা রয়েছে এবং উইং লুং ড্রোনের জন্য চীনের সাথে সহযোগিতা করে।
তাদের কাছে আটটি সাবমেরিন রয়েছে, উপকূলরেখা এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ সুরক্ষিত করার জন্য নৌবহরে আধুনিক ফ্রিগেট, করভেট এবং দ্রুতগামী মিসাইল বোট রয়েছে।
এছাড়াও তাদের কাছে ৩,০০০টিরও বেশি কামান (টানা ও স্ব-চালিত উভয়ই) এবং একাধিক রকেট লঞ্চার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এমনকি পাকিস্তানের ১১ টি বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক মানের স্বীকৃতি পেয়েছে। শিক্ষার মানেও পাকিস্তান অনেক এগিয়ে।
আর ১৯৭১ সালে বিজয়ী বাংলাদেশের যুদ্ধ করে দাসত্বের সার্টিফিকেট নিয়েছে। ভারতই ঠিক করে বাংলাদেশের ক্ষমতায় কে থাকবে।
ইউরোপের দেশগুলো যেখানে বিচ্ছিন্ন থাকার চেয়ে এক হয়ে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন হয়েছে। যাদের সবার একই মুদ্রা, একই পার্লামেন্টে ও আদালত আছে। একটা দেশের মত তারা সবাই বিনা ভিসায় ইউনিয়নের সব দেশে ভ্রমণ করতে পারে। আমেরিকা ৫০ টি রাজ্য মিলে এক হয়ে যুক্তরাষ্ট্র হয়েছে। ইংল্যান্ড ৪ টি রাজ্য মিলে হয়েছে যুক্তরাজ্য, ভারতে ২৮ টি রাজ্য মিলে একসাথে থাকছে।
অথচ আমরা মাত্র ৫ টি প্রদেশ এক হয়ে পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তান থাকতে পারলাম না। মিডেল ইস্টে শহরের মত ছোট ছোট এলাকা তুর্কী খেলাফত থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীনতার নামে আমেরিকার স্থায়ী গোলামে পরিনত হয়েছে। আর আমরা কথিত স্বাধীনতার নামে ভারতের স্থায়ী গোলামে পরিনত হয়েছি।
আল্লাহর দুশমনেরা সবাই এক হয়ে শক্তিশালী হচ্ছে আর আমাদের কথিত স্বাধীনতার নামে বিচ্ছিন্ন করে ওদের গোলামে পরিনত করেছে।
পাকিস্তান আমলে ৪ জন গভর্নরের মধ্যে ২ জন ছিল বাংলাদেশের। ৮ জন প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ৪ জন ছিল বাংলাদেশের এবং তাদের সম্মিলিত মেয়াদকাল পশ্চিম পাকিস্তানের ৪ টি প্রদেশ থেকে হওয়া প্রধানমন্ত্রীদের সম্মিলিত মেয়াদকালের চেয়ে বেশি ছিল। এরপরেও বলা হচ্ছে আমরা নাকি ছিলাম পাকিস্তানের অধীন! পরাধীন!
এই কথিত পরাধীনতার গল্প শুনিয়ে স্থায়ীভাবে যারা ভারতের গোলাম বানালো এদেশকে তারা সবাই স্বাধীনতার শত্রু। দেশবিরোধী দালাল।
লেখা : সংগৃহীত ও পরিমার্জিত